এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “প্রকরণ কাকে বলে? প্রকরণ চলনকে রসস্ফীতিজনিত চলন বলে কেন?” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়” -এর “উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রকরণ কাকে বলে?
কোশের রসস্ফীতির তারতম্যের জন্য উদ্ভিদের পরিণত অংশে যে চলন দেখা যায়, তাকে প্রকরণ চলন বলে। যেমন – বনচাঁড়ালে পার্শ্বীয় পত্রকের চলন।
প্রকরণ চলনকে রসস্ফীতিজনিত চলন বলে কেন?
প্রকরণ চলনই হল রসস্ফীতিজনিত চলন – প্রকরণ চলন হল একধরনের বক্রচলন। এই প্রকার চলন উদ্ভিদের কাণ্ড বা পাতার কোশে অভিস্রবণের দরুন রসস্ফীতিজনিত চাপের হ্রাস-বৃদ্ধির ফলে ঘটে, এই কারণে একে রসস্ফীতিজনিত চলন বলে।
উদাহরণ – বনচাঁড়াল উদ্ভিদ বা ইন্ডিয়ান টেলিগ্রাফ উদ্ভিদের ত্রিফলকের পার্শ্বীয় পত্রক দুটিতে পত্রমূলের রসস্ফীতিজনিত চাপের কম-বেশির ফলে এরূপ চলন দেখা যায়।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “প্রকরণ কাকে বলে? প্রকরণ চলনকে রসস্ফীতিজনিত চলন বলে কেন?” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়” -এর “উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment