এই আর্টিকেলে আমরা WBBSE অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। প্রশ্নটি হলো— “দুর্গাকে যখন তার মা মারধর করে বাড়ি থেকে বার করে দিয়েছিল, তখন অপুর মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছিল? সে কী করেছিল?” স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই উত্তরটি জানা অত্যন্ত জরুরি।

দুর্গাকে যখন তার মা মারধর করে বাড়ি থেকে বার করে দিয়েছিল, তখন অপুর মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছিল? সে কী করেছিল?
দুর্গাকে চুরির দায়ে তার মা মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিলে অপুর প্রথমে মায়ের উপর খুব রাগ হয়। দিদির মুখ মনে করে, দিদির প্রতি মনে মমতা জাগে তার। দিদিকে হঠাৎ করে তার খুব একা মনে হয়। কীভাবে দিদির দুঃখ দূর করবে তাই প্রতিমুহূর্তে চিন্তা করতে থাকে। সে ঠিক করে বড়ো হয়ে দিদির সব দুঃখ দূর করে দেবে।
অপু দিদিকে খুঁজতে টুনু, পটলি, নেড়াদের বাড়ি যায়। পথে যাকেই পায়, তাকেই দিদির খোঁজ জিজ্ঞাসা করে। বাড়ির পাশের বাঁশবাগান, বকুলতলা, গাবতলা সর্বত্রই সে দিদিকে খোঁজার চেষ্টা করে। দিদিকে না পেয়ে সে দুঃখে মায়ের কাছে কেঁদেও ফেলে।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “দুর্গাকে যখন তার মা মারধর করে বাড়ি থেকে বার করে দিয়েছিল, তখন অপুর মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছিল? সে কী করেছিল?” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে।
যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment