এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘বাবার জন্য অপুর মন কেমন করে।’ – কোন্ প্রসঙ্গে লেখক এ কথা বলেছেন?” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এটি উপন্যাসের মূল ভিত্তি এবং গ্রামীণ বাংলার চিরায়ত শৈশবকে বোঝার জন্য অপরিহার্য।

‘বাবার জন্য অপুর মন কেমন করে।’ – কোন্ প্রসঙ্গে লেখক এ কথা বলেছেন?
বারোয়ারিতলায় যাত্রার আসর বসেছে। বিকালে যাত্রা শুরু হওয়ার পূর্বে অপু খাওয়ার জন্য বাড়িতে এসে দেখে, বাবা রোয়াকে বসে খরচ লিখছেন। অন্যদিন এই সময় বাবার কাছে বসে অপুকে পড়তে হয়। বাবা নানা ধরনের নতুন নতুন শব্দ উচ্চারণ করেন মুখে, তা শুনে অপু মজা পায়, হাসে, আবার তাড়াতাড়ি করে স্লেটে লিখে বাবাকে দেখায়; কারণ ওই লেখার পরেই সে ছুটি পায়। কিন্তু সেদিন দুর্নিবার একটা শক্তি যেন বাবার কাছ থেকে অপুকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছিল। কিছুতেই বাবার কাছে বসে পড়ালেখা করতে মন বসছিল না, মন চাইছিল বারোয়ারিতলায় ছুটে চলে যেতে। সবাই যখন যাত্রা দেখার জন্য কৌতূহলী, তখন তার বাবা নির্জন ছায়াভরা বিকালে বাঁশবন-ঘেরা বাড়িতে একা বসে লিখছেন। আর এখন যদি তিনি তাকে বলেন – ‘খোকা, এসো পড়তে বসো’, তাহলেই অপুর মনে যেন ভয়ংকর এক প্রতিবাদের সুর ধ্বনিত হবে। অজানা এক উল্লাসের প্রবল শক্তি তার বাবাকে যেন নিতান্ত অসহায়, নিরীহ ও দুর্বল করে দিয়েছে; তাঁর সাধ্য নেই যে অপুকে এখন পড়ার কথা বলেন। এইসব কথাপ্রসঙ্গেই লেখক প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি করেছেন।
Also Read, ‘বাবার জন্য অপুর মন কেমন করে।’ – কোন্ প্রসঙ্গে লেখক এ কথা বলেছেন?
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘বাবার জন্য অপুর মন কেমন করে।’ – কোন্ প্রসঙ্গে লেখক এ কথা বলেছেন?” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment