এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করব। প্রশ্নটি হলো: “আতুরি ডাইনির বাড়িতে অপু আর নীলুর কেমন অবস্থা হয়েছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো।” অষ্টম শ্রেণীর স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এটি একটি অপরিহার্য নোট।

আতুরি ডাইনির বাড়িতে অপু আর নীলুর কেমন অবস্থা হয়েছিল, তা নিজের ভাষায় লেখো।
ভাদ্রের এক বিকেলে অপু নীলুর সঙ্গে বেড়াতে বেরিয়ে পথ হারিয়ে শেষে আতুড়ি ডাইনির বাড়িতে ঢুকে পড়ে। সেখানে পৌঁছেই বালকদ্বয়ের মনে নানাভাবে ভয়ের সৃষ্টি হয়। স্বয়ং আতুড়ি বুড়িকে সামনে দেখে অপুর শরীর যেন জমে হিম হয়ে যাচ্ছিল। এরপর আবার আতুড়ি ডাইনিকে তাদের কাছে এগিয়ে আসতে দেখে, অপুর মনে হলো আর রক্ষা নেই; এখনই বুড়ি তার প্রাণটিকে বুঝি সংগ্রহ করে কচুর পাতায় পুরবে। অপু তো সামনে-পেছনে কোনো দিকেই যেতে পারছিল না, ভয়ে তার পা যেন জমে যাচ্ছিল। অপু ভয় পেয়ে বলে, “আমায় ছেড়ে দাও, আমি এদিকে আর কখনও আসব না—আজ ছেড়ে দাও ও বুড়ি পিসি।” নীলু ভয়ে কেঁদে ফেললেও অপুর চোখে জল আসছিল না। তার ওপর আতুড়ি ডাইনি যখন ওদের আমচুর খেতে আহ্বান জানায়, তখন অপুর ভয় আরও বেড়ে যায়; কারণ সে শুনেছে রাক্ষসী ডাইনিরা এভাবেই ফাঁদে ফেলে মানুষকে। কিছুক্ষণের মধ্যেই অপু প্রাণপণে সামনের ভাঁট, শেওড়া, রাংচিতার জঙ্গল ডিঙিয়ে মারল ছুট; তার দেখাদেখি নীলুও ছুট দিল।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “আতুরি ডাইনির বাড়িতে অপু আর নীলুর কেমন অবস্থা হয়েছিল” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তবে টেলিগ্রামে (Telegram) আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment