এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘হঠাৎ অপুর মন এক বিচিত্র অনুভূতিতে ভরিয়া গেল!’—কখন, কোন্ অনুভূতিতে অপুর মন ভরে গিয়েছিল?” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘হঠাৎ অপুর মন এক বিচিত্র অনুভূতিতে ভরিয়া গেল!’—কখন, কোন্ অনুভূতিতে অপুর মন ভরে গিয়েছিল?
মাঝেরপাড়া স্টেশন থেকে অপুদের ট্রেন যাত্রা শুরু করল কাশীর উদ্দেশে। ট্রেন এগিয়ে চলেছে অপুর মনে হচ্ছিল আষাঢ়ু দুর্গাপুরের বাঁধা সড়কের গাছের সারি ক্রমশ দূর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, যেখানে গাঁয়ের পথ বেঁকে এসে সোনাডাঙা মাঠের মধ্যে উঠেছে, সেখানে পথের মোড়ে গ্রামের প্রান্তের বুড়ো জামতলাটায় তার দিদি ম্লানমুখে তাদের রেলগাড়ির দিকে তাকিয়ে আছে—এই সময়েই অপুর মন এক বিচিত্র অনুভূতির স্বাদ পেয়েছিল।
অপুর মনে হল তার দিদিকে কেউ নিয়ে আসেনি, সবাই তাকে ফেলে এসেছে। দিদির অদৃশ্য স্নেহস্পর্শ তো নিশ্চিন্দিপুরেই রয়ে গেল—সত্যিই হয়তো দিদির সাথে চিরকালের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল! তার মনে হল দিদিকে কেউ ভালোবাসতো না—মা ও না। এই সময় তার যে অনুভূতি হল তা দুঃখ নয়, শোক নয়, বিরহ নয়-তা যে কী সেটাও অপু বুঝতে পারে না! মুহূর্তের মধ্যে আতুরি ডাইনি, নদীর ঘাট, জীর্ণ কোঠাবাড়ি, চালতেতলার পথ, রাণু দিদি, কতদিনের হাসি-খেলা, এসব অপুর মানসপটে ভেসে উঠে অপুর মনে এমন বিচিত্র অনুভূতির প্রবেশ ঘটায়, যা সে প্রকাশ করতে পারে না।
আরও পড়ুন – ‘সত্যই সে ভুলে নাই!’—কে, কাকে, কীভাবে মনে রেখেছে?
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘হঠাৎ অপুর মন এক বিচিত্র অনুভূতিতে ভরিয়া গেল!’—কখন, কোন্ অনুভূতিতে অপুর মন ভরে গিয়েছিল?” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে।
যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment