এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “ইলেকট্রিক ইস্ত্রির বর্ণনা দাও। ইলেকট্রিক ইস্ত্রি কীভাবে কাজ করে?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “ইলেকট্রিক ইস্ত্রির বর্ণনা দাও। ইলেকট্রিক ইস্ত্রি কীভাবে কাজ করে?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের ষষ্ঠ অধ্যায় “চলতড়িৎ“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

ইলেকট্রিক ইস্ত্রির বর্ণনা দাও। ইলেকট্রিক ইস্ত্রি কীভাবে কাজ করে?
ইলেকট্রিক ইস্ত্রিতে পরিবাহী হিসেবে উচ্চ রোধাঙ্ক এবং উচ্চ গলনাঙ্কবিশিষ্ট নাইক্রোম তার (লোহা, নিকেল ও ক্রোমিয়ামের সংকর ধাতু) ব্যবহার করা হয়। এতে ত্রিভুজাকৃতি একটি অভ্রের কাঠামোর উপর একটি নাইক্রোম তারের কুণ্ডলী জড়ানো থাকে। অন্তরিত করার জন্য কুণ্ডলীর উপরে ও নীচে দুটি অভ্রের চাদর জড়ানো থাকে। এই অবস্থায় কুণ্ডলীটিকে লোহার আবরণের মধ্যে রাখা হয়। কুণ্ডলীর সঙ্গে এই লোহার আবরণের কোনো সংযোগ না থাকায় বৈদ্যুতিক শক্ লাগার সম্ভাবনা থাকে না। এই সম্ভাবনা সম্পূর্ণ দূর করার জন্য লোহার আবরণের উপরে অন্তরক পদার্থের একটি হাতল যুক্ত করা হয়। নাইক্রোম তারের রোধাঙ্ক বেশি হওয়ায় সরু তার কুণ্ডলীটির রোধ খুব বেশি হয়। জুলের সূত্রানুযায়ী তড়িৎপ্রবাহের ফলে কুণ্ডলী উত্তপ্ত হয়ে নীচের মসৃণ লোহার আবরণকে উত্তপ্ত করে। ওই উত্তপ্ত মসৃণ তলটির উষ্ণতা উপযুক্ত মানে নিয়ে এসে ওই তলটির সাহায্যে জামাকাপড় ইস্ত্রি করা হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “ইলেকট্রিক ইস্ত্রির বর্ণনা দাও। ইলেকট্রিক ইস্ত্রি কীভাবে কাজ করে?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “ইলেকট্রিক ইস্ত্রির বর্ণনা দাও। ইলেকট্রিক ইস্ত্রি কীভাবে কাজ করে?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের ষষ্ঠ অধ্যায় “চলতড়িৎ“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment