এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘হঠাৎ চারিদিক অন্ধকার করিয়া কালবৈশাখীর ঝড় উঠিল।’ – পাঠ্য গল্প অনুসারে কালবৈশাখীর পরিচয় দাও।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘হঠাৎ চারিদিক অন্ধকার করিয়া কালবৈশাখীর ঝড় উঠিল।’ – পাঠ্য গল্প অনুসারে কালবৈশাখীর পরিচয় দাও।
একদিন বিকেলে হঠাৎ করেই কালবৈশাখীর ঝড় উঠল। অনেকক্ষণ থেকেই মেঘ-মেঘ করছিল। তবুও ঝড়টা যেন খুব শীঘ্রই এসে পড়ল। ঝড়ের ফলে অপুদের বাঁশঝাড়ের বাঁশগুলি পাঁচিলের উপর থেকে সরে গিয়ে অন্য ধারে পড়ল। ধুলো, বাঁশপাতা, কাঁঠালপাতা, খড় চারদিক থেকে উড়ে এসে অপুদের উঠোনকে ধুলো-পাতাময় করে তুলল। বড়ো বড়ো গাছের ডাল ঝড়ে বেঁকে যাওয়ায় গাছগুলিকে নেড়া বলে মনে হচ্ছিল। গাছে গাছে সোঁ সোঁ, বোঁ বোঁ শব্দে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল—বাগানে শুকনো ডাল, কুটো, বাঁশের খোলা উড়ে যাচ্ছিল চারদিকে। শুকনো বাঁশপাতা ছুঁচোলো আগাটি উঁচু দিকে তুলে ঘুরে ঘুরে আকাশে উড়ছিল, কুকসিমা গাছের শুঁয়োর মতো পালকওয়ালা সাদা সাদা ফুল ঝড়ের মুখে কোথা থেকে যেন অজস্র উড়ে উড়ে আসছিল। বাতাসের ভয়ংকর শব্দে কান পাতা যাচ্ছিল না—এমনই ছিল সেদিনের কালবৈশাখীর স্বরূপ।
আরও পড়ুন – অপুর প্রথম দিনের পাঠশালার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করো।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘হঠাৎ চারিদিক অন্ধকার করিয়া কালবৈশাখীর ঝড় উঠিল।’ – পাঠ্য গল্প অনুসারে কালবৈশাখীর পরিচয় দাও।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment