অষ্টম শ্রেণি বাংলা – নাটোরের কথা – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের ষষ্ঠ পাঠের অন্তর্গত ‘নাটোরের কথা’-এর কিছু ‘সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

নাটোরের কথা - অষ্টম শ্রেণী - বাংলা - সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
Contents Show

‘আজ সকালে মনে পড়ল একটি গল্প’ – লেখকের অনুসরণে সেই ‘গল্প’টি নিজের ভাষায় বিবৃত করো।

রবীন্দ্র-ভ্রাতুষ্পুত্র অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘নাটোরের কথা’ গল্পটি অবলম্বনে বলা যায়, যে গল্পটির উল্লেখ এখানে করা হয়েছে সেটি হলো ইংরেজদের দ্বারা অধিকৃত ভারত তথা বাংলায় স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমিকায় কীভাবে নাটোরে অনুষ্ঠিত প্রাদেশিক সম্মেলনে আন্দোলনের দ্বারা বাংলা ভাষা প্রচলিত হলো সেই বিষয়। নাটোরের মহারাজা এই সম্মেলনের রিসেপশন কমিটির প্রেসিডেন্ট ছিলেন। রবীন্দ্রনাথ, অবনীন্দ্রনাথ, ডব্লিউ. সি. বোনার্জি, জানকীনাথ ঘোষাল এবং আরও বেশ কয়েকজন প্রথিতযশা লোক নাটোরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হলেন। মহারাজের ব্যবস্থা করা বিশেষ ট্রেন ও স্টিমারে সকলে নাটোরে পৌঁছোলেন। সমস্ত জলপথ ও ট্রেনপথে মহারাজার নিযুক্ত লোকেরা অতিথিদের খাওয়া-দাওয়া, জিনিসপত্র বহন, দেখাশোনা করা খুবই যত্ন সহকারে করল। স্টিমারে সকলের খাবারের বিশেষ আয়োজন ছিল।

নাটোরে পৌঁছে নাটোরের রাজবাড়িও তার সাজসজ্জা সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করল। লেখকের ভাষায় যেন ইন্দ্রপুরী। রাজসমাদরে সকলে খুবই প্রীত হলেন। সমস্ত গ্রাম, পুরাতন বাড়িঘর সকলের ভালো লাগল। লেখক এই বিষয়গুলি নিয়ে বেশ কিছু স্কেচ করলেন। রাজাও কিছু বিশেষ স্কেচের জন্য ফরমাশ করলেন। নাটোরের মিষ্টি বিখ্যাত। অতিথিদের যাওয়ার সময় দরজার কাছে বসে হালুইকর টাটকা সন্দেশ তৈরি করে দিল। এরপর প্রাদেশিক সম্মেলন শুরু হলো গোলটেবিলের চারধারে বসে। রবিকাকার সহায়তায় অবনীন্দ্রনাথ-সহ তরুণরা সম্মেলনটি বাংলায় চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করলেন। বড়োরা তা মানলেন না। এ নিয়ে দু-পক্ষে বিস্তর মতবিনিময় ও তর্কাতর্কির পর অবশেষে ছোটোদের মতই প্রাধান্য পেল। রবি ঠাকুরের ‘সোনার বাংলা’ গান দিয়ে সম্মেলনটি শুরু হলো। সমস্ত সম্মেলনটি বাংলায় অনুষ্ঠিত হলো সুন্দরভাবে। এইভাবেই সর্বপ্রথম ‘পাবলিকলি’ অর্থাৎ জনসমক্ষে বাংলা ভাষার অগ্রগতির সূচনা হলো।

লেখকের বর্ণনা অনুযায়ী, তখনকার নাটোরের মহারাজার নাম কী ছিল?

লেখকের বর্ণনা অনুযায়ী তখনকার নাটোরের মহারাজার নাম ছিল জগদিন্দ্রনাথ।

তিনি কোন্‌ ‘রিসেপশন কমিটি’র প্রেসিডেন্ট ছিলেন?

নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথ নাটোরে অনুষ্ঠিত প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্স বা প্রাদেশিক সম্মেলনের যে রিসেপশন কমিটি তৈরি হয়েছিল, তার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

‘নাটোর নেমন্তন্ন করলেন’ – সেই নেমন্তন্নের তালিকায় কাদের নাম ছিল বলে লেখক স্মরণ করতে পেরেছেন?

নাটোর অর্থাৎ মহারাজ জগদিন্দ্রনাথ ঠাকুর পরিবারের সকল পুরুষ সদস্যকে নিমন্ত্রণ করলেন। এ ছাড়া আরও অনেক বিখ্যাত লোককে আমন্ত্রণ জানালেন। তবে লেখক এই নিমন্ত্রিতদের তালিকায় যাঁদের নাম স্মরণ করতে পেরেছেন, তাঁরা হলেন রবীন্দ্রনাথ, দীপুদা, জানকীনাথ ঘোষাল, ডব্লিউ. সি. বোনার্জি, লালমোহন ঘোষ, লেখকের মেজো জ্যাঠামশাই, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অবনীন্দ্রনাথ নিজে।

‘রওনা হলুম সবাই মিলে হৈ-হৈ করতে করতে।’ – কোথায় রওনা হলেন? কীভাবেই বা রওনা হলেন?

ভূমিকম্পের বছরে নাটোরের প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমান বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে রাজশাহী ডিভিশনের তখনকার বর্ধিষ্ণু গ্রাম নাটোরের রাজা জগদিন্দ্রনাথের আমন্ত্রণে অবনীন্দ্রনাথ ও তাঁর সঙ্গীসাথিরা নাটোরের উদ্দেশে রওনা হন।

সারাঘাট থেকে লেখক ও তাঁর সঙ্গীরা কোন্‌ নদীতে স্টিমারে চড়েছিলেন?

সারাঘাট থেকে লেখক ও তাঁর সঙ্গীরা পদ্মা নদীতে স্টিমারে চড়েছিলেন।

স্টিমারে খাওয়াদাওয়ার প্রসঙ্গ আলোচনায় লেখকের সরস মনের পরিচয় কীভাবে দেদীপ্যমান হয়ে উঠেছে তা বুঝিয়ে দাও?

সারাঘাট স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে সকলে স্টিমারে চাপলেন। স্টিমারে উঠে খাবার খাওয়ার বেশ সুন্দর রসপূর্ণ বর্ণনা দিয়েছেন অবন ঠাকুর। তিনি বলেছেন যে, খাবার টেবিলের একদিকে বয়সে বড়ো ও বিখ্যাতরা, তাঁদের বলেছেন চাঁই; আর অপরদিকে ছোকরারা অর্থাৎ ছোটোরা। খাবার পরিবেশনের সময় বড়োদের দিক থেকে খাবার দিতে শুরু করায় ছোটোদের কাছে এসে খাবার প্রায় ফুরিয়ে যাচ্ছিল। আর একজন অত্যন্ত খাদ্যরসিক ও খাইয়ে লোকের পাতে খাবার দেওয়ার সময় তিনি সার্ভিং প্লেটের বেশিরভাগ খাবারটাই চেয়ে নিচ্ছিলেন। ফলে ছোটোদের কাছে এসে খাবার প্রায় অবশিষ্টাংশে পরিণত হচ্ছিল। লেখক মজা করে এত খাওয়াকে বলেছেন ‘জাইগ্যান্টিক’ খাওয়া। এরপরে দীপুদা বয়-এর (waiter) সঙ্গে সমস্যাটা আলোচনা করায় তারা দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে দু-দিকে একই খাবার দিতে থাকায় সমস্যা মিটল। লেখক অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে খাবারের বর্ণনাটি নিখুঁত শব্দচয়নে সরসতার সঙ্গে এমনভাবে বর্ণনা করেছেন যে, এর পরিহাস-নিপুণতা পাঠকের হৃদয় স্পর্শ করে। এখানেই লেখকের যথেষ্ট সরস মনের পরিচয় পাওয়া গেছে।

‘যেন ইন্দ্রপুরী।’ – কীসের সঙ্গে ‘ইন্দ্রপুরী’র তুলনা করা হয়েছে? কেনই বা লেখক এমন তুলনা করেছেন?

নাটোরের মহারাজা জগদিন্দ্রনাথের বাড়ি অর্থাৎ নাটোরের রাজবাড়িটিকে ইন্দ্রপুরীর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। পুরাণ অনুসারে ইন্দ্র স্বর্গের বিশিষ্ট দেবতাদের অন্যতম। তিনি সৌন্দর্যের দেবতা। তাই তাঁর পুরী অর্থাৎ রাজপ্রাসাদটি অত্যন্ত সুন্দর, সুরম্য ও মনোহারী। সেটি বিশালতায় যেমন অনন্য তেমনি সৌন্দর্যে, সৌকর্যে অতুলনীয়। নাটোরের রাজবাড়িটিও বিশাল এবং ঝাড়লণ্ঠন, তাকিয়া, সুন্দর ও দামি ফুলদানি, কার্পেট ইত্যাদি বিভিন্ন সুন্দর দ্রব্যে সমস্ত বাড়ি ও বৈঠকখানা সুসজ্জিত। সমস্ত রাজবাড়িটি যেন হয়ে উঠেছে সৌন্দর্যের আধার এক প্রাসাদ। তাই ইন্দ্রপুরীর সঙ্গে রাজবাড়ির তুলনা করা হয়েছে।

‘একেই বলে রাজ সমাদর।’ – উদ্ধৃতিটির আলোকে নাটোরের মহারাজার অতিথিবাৎসল্যের পরিচয় দাও।

নাটোরের মহারাজা অতিথিদের কলকাতা থেকে নাটোরে যাওয়ার জন্য বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করে দেন। সমস্ত পথ তাঁদের দেখাশোনা করার জন্য, খাবার দেওয়ার ও জিনিসপত্র বহন করার জন্য লোক নিযুক্ত করেন। নাটোরে পৌঁছেও অতিথিরা কোনো অসুবিধায় পড়েননি। প্রতিটা পদে পদে চাকরবাকররা সকলকে দেখাশোনা করতে থাকে। স্টিমারে অতিথিদের খাওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা ছিল। রাজবাড়িতেও রানি নিজে পিঠে-পায়েস করে দেন। হালুইকর পছন্দমতো এবেলা-ওবেলা মিষ্টি তৈরি করেছিল, ভোরবেলা বিছানাতেই চাকর এসে হাতে গড়গড়ার নল গুঁজে দেয়। খাওয়া-দাওয়া, ধুমধাম, গল্পগুজব, গানবাজনা সবমিলিয়ে রাজা এলাহি ব্যবস্থা করেছিলেন অতিথিদের সেবা করার জন্য। রাজা ও রানির আন্তরিক ব্যবহার, আদরযত্ন, প্রাচুর্য সবমিলিয়ে অতিথিবাৎসল্যের এক সুন্দর পরিচয় পাওয়া যায়। তাই একে ‘রাজসমাদর’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

‘নাটোরেরও খুব আগ্রহ’ – কোন্‌ প্রসঙ্গে তাঁর আগ্রহের কথা এখানে বলা হয়েছে?

মহারাজা জগদিন্দ্রনাথের নাটোরের রাজবাড়ি ও গ্রাম দেখার সময় গ্রামের বাড়িঘর, মন্দির সব দেখে অবনীন্দ্রনাথের ভালো লাগে এবং তিনি সেগুলির স্কেচ আঁকতে শুরু করেন। মহারাজার এই স্কেচগুলি খুব পছন্দ হয় এবং তিনি লেখককে আরও স্কেচ করে দেওয়ার জন্য রাজবাড়ির অন্দরমহলে রানি ভবানীর ঘরে নিয়ে যান। এই প্রসঙ্গে মহারাজার সম্পর্কে লেখক স্কেচ বিষয়ে তাঁর আগ্রহের কথা লিখেছেন।

‘আগে থেকেই ঠিক ছিল’ – আগে থেকে কী ঠিক থাকার কথা বলা হয়েছে? সেই উপলক্ষ্যে কোন্‌ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কথা পাঠ্যাংশে রয়েছে, তা আলোচনা করো।

রবীন্দ্রনাথ ও তাঁর সমর্থনকারীদের আগে থেকে ঠিক করে রাখা বিষয় অনুযায়ী নাটোরের প্রাদেশিক সম্মেলনে রবীন্দ্রনাথ প্রস্তাব রাখেন যে, সমস্ত সম্মেলনটি বাংলা ভাষায় হবে। এই প্রস্তাব সকলে মানলেন না। এই নিয়ে ছোটোদের সঙ্গে বড়োদের মতবিরোধ বাধল। সমস্ত লোক দু-ভাগে ভাগ হয়ে গেল। বড়োরা চাইলেন ইংরেজিতে সম্মেলন হোক এবং ছোটোরা চাইল বাংলা ভাষা ব্যবহৃত হোক। বড়োরা ইংরেজিতে বক্তৃতা দিতে উঠলেই ছোটোরা ‘বাংলা বাংলা’ বলে চিৎকার শুরু করে। অবশেষে সকলেই এই প্রস্তাব মেনে নিল এবং সম্মেলন বাংলা ভাষাতেই সম্পন্ন হলো।

নাটোরে প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্সে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোন্‌ গানটি পরিবেশন করেছিলেন?

নাটোরে অনুষ্ঠিত প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্সে রবীন্দ্রনাথ ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি পরিবেশন করেছিলেন।

‘আমাদের তো জয়জয়কার।’ – কী কারণে লেখক ও তাঁর সঙ্গীদের ‘জয়জয়কার’ হলো?

নাটোরে অনুষ্ঠিত প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্সে রবি ঠাকুর প্রস্তাব করেন যে, সম্মেলন বাংলা ভাষায় হোক। কিন্তু দলের নেতারা তা মানলেন না। তাঁরা ইংরেজি ভাষাই চাইলেন। অনেক তর্কবিতর্কের পর সমস্ত দলটি দু-ভাগে বিভক্ত হলো। বড়োরা ইংরেজিতে বলতে উঠলেই ‘বাংলা বাংলা’ বলে চিৎকার করে ছোটোরা বক্তৃতা পণ্ড করে দেয়। অবশেষে বাধ্য হয়ে নেতৃস্থানীয়েরা বাংলা ভাষার দিকেই মত দিলেন এবং সম্মেলন বাংলাতেই হলো। এই সাফল্যটিকেই লেখক তাঁদের ‘জয়জয়কার’ বলে বর্ণনা করেছেন।

‘সেই প্রথম আমরা পাবলিকলি বাংলা ভাষার জন্য লড়লুম।’ – লেখকের অনুসরণে সেই ‘লড়াই’ -এর বিশদ বিবরণ দাও।

আগে থেকে ঠিক করে রাখা পরিকল্পনা অনুযায়ী নাটোরের প্রোভিন্সিয়াল কনফারেন্সে রবীন্দ্রনাথ প্রস্তাব রাখলেন যে, সম্মেলন বাংলা ভাষায় হোক। বড়োরা কেউ এই প্রস্তাব মানলেন না। লেখক রবিকাকাকে উৎসাহ জোগালেন যে তাঁরা এই লড়াইয়ে হার মানবেন না। ছোটোদের সঙ্গে বড়োদের অনেক তর্কাতর্কির পর বাংলার পক্ষে ও বিপক্ষে দুটি দল তৈরি হয়ে গেল। বাংলায় ‘সোনার বাংলা’ গানটি গাওয়া হলো। তারপর ইংরেজিতে বক্তৃতা দেওয়ার চেষ্টা হতেই ছোটোরা সকলে ‘বাংলা বাংলা’ বলে চিৎকার করে বক্তৃতা ভেস্তে দিতে লাগল। অবশেষে সকলে হার মেনে বাংলা ভাষায় প্রস্তাবটিকে মেনে নিলেন ও সম্মেলনটি শেষপর্যন্ত বাংলাতেই সুসম্পন্ন হলো। এভাবেই লেখক ও অন্যান্যরা বাংলা ভাষার জন্য প্রথম ‘পাবলিকলি’ লড়াই করেছিলেন।

কনফারেন্সে বাংলা ভাষা প্রচলনের চেষ্টা করা হলো কেন?

আমাদের দেশে তখন ইংরেজদের রাজত্ব। ইংরেজি ভাষাটাও বিদেশি ভাষা। দেশে তখন ইংরেজ তাড়িয়ে স্বদেশি ভাষা ও দ্রব্য ব্যবহারের চেষ্টা চলছিল। তাতেই অনুপ্রাণিত হয়ে লেখক, রবীন্দ্রনাথ ও অন্যান্যরা দেশীয় কনফারেন্সে বিদেশি ভাষা বর্জন করে নিজ ভাষা বাংলা প্রচলনের প্রয়াস করেছিলেন।

নাটোরের রাজবাড়িতে খাবারের ব্যবস্থা কেমন ছিল?

রাজবাড়িতে রাজা এলাহি খাবারের ব্যবস্থা করেন। মাছ, মাংস, ডিম সবকিছুর ব্যবস্থা ছিল। রানিমা নিজে হাতে পিঠে-পায়েস করেছেন। হালুইকর এবেলা-ওবেলা মিষ্টি তৈরি করে দেয়, এমনকি খাওয়ার সময় ঘরের সামনে বসেও টাটকা সন্দেশ তৈরি করে দেয়। সোডা, ডাবের জল ইত্যাদির ব্যবস্থাও নিখুঁত এবং যথাযথ ছিল। আতিথেয়তা এতটাই যে, প্রতিটি ব্যক্তির পছন্দ অনুযায়ী তার সামনে ঠিক সময়ে জিনিসটি পৌঁছে যেত।


এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের ষষ্ঠ পাঠের অন্তর্গত ‘নাটোরের কথা’-এর কিছু ‘সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করলাম। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিদ্যালয়ের বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

আশা করি, এই আর্টিকেলটি তোমাদের উপকারে এসেছে। যদি তোমাদের কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারো। তোমাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

অষ্টম শ্রেণি - বাংলা - ব্যাকরণ বিভাগ- বাক্যের ভাব ও রূপান্তর

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – বাক্যের ভাব ও রূপান্তর

ব্যাকরণ বিভাগ - ধ্বনি পরিবর্তন - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – ধ্বনি পরিবর্তন

ব্যাকরণ বিভাগ - দল - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – দল

About The Author

Souvick

Tags

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – বাক্যের ভাব ও রূপান্তর

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – ধ্বনি পরিবর্তন

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – দল

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতের জাতীয় আন্দোলনের আদর্শ ও বিবর্তন – বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতের জাতীয় আন্দোলনের আদর্শ ও বিবর্তন – ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর