এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। প্রশ্নটি হলো: “‘মায়ের কাছে যাইবার জন্য মন আকুল হইয়া পড়িত।’—কার, কখন এমন হত? তখন সে কী করত?” স্কুল স্তরের অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই প্রশ্ন ও উত্তরটি শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘মায়ের কাছে যাইবার জন্য মন আকুল হইয়া পড়িত।’—কার, কখন এমন হত? তখন সে কী করত?
প্রশ্নোক্ত অংশে অপুর মন আকুল হবার কথা বলা হয়েছে।
অশ্বত্থ গাছের ওপারের নীল আকাশটা অনেক দূর। ঘুড়িটা, কুঠির মাঠটা অনেক দূর। অপু বোঝাতে পারত না, কাউকে বলতে পারত না, কিন্তু এসব কথায় তার মন কোথায় যেন উড়ে চলে যেত। অনেক দূরের কল্পনা তার শিশুমনকে ব্যাকুল করে তুলত। ঠিক সেই সময়ে মায়ের জন্য তার মন কেমন করে উঠত। সেই অনুভূতি সে প্রকাশ করতে পারত না। তার মনে হত, যেখানে তার মন যেতে চাইছে সেখানে তো মা নেই—তখনই মায়ের কাছে যাওয়ার জন্য তার চিত্ত আকুল হয়ে পড়ত।
সে দেখত, নীলুদের তালগাছের উঁচু মাথাটা পাশে ফেলে উড়ন্ত চিলটা ক্রমে অদৃশ্য হয়ে যেত। চিলটা তার দৃষ্টিপথের বাইরে চলে গেলেই এক উদাস করা শূন্যতা তাকে গ্রাস করত। তখনই সে চোখ নামিয়ে এক দৌড়ে বাড়িতে ঢুকে, রান্নাঘরের দাওয়ায় উঠে, গৃহকাজে লিপ্ত মাকে জড়িয়ে ধরত। অপুর শিশুমনে ভয়মিশ্রিত যে শূন্যতা তৈরি হত, তা থেকে মুক্তি ঘটত মায়ের কাছে উপস্থিত হলেই।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “মায়ের কাছে যাইবার জন্য মন আকুল হইয়া পড়িত…?” নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সহায়ক হয়েছে।
যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment