এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—”গ্রিনহাউস গ্যাস কী? গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণ লেখো।”—নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় ‘পরিবেশ, তার সম্পদ এবং তাদের সংরক্ষণ’-এর ‘পরিবেশদূষণ’ অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রিনহাউস গ্যাস কী?
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থাকা যেসব গ্যাসীয় পদার্থগুলি পৃথিবীতে সৌরকিরণকে আবদ্ধ করে এবং পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে সৌরকিরণকে মহাশূন্যে ফেরত যেতে বাধা দেয়, যার ফলে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, এই গ্যাসগুলিকেই গ্রিনহাউস গ্যাস (Greenhouse Gas) বলা হয়।
উদাহরণ – কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂), মিথেন (CH₄), ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC), নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O) প্রভৃতি।
গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধির কারণ
বর্তমান সময়ে বায়ুমণ্ডলে গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধির প্রধান কারণগুলি নিচে আলোচনা করা হলো –
- গৃহ সামগ্রী – বাড়িতে ব্যবহৃত এসি (AC) এবং রেফ্রিজারেটর থেকে CFC-এর মতো মারাত্মক গ্রিনহাউস গ্যাস উৎপন্ন হয় যা বায়ুমণ্ডলের ব্যাপক ক্ষতি করে।
- প্রসাধন ও স্প্রে – দৈনন্দিন ব্যবহৃত এরোসল স্প্রে, রুম ফ্রেশনার, বডি স্প্রে, ডিওডোরেন্ট (Deo) ইত্যাদি থেকেও ক্ষতিকারক গ্রিনহাউস গ্যাসের সৃষ্টি হয়।
- কল কারখানা ও যানবাহন – কল কারখানা এবং যানবাহনের জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে নির্গত ধোঁয়া থেকে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাইঅক্সাইড-সহ বিভিন্ন গ্রিনহাউস গ্যাস সরাসরি পরিবেশে মেশে।
আরও পড়ুন – গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির ক্ষতিকর প্রভাব এবং কমানোর উপায় | মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান
উপরোক্ত আলোচনা থেকে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায়ের অন্তর্গত গ্রিনহাউস গ্যাস ও পরিবেশদূষণ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেলাম। পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য শিক্ষার্থীদের এই বিষয়টি ভালোভাবে পড়ে রাখা উচিত।
আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment