এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “প্রোটিনয়েড কী? এর বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের চতুর্থ অধ্যায় “অভিব্যক্তি ও অভিযোজন” -এর “অভিব্যক্তি” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রোটিনয়েড কী?
বিজ্ঞানী এস. ডব্লিউ. ফক্স (S.W. Fox) -এর পরীক্ষায় জানা যায় যে, অ্যামিনো অ্যাসিডের মিশ্রণকে 160-210°C তাপমাত্রায় অনেক ঘণ্টা ধরে উত্তপ্ত করলে জটিল জৈব যৌগ প্রোটিনয়েড (Proteinoid) উৎপন্ন হয়। ফক্স এ ধরনের প্রোটিনয়েডকে মাইক্রোস্ফিয়ার (Microsphere) নামে অভিহিত করেন।

প্রোটিনয়েডের বৈশিষ্ট্যগুলি হলো
- তাপীয় প্রোটিনয়েডে জল যোগ করায় মাইক্রোস্ফিয়ার উৎপন্ন হয়।
- এদের দেখতে কক্কাস (Coccus) ব্যাকটেরিয়ার মতো।
- এরা রাসায়নিকভাবে অপেক্ষাকৃত সুস্থিত।
- এদের বাইরের দিকে কোশপর্দার ন্যায় দ্বিস্তরীয় পর্দার উপস্থিতি রয়েছে।
- গ্রাম পজিটিভ (Gram +ve) ও গ্রাম নেগেটিভ (Gram -ve) দু-ধরনের মাইক্রোস্ফিয়ারই পাওয়া যায়।
- এরা অবিন্যস্ত চলাচল ধর্ম দেখায়।
- একগুচ্ছ মাইক্রোস্ফিয়ারের মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদান হয়।
- হাইপোটনিক দ্রবণে এরা ফুলে ওঠে আর হাইপারটনিক দ্রবণে রাখলে কুঁচকে যায়।
- এরা অনেকটা উৎসেচকের ন্যায় কার্যাবলি দেখায়।
- দ্বি-বিভাজন অথবা বাডিং (Budding) পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়।
- বিজ্ঞানী ওপারিন এ ধরনের কোলয়েডধর্মী সংঘবদ্ধ অবস্থাকে ‘কোয়াসারভেট’ (Coacervate) নাম দেন।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “প্রোটিনয়েড কী? এর বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের চতুর্থ অধ্যায় “অভিব্যক্তি ও অভিযোজন” -এর “অভিব্যক্তি” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।





Leave a Comment