অষ্টম শ্রেণি বাংলা – বনভোজনের ব্যাপার – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের দ্বিতীয় পাঠের অন্তর্গত ‘বনভোজনের ব্যাপার’ -এর কিছু ‘সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

বনভোজনের ব্যাপার-অষ্টম শ্রেণী-বাংলা-সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
Contents Show

বনভোজনের প্রথম তালিকায় কী কী খাদ্যের উল্লেখ ছিল? তা বাতিল হল কেন?

নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘বনভোজনের ব্যাপার’ গল্প থেকে জানা যায় হাবুল সেন বনভোজনের জন্য প্রথমে তালিকা দিয়েছিল—পোলাও, ডিমের ডালনা, রুই মাছের কালিয়া, মাংসের কোর্মা। পরে দলপতি টেনিদা এর সঙ্গে যুক্ত করে বলে—মুর্গ মুসল্লম, বিরিয়ানি পোলাও, মশল্লা দোসো, চাউ-চাউ, সামি কাবাব। পরে চূড়ান্ত লিস্ট হয়—বিরিয়ানি, পোলাও, কোর্মা, কোপ্তা, কাবাব (দু-রকম) ও মাছের চপ। বনভোজনে এমন রান্নার জন্য চারজনে মিলে চাঁদা ওঠে দশ টাকা ছয় আনা, কিন্তু বিপুল অর্থব্যয়ের সংস্থান তাদের না থাকায় এমন রান্নার পরিকল্পনা বাতিল হয়।

বনভোজনের দ্বিতীয় তালিকায় কী কী খাদ্যের উল্লেখ ছিল এবং কে কী কাজের দায়িত্ব নিয়েছিল?

বনভোজনের দ্বিতীয় তালিকায় ঠিক হয় রান্না হবে খিচুড়ি, আলুভাজা, পোনা মাছের কালিয়া, আমের আচার, রসগোল্লা, লেডিকেনি। যুক্তি করে ঠিক হয় প্যালা রাজহাঁসের ডিম আনবে। ক্যাবলা আলু ভাজবে। প্যালা পোনা মাছের কালিয়া রাঁধবে। হাবুল দিদিমার ঘর থেকে হাতসাফাই করে আমের আচার আনবে। আর রসগোল্লা ও লেডিকেনি ধারে ম্যানেজ করতে হবে।

প্যালার রাজহাঁসের ডিম আনার ঘটনাটির বর্ণনা দাও।

বনভোজনের জন্যে প্যালা রাজহাঁসের ডিম আনার দায়িত্ব নেয়। পাড়ায় ভন্টাদের বাড়িতে গোটাকয়েক রাজহাঁস আছে দেখে প্যালা ভন্টাকে দু-আনার পাঁঠার ঘুগনি আর ডজনখানেক ফুলুরি খাইয়ে খুশি করে। ঠিক হয়, প্যালা বাক্স থেকে নিজের হাতে ডিম বের করে নেবে। ভন্টার কথামতো প্যালা দুপুরে যায়। উঠোনের একপাশে কাঠের বাক্স—তার ভিতরে সার-সার খুপরি। গোটা দুই হাঁস ভিতরে বসে ডিমে তা দিচ্ছে। কাছে যেতেই খুব বাজে ভাবে ফ্যাঁস-ফ্যাঁস করে ওঠে হাঁস দুটো। ভন্টা উৎসাহ দেওয়ায় প্যালা বাক্সে হাত ঢোকালে একটা হাঁস খটাং করে হাতে কামড়ে ধরে। সে কী কামড়! প্যালা চেঁচিয়ে ওঠে। হ্যাঁচকা টানে হাঁসের ঠোঁট থেকে হাত ছাড়িয়ে চোঁচা দৌড় দেয় প্যালা। দরদর করে রক্ত পড়তে থাকে তার হাত থেকে।

ট্রেন থেকে নেমে হাঁটতে গিয়ে তাদের কী কী বিপদ ঘটেছিল?

ট্রেন থেকে নেমে প্রায় মাইলখানেক হাঁটার পর ক্যাবলার মামার বাড়ির বাগান যেখানে বনভোজনের আয়োজন হয়েছিল। কাঁচা রাস্তা, এঁটেল মাটি, তার উপর কাল রাতে এক পশলা বৃষ্টি হওয়ায় রাস্তা ভীষণ পিছল। একটু এগিয়ে যেতেই হাবুল রায় আছাড় খায়। সারা গায়ে কাদা মেখে হাবুল উঠে দাঁড়ায়। হাতের ডিমের পুঁটলিটা তখন কুঁকড়ে এতটুকু, হলদে রস গড়াচ্ছে তা থেকে। আরো একটু এগিয়ে কাদায় পিছলে পড়ে প্যালা। কাদা থেকে যখন উঠে দাঁড়ায় তখন প্যালার মাথা ও মুখ বেয়ে আচারের তেল গড়াচ্ছে। পরে টেনিদার হাতে ধরা রসগোল্লার হাঁড়ি সাত হাত দূরে ছিটকে যায়। ধবধবে সাদা রসগোল্লাগুলো পাশের কাদাভরা খানায় গিয়ে পড়ে একেবারে লেবুর আচার হয়ে যায়।

‘মাছের কালিয়ার তিনটে বেজে গেল’ – মাছের কালিয়া সম্পর্কে এরকম বলার কারণ কী?

প্যালার উপর দায়িত্ব পড়ে মাছের কালিয়া তৈরির। ক্যাবলার মা মাছ কেটে নুন মাখিয়ে দিয়েছিলেন। কড়াইতে তেল চাপিয়ে প্যালা তাতে মাছ ঢেলে দেয়। মাছ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কড়াই-ভরতি ফেনা। অতগুলো মাছ তালগোল পাকিয়ে যায় একসঙ্গে। মাছের কালিয়া নয়—’মাছের হালুয়া হয়ে ওঠে’। মাছের এমন অবস্থা দেখে ক্যাবলা আদালতের পেয়াদার মতো ঘোষণা করে ‘মাছের কালিয়ার তিনটে বেজে গেল’।

কলম্বাস – টীকা লেখো।

কলম্বাস – প্রসিদ্ধ ইউরোপীয় নাবিক। 1836 খ্রিস্টাব্দে ইটালির জেনোয়ায় তাঁর জন্ম। তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষটি ইতিহাস, জ্যোতিষ, জ্যামিতি, ভূগোল প্রভৃতিতে পাঠগ্রহণ করে নৌযুদ্ধ বিভাগে প্রবেশ করেন। পরে ভাগ্যবিড়ম্বিত মানুষটি স্পেনের রাজা ফার্দিনান্দ ও রানি ইসাবেলার সাহায্যে 1492 খ্রিস্টাব্দের 3 আগস্ট প্যালোস বন্দর থেকে সমুদ্রযাত্রা করেন। কিউবা, সেন্ট ডোমিঙ্গো প্রভৃতি দ্বীপ আবিষ্কার করে প্যালোস বন্দরে ফেরেন। ওই বছরই জামাইকা দ্বীপ আবিষ্কার করেন। 1498 খ্রিস্টাব্দে তৃতীয়বার যাত্রায় আমেরিকা, ত্রিনিদাদ আবিষ্কৃত হয়। 1502 খ্রিস্টাব্দে চতুর্থবারের জন্য বের হন। কিন্তু অসুস্থতার জন্য 1504 খ্রিস্টাব্দে ফিরে যান এবং 1506 খ্রিস্টাব্দে 70 বছর বয়সে ভায়াদোলিদ নগরে লোকান্তরিত হন।

লেডিকেনি – টীকা লেখো।

ছানার সঙ্গে ময়দা, সুজি, চালগুঁড়ো মিশিয়ে গোল আকৃতির তৈরি করে ঘি-এ ভেজে পরে রসের মধ্যে ফেললে এক উপাদেয় মিষ্টান্ন তৈরি হয়। এই মিষ্টান্নটি বাঙালিদের কাছে ভীষণ প্রিয় এবং এর নাম লেডিকেনি। জানা যায়, লর্ড ক্যানিং-এর স্ত্রীকে খুশি করার জন্য কলকাতার প্রখ্যাত ময়রা নবীনচন্দ্র এমন এক মিষ্টান্নের উদ্ভাবন করেন। এই মিষ্টান্ন গ্রহণ করে ক্যানিং-এর পত্নী ভীষণ খুশি হন এবং মিষ্টান্ন নির্মাতারা তাঁর প্রশংসাধন্য মিষ্টান্নটিকে তাঁরই নামে চিহ্নিত করে লেডিকেনি নাম দেন।

বিরিয়ানি – টীকা লেখো।

মাংসমিশ্রিত ভাত। এই ধরনের খাবারকে পলান্ন বলা হয়। এই ধরনের রান্নার কদর আছে হায়দরাবাদে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই খাবারের চাহিদা আছে। ‘বনভোজনের ব্যাপার’ গল্পে দেখা যায়, পেটুক টেনিদা ভালো ভালো খাবারের ব্যাপারে ভীষণ তৎপর এবং হাবুল সেন পরিকল্পনা মতো কয়েকটি ভালো ভালো পদ রান্নার কথা বললে টেনিদা নোলার জল টেনে বিরিয়ানি রান্নার কথা বলে। এই খাবার তৈরি করতে অনেক সময় ও খরচ হয়, কিন্তু এই ধরনের মুখরোচক ও দামি খাবারের লোভ শহরের মানুষের মধ্যে অধিক দেখা যায়।

ইউরেকা – টীকা লেখো।

‘Eureka’ শব্দটি ইংরেজি শব্দ। এর আক্ষরিক অর্থ আবিষ্কারের আনন্দজনিত উল্লাসধ্বনি। ‘পেয়েছি পেয়েছি’ এই ধরনের আনন্দধ্বনি প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দটির যথার্থ ব্যবহার হয়। প্রসিদ্ধ গ্রিক গণিতজ্ঞ আর্কিমিডিস আপেক্ষিক গুরুত্ব তত্ত্বের আবিষ্কার করেন। জানা যায়, এই মানুষটি আবিষ্কারের নেশায় মত্ত ছিলেন এবং হঠাৎ আকস্মিকভাবে সমস্যার সমাধান হয়ে যাওয়ায় ‘Eureka-Eureka’ বলে চিৎকার করে ওঠেন। বনভোজনে গিয়ে সারাদিন প্রায় সবাই অভুক্ত থাকে। খিচুড়ি রান্নার চাল-ডাল-আলু বাঁদরেরা সাবাড় করেছে। এহেন অবস্থায় প্যালা বাগানের একটি গাছে পাকা জলপাইয়ের সংবাদ দিলে টেনিদা উল্লাসের সঙ্গে তৎপর হয়ে বলে ওঠে ‘ইউরেকা’।

‘উস-উস শব্দে নোলার জল টানল টেনিদা।’ – নোলার জল টানার কারণ কী? এরপর টেনিদা কী বলেছিল?

বনভোজনের খাদ্যতালিকা তৈরি করার সময় হাবুল সেন যখন পোলাও, ডিমের ডালনা, রুই মাছের কালিয়া, মাংসের কোর্মা প্রভৃতি পদের নাম এক এক করে বলছিল, তখনই টেনিদার নোলায় অর্থাৎ জিভে জল এসে গিয়েছিল। আসলে এই সমস্ত দুর্দান্ত ও সুস্বাদু খাবারের নাম শুনে পেটুক টেনিদা আর লোভ সামলাতে পারছিল পরিচয় করতে পারছিল না। সেইজন্য নোলায় জল এলেই তা টেনিদাকে টানতে হচ্ছিল। হাবুল সেন ওইটুকু বলে থেমে যেতেই টেনিদা তাকে মুর্গ মুসল্লম, বিরিয়ানি পোলাও, মশল্লা দোসো, চাউ চাউ, সামি কাবাব প্রভৃতি পদের নামগুলো একইসঙ্গে বলতে বলেছিল।

‘জেনে-শুনে ব্রাহ্মণের রক্তপাত ঘটাল।’ – কীভাবে রক্তপাত ঘটল? এ কথা বলার কারণ কী?

বনভোজনের জন্য রাজহাঁসের ডিম জোগাড় করতে প্যালা ভন্টাদের বাড়িতে যায়। সেখানে ভন্টার কথামতো রাজহাঁসের বাক্সে হাত ঢুকিয়ে ডিম বার করতে গেলে প্যালার হাতে রাজহাঁস সজোরে কামড় বসায়। এই কামড়ের ফলেই প্যালার হাত থেকে রক্তপাত ঘটে। রাজহাঁস যে এমন ‘রাজকীয় কামড়’ বসাতে পারে তা প্যালার জানা ছিল না। ভন্টাও তাকে এ বিষয়ে এতটুকু সতর্ক করে দেয়নি। বরং প্যালাকে রাজহাঁসের ডিম দেওয়ার জন্য ভন্টা তার কাছ থেকে পাঁঠার ঘুগনি আর ফুলুরি সাবাড় করে শেষপর্যন্ত তাকে ঠকালো বলে প্যালা তার উপর রেগে গিয়ে মনে মনে এ কথা বলেছে।

‘টেনিদা হুংকার দিয়ে উঠল : দিলে সব পণ্ড করে।’ – টেনিদার হুংকারের কারণ কী? টেনিদা হুংকার দিয়ে কী বলেছিল?

বনভোজনের জন্য নির্ধারিত স্থানে যাওয়ার সময় কাদায় ভরা এঁটেল মাটির রাস্তা দিয়ে চলতে গিয়ে হাবুল পা হড়কে পড়ে যায়। তার হাতের ডিমের পুঁটলির ভিতরের সব ডিম ফেটে গিয়ে সেখান থেকে হলদে রস গড়াতে থাকে। টেনিদা তার অত্যন্ত লোভের জিনিস ওই ডিমগুলোর এই পরিণতি দেখে রাগে হুংকার দিয়েছিল। হুংকার দিয়ে টেনিদা বলেছিল – ‘দিলে সব পণ্ড করে। এই ঢাকাই বাঙালটাকে সঙ্গে এনেই ভুল হয়েছে। পিটিয়ে ঢাকাই পরোটা করলে তবেই রাগ যায়।’

‘রসগোল্লার দুটো বেজে গেল!’ – বক্তা কে? এ কথা বলার কারণ কী?

উদ্ধৃতাংশের বক্তা ক্যাবলা। বনভোজনের নির্ধারিত স্থানে যাওয়ার সময় কাদায় ভরা মাটির রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে টেনিদা পা পিছলে পড়ে যায়। তখন টেনিদার হাতে ধরা রসগোল্লার হাঁড়ি সেখান থেকে সাত হাত দূরে ছিটকে পড়ে এবং সাদা রসগোল্লাগুলো কাদাভরা খানায় পড়ে কাদা মাখামাখি হয়ে একেবারে লেবুর আচারের চেহারা নেয়। বড়ো সাধের রসগোল্লার এই পরিণতি দেখে ক্যাবলা ওই কথা বলেছিল।

‘আমরা তিনজনেই থমকে দাঁড়ালাম।’ – তারা থমকে দাঁড়িয়ে কী দেখেছিল?

প্যালা, ক্যাবলা আর হাবুল সেন থমকে দাঁড়িয়ে দেখেছিল টেনিদা নারকেল গাছে হেলান দিয়ে ঘুমোচ্ছে আর একটা গোদা বাঁদর তার পিঠ চুলকে দিচ্ছে। ওদিকে টেনিদার চারদিকে গোল হয়ে বসে চার-পাঁচটা বাঁদর মুঠো মুঠো করে চাল-ডাল মুখে পুরছে এবং একটা আবার আলুগুলো সাবাড় করতে করতেই আস্তে আস্তে টেনিদার পিঠ চুলকে দিচ্ছে। এই অদ্ভুত দৃশ্য তারা প্রায় মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে দেখেছিল।


এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের দ্বিতীয় পাঠের অন্তর্গত ‘বনভোজনের ব্যাপার’ -এর কিছু ‘সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করলাম। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যালয়ের বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

আশা করি, এই আর্টিকেলটি তোমাদের উপকারে এসেছে। যদি তোমাদের কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারো। তোমাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

ওশিয়ানিয়া - মারে-ডার্লিং অববাহিকা - অষ্টম শ্রেণি ভূগোল - টীকা

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – টীকা

ওশিয়ানিয়া - মারে-ডার্লিং অববাহিকা - অষ্টম শ্রেণি ভূগোল - রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

ওশিয়ানিয়া - মারে-ডার্লিং অববাহিকা - অষ্টম শ্রেণি ভূগোল - সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

About The Author

Souvick

Tags

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – টীকা

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – মারে-ডার্লিং অববাহিকা – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ভূগোল – ওশিয়ানিয়া – ওশিয়ানিয়ার প্রাকৃতিক পরিবেশ – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর