অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – সাম্প্রদায়িকতা থেকে দেশভাগ – বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

Rahul

আজকে আমরা এই আর্টিকেলে অষ্টম শ্রেণির ইতিহাসের অষ্টম অধ্যায়, “সাম্প্রদায়িকতা থেকে দেশভাগ”-এর কিছু “বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নগুলো অষ্টম শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের স্কুলের পরীক্ষার জন্য ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো অষ্টম শ্রেণির পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন (Unit Test) থেকে শুরু করে বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

সাম্প্রদায়িকতা থেকে দেশভাগ-অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস-বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

1. সৈয়দ আহমেদের মৃত্যুর পর আলিগড় আন্দোলন গুরুত্ব হারাতে শুরু করে কেন?

1898 খ্রিস্টাব্দে সৈয়দ আহমেদের মৃত্যুর পর আলিগড় আন্দোলন গুরুত্ব হারাতে শুরু করে। এর পিছনে কয়েকটি কারণ ছিল—

  • আলিগড়ের তরুণ প্রজন্ম নেতৃত্ব দেওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছোতে পারেনি।
  • মুসলিম সমাজকে এড়িয়ে ব্রিটিশ সরকারের মাধ্যমে সমাজের উন্নতি বেশিরভাগ মুসলিমের কাছে অসাড় মনে হয়েছিল।
  • মোহাম্মদ আলি, শৌকত আলির মতো তরুণ নেতারা গোঁড়াপন্থী উলেমাদের দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন।
  • ভারতের মুসলিম রাজনীতির মধ্যে ইসলামীকরণের প্রক্রিয়া জোরদার হয়েছিল, ফলে মুসলিম সমাজে নবজাগরণের প্রচেষ্টা বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল।

2. মুসলিম লিগ গঠনের পটভূমি আলোচনা করো।

1906 খ্রিস্টাব্দে ভারতীয় রাজনীতিতে মুসলিম লিগের জন্ম এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। 1906 খ্রিস্টাব্দে এই লিগ প্রতিষ্ঠিত হলেও এর প্রস্তুতিপর্ব শুরু হয়েছিল বহু আগেই। যেমন—

স্যার সৈয়দ আহমেদ সর্বপ্রথম ভারতে ‘দ্বিজাতিতত্ত্বের’ কথা প্রচার করেন। তিনি বলেন যে, জাতীয় কংগ্রেস হল হিন্দুদের দ্বারা পরিচালিত একটি সংগঠন। সুতরাং, কোনো মুসলমানের যোগদান করা উচিত নয়।

আলিগড় আন্দোলনের অপর এক নেতা (ভিকর-উল-মূলক) মুসলমানদের স্বার্থরক্ষার জন্য একটি সর্বভারতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথা বলেন।

1906 খ্রিস্টাব্দের লখনউ সম্মেলনেও এই একই কথা ঘোষিত হয়।

শেষপর্যন্ত 1906 খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে ঢাকার নবাব সলিমউল্লাহের নেতৃত্বে মুসলিম লিগের জন্ম হয়।

3. সাম্প্রদায়িকতার উদ্ভবে ব্রিটিশ সরকারের ভূমিকা কী ছিল? বা ব্রিটিশ সরকার কেন ভেদনীতি প্রয়োগ করে?

ভারতে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার পর সরকার মুসলিমদের সমস্ত সুযোগসুবিধা থেকে বঞ্চিত রাখতে যত্নবান হয়। কিন্তু মহাবিদ্রোহের পর চিত্র বদল হয়। পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হিন্দুসম্প্রদায় আরও সুযোগসুবিধা আদায়ের জন্য সংগঠিত হতে থাকলে ব্রিটিশ সরকার হিন্দুদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মুসলিমদের ব্যবহার করতে থাকে। মুসলিমদের বিভিন্ন সুযোগসুবিধা দান করে সরকার ধর্মীয় ভিত্তিতে ভেদনীতি প্রয়োগ করে। ক্রমে বহুধর্মীয় সম্প্রদায়ের দেশ ভারতে সাম্প্রদায়িকতা নতুন আঙ্গিকে আত্মপ্রকাশ করে।

4. ভারতে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি উদ্ভবের কারণ কী ছিল?

ভারতে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি উদ্ভবের পিছনে নানা কারণ ছিল, যেমন—

  • ভারতে ইংরেজ শাসনের শুরু থেকেই মুসলমানগণ হিন্দুদের চেয়ে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পিছিয়ে ছিল। পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হিন্দুগণ সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে মুসলমানদের চেয়ে ছিল অনেকটাই এগিয়ে। ফলে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে বিপরীতধর্মী প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
  • ইংরেজ সরকারের ‘Divide and Rule’ নীতি তথা মুসলমান তোষণ নীতি ভারতে এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে এক অদৃশ্য প্রাচীর গড়ে তোলে।
  • ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে সংখ্যালঘু মুসলমানগণ ভুগছিল হীনম্মন্যতায়।
  • সমকালীন সংকীর্ণ ইতিহাস চেতনা এর জন্য কম দায়ী ছিল না। ব্রিটিশ ইতিহাসবিদদের কলমে ভারতের প্রাচীন ও মধ্যযুগকে হিন্দু ও মুসলমান যুগ হিসেবে চিহ্নিত হয়। ফলে শাসক ও শোষিতের মধ্যে ধর্মভিত্তিক বিভেদ সৃষ্টি হয়।
  • এ প্রসঙ্গে ভারতের সংগ্রামশীল জাতীয় রাজনীতিতে হিন্দুত্ববাদের অনুপ্রবেশকে দায়ী করা যেতে পারে। এইভাবে উনিশ শতকে ভারতের সমাজ সংস্কারক আন্দোলনের হাত ধরে উদ্ভব হয়েছিল দুটি স্পষ্ট ধারা; একটি হিন্দুয়ানি এবং অপরটি মুসলমানি।

5. ভারতে হিন্দু সাম্প্রদায়িকতা উদ্ভবের কারণ কী ছিল?

অথবা, এর পটভূমি নির্ণয় করো।

মহাবিদ্রোহের পর ভারতে হিন্দু জাগরণবাদ প্রবল হয়ে ওঠে। হিন্দু জাগরণের পিছনে ছিল কয়েকটি কারণ, যথা— i. ভারতে মুসলিম সাম্প্রদায়িকতার প্রসার, ii. সরকারের মুসলমান তোষণ নীতি ইত্যাদি। 1906 খ্রিস্টাব্দে মুসলিম লিগের জন্মের পরবর্তী বছরে পাঞ্জাবে গড়ে ওঠে ‘হিন্দুসভা’। 1915 খ্রিস্টাব্দে বিভিন্ন হিন্দু সভা মিলে গড়ে ওঠে ‘হিন্দু মহাসভা’। 1922 খ্রিস্টাব্দে এই সভার গয়া অধিবেশনে ঘোষিত হয় যে, ‘হিন্দুরা বিপন্ন’। কংগ্রেসের মদনমোহন মালব্য এই সময় হিন্দুধর্মে ‘শুদ্ধি আন্দোলনের’ ওপর জোর দেন। 1925 খ্রিস্টাব্দে কে. বি. হেগগেওয়ারের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘রাষ্ট্রীয় সেবক সংঘ’ (R.S.S)। ফলে ভারতীয় রাজনীতিতে হিন্দু সাম্প্রদায়িক মনোভাব এক আলাদা মাত্রা পায়। এই হিন্দু সংগঠনগুলি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয় এবং তাদের মধ্যে জঙ্গি মনোভাব প্রকট হয়।

6. গণপতি ও শিবাজি উৎসব কী?

মহারাষ্ট্রের সংগ্রামশীল নেতা বালগঙ্গাধর তিলকের জাতীয়তাবাদী আদর্শের মূলভিত্তি ছিল প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতি ও ইতিহাস। ভারতীয় সংস্কৃতি ও ভারতীয় জাতিকে হিন্দুধর্ম ও হিন্দুদের বলে তিনি চিহ্নিত করতে থাকেন।

  • গণপতি উৎসব – সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বদেশপ্রেমের আদর্শ প্রচারের জন্য তিলক মারাঠিদের মধ্যে প্রচলিত গণপতি পূজাকে (1893 খ্রিস্টাব্দে) সর্বজনীন উৎসবে পরিণত করেন।
  • শিবাজি উৎসব – মারাঠাদের গর্ব শিবাজির দেশপ্রেম, চারিত্রিক দৃঢ়তা, কার্যাবলি ও শৌর্যবীর্যকে স্মরণ করে শিবাজিকে বৈপ্লবিক সংগ্রামের প্রতিমূর্তি হিসেবে তুলে ধরে তিলক শিবাজি উৎসবের (1895 খ্রিস্টাব্দে) আয়োজন করেন।
  • এই উৎসবগুলির দ্বারা তিলক দেশবাসীর মনে জাতীয়তাবোধ, স্বদেশপ্রেম, আত্মবলিদান ও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই-এর ক্ষেত্র তৈরি করেন।

7. মুসলিম লিগ প্রতিষ্ঠার ফল কী হয়েছিল?

অথবা, এর গুরুত্ব আলোচনা করো।

মুসলিম লিগ প্রতিষ্ঠিত হলে ভারতীয় রাজনীতিতে তার নানা কুপ্রভাব লক্ষ করা যায়, যেমন—

  • এর ফলে ভারতের সুসংবদ্ধ জাতীয় আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে, তার প্রভাব লক্ষ করা যায় বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে। এই সময় লিগ এই আন্দোলনে যোগদান করেনি।
  • ভারতীয় রাজনীতিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি প্রবল হয়। 1937 খ্রিস্টাব্দের পর থেকে জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লিগের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধ দেখা দেয়।
  • লিগের জনপ্রিয় নেতা ছিলেন মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ। 1930-এর দশক থেকেই তিনি ভারত বিভাজনের জিগির তোলেন।

8. ‘ওয়াভেল পরিকল্পনা’ কী ছিল?

লর্ড ওয়াভেল 1943 খ্রিস্টাব্দে ভারতের ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ভারতের রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলার জন্য তিনি 1945 খ্রিস্টাব্দের 14 জুন এক ঘোষণা করেন ও মুসলিম লিগের কাছে একটি সূত্র উপস্থাপন করেন, যা ওয়াভেল পরিকল্পনা নামে খ্যাত।

  • প্রস্তাব –
    • ভারতীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হবে।
    • সেনাপতি ও বড়লাট ছাড়া সরকারের অন্য সব সদস্যই হবে ভারতীয়।
    • এতে বর্ণ হিন্দুদের সমসংখ্যক মুসলিম সদস্য থাকবে।
  • ব্যর্থতা – কিন্তু এই প্রস্তাবে বাস্তবকে অস্বীকার করার স্বীকৃতি না-থাকায় জিন্নাহ এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

9. চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারীর সমঝোতা ফর্মুলা কী ছিল?

মুসলিম লিগ পাকিস্তান দাবি তোলার জোরালো দাবি জানালে এবং কংগ্রেস মুসলিম লিগের দাবির বিরোধী হলে গান্ধীজি অনুগামী চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারী জট কাটানোর জন্য ও মুসলিম লিগের মধ্যে মতভেদ দূর করতে এবং ভারতের জাতীয়তা অক্ষুণ্ণ রাখতে 1944 খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে একটি সমঝোতা সূত্র প্রকাশ করেন। এটি ‘সি আর ফর্মুলা’ (C.R. Formula) নামে পরিচিত।

  • শর্ত – এতে বলা হয়—
    • মুসলিম লিগ ও কংগ্রেস যৌথভাবে স্বাধীনতার দাবি করবে এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করবে।
    • দেশভাগের পর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে গণভোটে তারা পৃথক রাষ্ট্রের পক্ষপাতী কিনা তা দেখা হবে।
    • তাতে যদি স্বাধীনতাই স্বীকৃত হয় তবে দেশরক্ষা, যোগাযোগ প্রভৃতির জন্য দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি হবে।

10. মাউন্টব্যাটন পরিকল্পনা-এ ভারতের বিভাজন সম্পর্কে কী কী ব্যবস্থা রাখা হয়?

1947 খ্রিস্টাব্দে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা ভারতে একটি সর্বভারতীয় সরকার গড়ে ওঠায় বাধা সৃষ্টি করে। কিন্তু মুসলিম লিগ এর বিরোধিতা শুরু করে এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্র গঠনের দাবিতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় মত্ত হয়। এই অবস্থায় ভারতের বড়লাট লর্ড মাউন্টব্যাটন তাঁর বিভাজন প্রস্তাব (3 জুন, 1947 খ্রিস্টাব্দ) ঘোষণা করেন।

  • মাউন্টব্যাটন প্রস্তাব –
    • ভারতের বিভাজন – উক্ত প্রস্তাবে মাউন্টব্যাটন সমগ্র ভারতবর্ষকে ভারত ও পাকিস্তান নামক দুটি পৃথক স্বাধীন ডোমিনিয়নে ভাগ করার কথা বলেন।
    • পাকিস্তান গঠন – এই প্রস্তাবে মুসলিম অধ্যুষিত সিন্ধু, বালুচিস্তান, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, পশ্চিম পাঞ্জাব ও পূর্ববঙ্গ নিয়ে পাকিস্তান ডোমিনিয়ন গঠনের কথা ঘোষণা করা হয়।
    • গণভোটের প্রস্তাব – উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ এবং সিলেটে গণভোটে পাকিস্তান রাষ্ট্রে যোগ দেবে কি না তা গণভোটে দ্বারা নির্ধারিত হবে। বলা হয় দেশীয় রাজ্যগুলি তাদের ইচ্ছামতো যে-কোনো ডোমিনিয়নে যোগ দিতে পারবে।
    • সীমানা নির্ধারণ – বিভাজিত বাংলা ও দুই পাঞ্জাবের সীমানা নির্ধারণের জন্য একটি সীমানা কমিশন গঠিত হবে। (র‍্যাডক্লিফ কমিশন)।

আজকে আমাদের এই আর্টিকেলে অষ্টম শ্রেণির ইতিহাসের অষ্টম অধ্যায়, “সাম্প্রদায়িকতা থেকে দেশভাগ”-এর কিছু “বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই ধরনের প্রশ্নগুলো স্কুলের পরীক্ষা বা বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।

আশা করি এই আর্টিকেলটি তোমাদের/আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। যদি কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তাহলে নির্দ্বিধায় টেলিগ্রামে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। এছাড়া, এই পোস্টটি সেইসব বন্ধু বা প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

ভারতীয় সংবিধান-গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার-অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস-বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতীয় সংবিধান: গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার – বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

ভারতীয় সংবিধান-গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার-অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস-ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতীয় সংবিধান: গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার – ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর

ভারতীয় সংবিধান-গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার-অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস-সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতীয় সংবিধান: গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

About The Author

Rahul

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

নিষেক ও দ্বিনিষেক কী? নিষেক ও দ্বিনিষেক -এর মধ্যে পার্থক্য

সম্পূর্ণ ফুল এবং অসম্পূর্ণ ফুল কাকে বলে? সম্পূর্ণ ফুল এবং অসম্পূর্ণ ফুলের মধ্যে পার্থক্য

সমাঙ্গ ফুল ও অসমাঙ্গ ফুল কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতীয় সংবিধান: গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার – বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতীয় সংবিধান: গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার – ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর