এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। প্রশ্নটি হলো, “নিশ্চিন্দিপুরে অপুর দেখা শেষ চড়কমেলার পরিচয় দাও। এই প্রসঙ্গে অপুর মনোভাবের পরিচয় দাও।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

নিশ্চিন্দিপুরে অপুর দেখা শেষ চড়কমেলার পরিচয় দাও। এই প্রসঙ্গে অপুর মনোভাবের পরিচয় দাও।
নিশ্চিন্দিপুর ছেড়ে চলে যাওয়ার আগের চড়কের মেলা অপুর কাছে বড্ড ফাঁকা ফাঁকা বোধ হয়েছিল। গতবারও এই মেলার সময় কী পট কিনবে এই নিয়ে দুর্গা আর অপুর ঝগড়া হয়েছিল। হারান কাকার কাছ থেকে অপু বাঁশের বাঁশি কিনেছিল দেড় পয়সায়। গাঁয়ের ছেলেমেয়েরা রঙিন জামাকাপড় পরে সারি দিয়ে ঘরে ফিরছে, ছেলেরা বাঁশি বাজাচ্ছে। শোলার পাখি, কাঠের পুতুল, রঙিন কাগজের পাখা, রং করা হাঁড়ি, ছোবা—সকলেরই হাতে কোনো-না-কোনো জিনিস। মেলায় চিনিবাস বৈষ্ণব বেগুনি-ফুলুরির দোকান দিয়েছে, অপু তার কাছ থেকে দু-পয়সার তেলেভাজাও কিনেছিল।
মেলা থেকে ফিরতে ফিরতে অপুর মনে হয়েছিল তারা যেখানে উঠে যাচ্ছে সেখানে এমন গোষ্ঠবিহার হয় কি! হয়তো সে আর চড়কের মেলা দেখার সুযোগ পাবে না। সে এ কথাও ভাবে যে নতুন স্থানে যদি চড়কের মেলা না হয় তবে বাবাকে সেই মেলার দিনগুলিতে নিশ্চিন্দিপুরে আসার অনুরোধ করবে, দুই-তিনদিন খুড়িমাদের বাড়িতেই না হয় থাকবে। জন্মভূমিতে শেষবারের মতো চড়ক মেলা দেখার পরে অপুর এমন আবেগপূর্ণ মনের পরিচয় পাই।
আরও পড়ুন – ‘এ সকল কথাই সে আজ পড়িয়াছে।’—কোন্ কথা সে পড়েছে? কোন্ ছবি তার মনকে মুগ্ধ করেছে?
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “নিশ্চিন্দিপুরে অপুর দেখা শেষ চড়কমেলার পরিচয় দাও। এই প্রসঙ্গে অপুর মনোভাবের পরিচয় দাও।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা বাংলা বিষয়ে আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment