এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘এবিষয়ে বিকারের রোগীর মতো তাহার একটা অদম্য অপ্রশমনীয় পিপাসা।’ – কোন বিষয়ে, কার পিপাসা? সেই পিপাসা পরিতৃপ্তির জন্য সে কী করে?” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘এবিষয়ে বিকারের রোগীর মতো তাহার একটা অদম্য অপ্রশমনীয় পিপাসা।’ – কোন বিষয়ে, কার পিপাসা? সেই পিপাসা পরিতৃপ্তির জন্য সে কী করে?
অপুর পড়াশোনার বিষয়ে তার পিতা হরিহরের পিপাসার কথা বলা হয়েছে।
অপু বই পড়তে ভালোবাসে। তাদের বাড়িতে একখানা নিত্যকর্ম পদ্ধতি, একটি পুরোনো প্রাকৃতিক ভূগোল, একটি শুভঙ্করী, পাতা-ছেঁড়া ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ একটি, একটি মহাভারত আছে – সেগুলিই সে বারবার করে পড়ে। হরিহর এখান-সেখান থেকে চেয়েচিন্তে বই নিয়ে আসে। তার আশা ছেলে লেখাপড়া শিখে পণ্ডিত হবে, মানুষ হয়ে উঠবে। কিন্তু অপুকে স্কুলে বা বোর্ডিং-এ দেওয়ার মতো সামর্থ্য তার নেই, সে নিজেও বেশি লেখাপড়া জানে না। তবু যতক্ষণ বাড়িতে থাকে, অপুকে কাছে বসিয়ে নানা বিষয়ে পাঠদান করে, গল্প করে। অপুকে অঙ্ক শেখানোর জন্য নিজে একখানা শুভঙ্করীর সাহায্যে বাল্যের অধীত বিস্মৃত বিদ্যা আবার ঝালিয়ে নেয়। যাতে ছেলের জ্ঞান বাড়বে মনে করে, সেটাই অপুকে পড়তে দেয় বা পড়ে শোনান।
ছেলেকে শিক্ষাদীক্ষায় বড়ো করে তোলার জন্য, নিজের মনের পিপাসার পরিতৃপ্তির জন্য হরিহর এমনভাবে নিজেকে ছেলের শিক্ষাকার্যে লিপ্ত রাখতেন।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘এবিষয়ে বিকারের রোগীর মতো তাহার একটা অদম্য অপ্রশমনীয় পিপাসা।’ – কোন বিষয়ে, কার পিপাসা? সেই পিপাসা পরিতৃপ্তির জন্য সে কী করে?” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি।
এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment