এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “ওজোন স্তর সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংসও হচ্ছে আলোচনা করো। অথবা, ওজোন মণ্ডলে কীরূপে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ স্থির থাকে? স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর ওজোন স্তর ধ্বংসের ক্ষতিকারক প্রভাব উল্লেখ করো। অথবা, মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর ওজোন স্তর ক্ষয়ের দুটি ক্ষতিকারক প্রভাব লেখো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “ওজোন স্তর সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংসও হচ্ছে আলোচনা করো। অথবা, ওজোন মণ্ডলে কীরূপে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ স্থির থাকে? স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর ওজোন স্তর ধ্বংসের ক্ষতিকারক প্রভাব উল্লেখ করো। অথবা, মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর ওজোন স্তর ক্ষয়ের দুটি ক্ষতিকারক প্রভাব লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “পরিবেশের জন্য ভাবনা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

ওজোন স্তর সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংসও হচ্ছে আলোচনা করো।
অথবা, ওজোন মণ্ডলে কীরূপে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ স্থির থাকে?
বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অতিবেগুনি রশ্মির (UV-রশ্মির) উপস্থিতিতে দুটি অনুক্রমিক আলোক রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ওজোন গ্যাসের সৃষ্টি হয়। প্রথমে দ্বিপরমাণুযুক্ত অক্সিজেন অণু অতিবেগুনি রশ্মির ফোটন কণার (UV-B ও UV-C) দ্বারা বিয়োজিত হয়ে অক্সিজেন পরমাণুতে পরিণত হয়।
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে এই অক্সিজেন পরমাণু অনুঘটকের উপস্থিতিতে অক্সিজেন অণুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে। ওজোন গ্যাসের অণু ও তাপ উৎপন্ন করে।
এই উৎপন্ন ওজোন অতিবেগুনি রশ্মির ফোটন কণা দ্বারা বিয়োজিত হয়ে অক্সিজেন অণু উৎপন্ন করে।
ওজোন অণুর উৎপাদন ও ওজোন অণুর বিয়োজন – এই দুটি বিপরীত প্রক্রিয়া ওজোন স্তরে চক্রাকারে চলতে থাকে এবং একটি সাম্যবস্থার সৃষ্টি করে। সেইজন্য ওজোন স্তরে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ স্থির থাকে।
স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর ওজোন স্তর ধ্বংসের ক্ষতিকারক প্রভাব উল্লেখ করো।
অথবা, মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর ওজোন স্তর ক্ষয়ের দুটি ক্ষতিকারক প্রভাব লেখো।
স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর ওজোন স্তর ধ্বংসের ক্ষতিকারক প্রভাব –
ওজোন স্তরের বিলুপ্তি ঘটলে মানুষসহ সকল প্রকার উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহে এবং জলবায়ু ও বাস্তুসংস্থানের ক্ষেত্রে নানারকম ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। যেমন –
- বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে O3 বিলুপ্ত হলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ওই স্তরে শোষিত না হয়ে ভূপৃষ্ঠে আপতিত হবে; ফলে ভূ পৃষ্ঠের তাপমাত্রা বাড়বে। ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলবে এবং সমুদ্রের জলতলের উচ্চতা বাড়বে।
- ওজোন স্তর বিনাশের ফলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি ভূপৃষ্ঠে এলে প্রথমেই মানুষের ত্বক আক্রান্ত হয়। তাই ত্বকের ক্যানসারের সম্ভাবনা বেশি হয়। মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। চোখের কর্নিয়ার ক্ষতি করে, বিভিন্ন জিনঘটিত রোগ ও সমস্যা দেখা যায়, প্রজনন ক্ষমতা কমে যায়।
- সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ভূপৃষ্ঠে আপতিত হলে উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষের হার এবং শস্য ফলনের হার হ্রাস পাবে। ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে জমির আর্দ্রতা এবং জলাশয়ের জল কমে যাবে, ফলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হবে।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “ওজোন স্তর সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংসও হচ্ছে আলোচনা করো। অথবা, ওজোন মণ্ডলে কীরূপে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ স্থির থাকে? স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর ওজোন স্তর ধ্বংসের ক্ষতিকারক প্রভাব উল্লেখ করো। অথবা, মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর ওজোন স্তর ক্ষয়ের দুটি ক্ষতিকারক প্রভাব লেখো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “ওজোন স্তর সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে ধ্বংসও হচ্ছে আলোচনা করো। অথবা, ওজোন মণ্ডলে কীরূপে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ স্থির থাকে? স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর ওজোন স্তর ধ্বংসের ক্ষতিকারক প্রভাব উল্লেখ করো। অথবা, মানবস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ওপর ওজোন স্তর ক্ষয়ের দুটি ক্ষতিকারক প্রভাব লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “পরিবেশের জন্য ভাবনা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment