এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “অঙ্গজ বংশবিস্তার ও অযৌন জননে অপত্য বংশে কোনো নতুন বৈশিষ্ট্য সঞ্চারিত হয় না – ব্যাখ্যা করো। জনন ও কোশ বিভাজনের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা”-এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

অঙ্গজ বংশবিস্তার ও অযৌন জননে অপত্য বংশে কোনো নতুন বৈশিষ্ট্য সঞ্চারিত হয় না – ব্যাখ্যা করো।
অঙ্গজ বংশবিস্তার ও অযৌন জনন জনিতৃ জীবের দেহাংশের বা দেহাংশের মধ্যে সৃষ্ট রেণুর কোশ বিভাজনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এক্ষেত্রে অপত্য জীব সৃষ্টির জন্য কোশ বিভাজন ও তার সংখ্যা বৃদ্ধি মাইটোসিস পদ্ধতিতে ঘটে। এই পদ্ধতিতে মাতৃজীব ও অপত্য জীবের মধ্যে ক্রোমোজোম সংখ্যার গুণগত বা সংখ্যাগত কোনো পরিবর্তন দেখা যায় না, ফলে অপত্য বংশে কোনো নতুন বৈশিষ্ট্য সঞ্চারিত হয় না।
অঙ্গজ বংশবিস্তার ও অযৌন জননে মিয়োসিস কোশ বিভাজন না ঘটায় ক্রসিং ওভার হয় না, ক্রোমোজোমে জিনের বিন্যাসরীতিরও পরিবর্তন ঘটে না। উভয় জনন প্রক্রিয়াতে কখনোই দুটি ভিন্নধর্মী গ্যামেটের মিলন ঘটে না, ফলে অপত্য জীবে ভেদ বা প্রকরণ সৃষ্টি হয় না।
জনন ও কোশ বিভাজনের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।
জনন ও কোশ বিভাজনের মধ্যে সম্পর্ক – কোশ বিভাজনের মাধ্যমেই অপরিণত অপত্য জীব পরিণত হয় এবং ধীরে ধীরে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে পুনরায় জনন ক্ষমতা লাভ করে। অঙ্গজ জনন, জনিতৃ জীবের দেহাংশের মাইটোসিস কোশ বিভাজনের ফলেই ঘটে থাকে। অযৌন জননের ক্ষেত্রে রেণুস্থলী থেকে রেণু উৎপাদন মূলত কোশ বিভাজনের ফলেই সম্পন্ন হয়। এক্ষেত্রে মাইটোসিস পদ্ধতিতে মাইটোস্পোর এবং মিয়োসিস পদ্ধতিতে মিয়োস্পোর গঠিত হয়। যৌন জননের ক্ষেত্রে গ্যামেট উৎপাদন মিয়োসিস কোশ বিভাজনের ফলেই সম্পন্ন হয়। দুটি ভিন্নধর্মী গ্যামেটের মিলনে সৃষ্ট জাইগোট আবার অনবরত মাইটোসিস পদ্ধতিতে বহুকোশী ভ্রূণ গঠন করে, এবং তার থেকেই অপত্য জীব সৃষ্টি হয়, সুতরাং জনন ও কোশ বিভাজন পরস্পরের পরিপূরক এবং একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “অঙ্গজ বংশবিস্তার ও অযৌন জননে অপত্য বংশে কোনো নতুন বৈশিষ্ট্য সঞ্চারিত হয় না – ব্যাখ্যা করো। জনন ও কোশ বিভাজনের মধ্যে সম্পর্ক ব্যাখ্যা করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা”-এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন