এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “কুঠির মাঠ দেখে বালকের কেমন অনুভূতি হয়েছিল লেখো।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কুঠির মাঠ দেখে বালকের কেমন অনুভূতি হয়েছিল লেখো।
এক মাঘ মাসের বিকালে বালক অপু তার বাবা ও কয়েকজন প্রতিবেশীর সঙ্গে কুঠির মাঠে গিয়েছিল। বাড়ি থেকে এত দূরে সে আগে কখনো আসেনি। এক অভূতপূর্ব সৌন্দর্য তার শিশুচিত্তকে আবিষ্ট করে তুলেছিল এই সময়। নদীর ধারে অনেকটা স্থান নিয়ে পুরোনো দিনের কুঠিটি প্রাগৈতিহাসিক যুগের অতিকায় হিংস্র জন্তুর কঙ্কালের মতো অবস্থান করছিল। অবাক চোখে বালক অপু চারদিকের পরিবেশের চিত্র পর্যবেক্ষণ করছিল।
পূর্বে কখনো কখনো মায়ের সঙ্গে নদীর ঘাটে স্নান করতে এসে আবছাভাবে কুঠির মাঠের জ্বালঘরটির দিকে তাকিয়ে দেখেছে সে। বাবার মুখে, দিদির মুখে, পাড়ার অনেকের মুখে কুঠির মাঠের নানা কাহিনি সে শুনেছে। কিন্তু আজ সেই কুঠির মাঠে সে সশরীরে পদার্পণ করে এক অনাস্বাদিত অনুভূতি পেল।
তার মনে হলো মাঠের ওপারেই বুঝি মায়ের মুখে শোনা রূপকথার রাজ্য! যেখানে নির্বাসিত রাজপুত্র তলোয়ার পাশে রেখে ব্যাঙ্গমা-ব্যাঙ্গমীর গাছের নীচে একা রাত কাটায়। সেখানে জনমানুষ নেই; সেখানে অজানার দেশ, অসম্ভবের দেশের শুরু!
কুঠির মাঠ দেখে বালকের মনে এমনই অদ্ভুত ভাবের উদয় হয়েছিল।
আরও পড়ুন – ‘সে সবসময় আপন মনে ঘুরিতেছে’—কার কথা বলা হয়েছে? সে আপন মনে কী কী করত তার বর্ণনা দাও।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “কুঠির মাঠ দেখে বালকের কেমন অনুভূতি হয়েছিল লেখো।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment