এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান (Madhyamik Life Science) বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। প্রশ্নটি হলো— “চেকার বোর্ড কী? একে পানেট বর্গ বলা হয় কেন? সহপ্রকটতা কাকে বলে? উদাহরণ দাও।” এই অংশটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় “বংশগতি এবং কয়েকটি সাধারণ জিনগত রোগ”-এর অন্তর্গত। মাধ্যমিক বোর্ড পরীক্ষা (Madhyamik Pariksha) এবং বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই টপিকটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। চলুন, সহজ ভাষায় উত্তরগুলো জেনে নেওয়া যাক।

চেকার বোর্ড কী? (What is a Checker Board?)
সংকরায়ণ (Hybridization) পরীক্ষার সমস্ত রকম ফলাফল যে বর্গাকার প্রচলিত ও সুবিধাজনক ছকের সাহায্যে লেখা হয় এবং ব্যাখ্যা করা হয়, তাকে চেকার বোর্ড (Checker Board) বলে। এর মাধ্যমে জিনোটাইপ ও ফিনোটাইপের অনুপাত খুব সহজেই নির্ণয় করা যায়।
একে পানেট বর্গ (Punnett Square) বলা হয় কেন?
বিখ্যাত ব্রিটিশ জিনতত্ত্ববিদ আর সি পানেট (R.C. Punnett) সর্বপ্রথম এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার ও অনুসরণ করেন। তাই তাঁর নামানুসারে বিজ্ঞানমহলে এই পদ্ধতিটিকে পানেট বর্গ বা Punnett Square বলা হয়।
সহপ্রকটতা কাকে বলে? (What is Codominance?)
জীবের কোনো একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য হেটেরোজাইগাস (Heterozygous) অবস্থায় (অর্থাৎ, প্রকট ও প্রচ্ছন্ন উভয় জিন উপস্থিত থাকলে) প্রথম অপত্য জনুতে (F₁) দুটি প্রকট অ্যালিলের সমভাবে প্রকাশ পাওয়ার ঘটনাকে সহপ্রকটতা (Codominance) বলে।
সহপ্রকটতার উদাহরণ –
মানুষের ABO রক্ত গ্রুপে ‘A’ ও ‘B’ অ্যালিলের সমভাবে প্রকাশ হলো সহপ্রকটতার একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। অর্থাৎ, বাবা এবং মায়ের থেকে প্রাপ্ত A এবং B দুটি জিনই যদি সন্তানের মধ্যে থাকে, তবে কোনোটিই প্রচ্ছন্ন না থেকে দুটিরই সমান প্রকাশ ঘটে এবং রক্তের গ্রুপ ‘AB’ হয়।
উপরে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের তৃতীয় অধ্যায় থেকে চেকার বোর্ড বা পানেট বর্গ এবং সহপ্রকটতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করলাম। আশা করি এই স্টাডি নোটসটি (Life Science Notes) আপনাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে।উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment