এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “প্রাণীদের জনুক্রম সম্বন্ধে সংক্ষেপে লেখো। জনুক্রমের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা”-এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাণীদের জনুক্রম সম্বন্ধে সংক্ষেপে লেখো। জনুক্রমের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করো।
Monocystis (মনোসিস্টিস) প্রাণীতে সুস্পষ্ট জনুক্রম দেখা যায়। Obelia (ওবেলিয়া) প্রাণীতে যে জনুক্রম দেখা যায়, তাকে জনুক্রম না বলে মেটাজেনেসিস (Metagenesis) বলাই শ্রেয়। উন্নত উদ্ভিদের লিঙ্গধর বা হ্যাপ্লয়েড দশা খুবই সংক্ষিপ্ত। সাধারণত ডিপ্লয়েড প্রকৃতির উন্নত প্রাণীদেহ থেকে হ্যাপ্লয়েড রেণুর পরিবর্তে হ্যাপ্লয়েড গ্যামেট উৎপন্ন হয় এবং নিষেকের মাধ্যমে জাইগোট গঠিত হলেই পুনরায় ডিপ্লয়েড দশা ফিরে আসে।
জনুক্রমের গুরুত্ব –
জনুক্রমের গুরুত্বগুলি নিম্নরূপ –
- অপুষ্পক উদ্ভিদে জনুক্রম – বিভিন্ন জীব, বিশেষত অপুষ্পক উদ্ভিদের, অঙ্গসংস্থানগত বৈশিষ্ট্য ও পার্থক্য নিরূপণ করা জনুক্রমের মাধ্যমেই সম্ভব হয়।
- কোশ বিভাজন ও জনুক্রম – মাইটোসিস ও মিয়োসিস বিভাজনের সংঘটনস্থল ও তাদের প্রাসঙ্গিকতা জনুক্রমের মাধ্যমেই জানা যায়।
- জনুক্রম ও অযৌন জনন – লিঙ্গধর দশার প্রথম কোশ হিসেবে উদ্ভিদের অযৌন জননের সময় হ্যাপ্লয়েড রেণু উৎপন্ন হয়। এই রেণুগুলি পরে জনুক্রমের মাধ্যমে যৌন জননের সময় ডিপ্লয়েড জাইগোট গঠন করে কিংবা স্বাধীনভাবে হ্যাপ্লয়েড লিঙ্গধর উদ্ভিদ তৈরি করে। সুতরাং, অযৌন জননের সময় যদি রেণু উৎপন্ন না হয়, তবে জনুক্রম সম্পূর্ণ হয় না।
- জনুক্রম ও যৌন জনন – যৌন জননের সময় মিয়োসিস কোশ বিভাজনের ফলে যে জননকোশ বা গ্যামেট উৎপন্ন হয়, তাতে ক্রোমোজোম সংখ্যা হ্রাস পেয়ে অর্ধেক হয়। নিষেকের পর আবার জাইগোট গঠনকালে, অর্থাৎ রেণুধর দশার প্রথম কোশে (2n), পুনরায় ক্রোমোজোম সংখ্যা আগের মতো হয়। এভাবে উৎপন্ন অপত্য জীবে যৌন জননের মাধ্যমে ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখা এবং ডিপ্লয়েড ও হ্যাপ্লয়েড জনুর মধ্যে ভারসাম্য রাখা জনুক্রমের মাধ্যমেই সম্ভব হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “প্রাণীদের জনুক্রম সম্বন্ধে সংক্ষেপে লেখো। জনুক্রমের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা”-এর “জনন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন