প্রতিবিম্বের রৈখিক বিবর্ধন কাকে বলে?

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “প্রতিবিম্বের রৈখিক বিবর্ধন কাকে বলে?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “প্রতিবিম্বের রৈখিক বিবর্ধন কাকে বলে?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় “আলো“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

প্রতিবিম্বের রৈখিক বিবর্ধন কাকে বলে?

প্রতিবিম্বের রৈখিক বিবর্ধন কাকে বলে?

রৈখিক বিবর্ধন –

কোনো আলোকীয় ব্যবস্থায় বস্তুর প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য এবং বস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে। একে ‘m’ অক্ষর দ্বারা সূচিত করা হয়। বস্তুটিকে এক্ষেত্রে প্রস্থবিহীন বলে ধরা হয়।

সুতরাং, রৈখিক বিবর্ধন (m)=প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য

দেখা গিয়েছে যে, লেন্স থেকে বস্তুর দূরত্ব = u এবং প্রতিবিম্বের দূরত্ব = v হলে, যে-কোনো লেন্সের ক্ষেত্রে রৈখিক বিবর্ধন (m)

=প্রতিবিম্বের দূরত্ব (v)বস্তুর দূরত্ব (u)

বস্তুর আকারের চেয়ে প্রতিবিম্ব ছোটো হলে m -এর মান 1 -এর কম হবে। বর্তমান রীতি অনুযায়ী, প্রতিবিম্ব অবশীর্ষ বা উলটোর ক্ষেত্রে m -এর মান ঋণাত্মক এবং প্রতিবিম্ব সমশীর্ষ বা সোজার ক্ষেত্রে m -এর মান ধনাত্মক ধরা হয়।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

রৈখিক বিবর্ধন কী?

কোনো আলোকীয় ব্যবস্থায় (যেমন – লেন্স বা দর্পণ) গঠিত প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য এবং বস্তুর প্রকৃত দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে। একে ‘m’ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

রৈখিক বিবর্ধনের মান ধনাত্মক বা ঋণাত্মক হওয়ার কী অর্থ?

বিবর্ধনের মান ধনাত্মক হলে বুঝতে হবে প্রতিবিম্বটি সোজা এবং আপাত। অন্যদিকে, বিবর্ধনের মান ঋণাত্মক হলে বুঝতে হবে প্রতিবিম্বটি উলটো এবং বাস্তব।

রৈখিক বিবর্ধনের মান 1 -এর কম বা বেশি হওয়া বলতে কী বোঝায়?

রৈখিক বিবর্ধনের মান 1 -এর কম বা বেশি হওয়া বলতে বোঝায় –
1. m > 1 – প্রতিবিম্বটি বস্তুর চেয়ে বড়ো (বিবর্ধিত)।
2. m = 1 – প্রতিবিম্বটি বস্তুর সমান আকারের।
3. m < 1 – প্রতিবিম্বটি বস্তুর চেয়ে ছোটো (সঙ্কুচিত)।

রৈখিক বিবর্ধন কি একটি এককবিহীন রাশি?

হ্যাঁ, রৈখিক বিবর্ধন একটি অনুপাত, তাই এর কোনো একক নেই। এটি একটি মাত্রাবিহীন রাশি।

রৈখিক বিবর্ধন সূত্রটি কি সব ধরনের লেন্সের জন্য প্রযোজ্য?

হ্যাঁ, m = v/u এই সূত্রটি উত্তল লেন্স এবং অবতল লেন্স উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। দর্পণের জন্যও একই সূত্র ব্যবহার করা হয়।


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “প্রতিবিম্বের রৈখিক বিবর্ধন কাকে বলে?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “প্রতিবিম্বের রৈখিক বিবর্ধন কাকে বলে?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় “আলো“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়া, নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

প্রতিসরণ কোণ কাকে বলে? কাচফলকে প্রতিসরণের ফলে আলোকরশ্মির চ্যুতি হয় না কেন?

প্রতিসরণ কোণ কাকে বলে? কাচফলকে প্রতিসরণের ফলে আলোকরশ্মির চ্যুতি হয় না কেন?

একটি প্রিজমের i−δ লেখচিত্র আঁকো, যেখানে i হল আপতন কোণ ও δ হল চ্যুতিকোণ। লেখচিত্রে ন্যূনতম চ্যুতিকোণ (δm) দেখাও।

একটি প্রিজমের i-δ লেখচিত্র আঁকো, যেখানে i হল আপতন কোণ ও δ হল চ্যুতিকোণ।

উত্তল লেন্স এবং অবতল লেন্স কয়প্রকার ও কী কী?

উত্তল লেন্স এবং অবতল লেন্স কয়প্রকার ও কী কী?

About The Author

Souvick

Tags

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

প্রতিসরণ কোণ কাকে বলে? কাচফলকে প্রতিসরণের ফলে আলোকরশ্মির চ্যুতি হয় না কেন?

একটি প্রিজমের i-δ লেখচিত্র আঁকো, যেখানে i হল আপতন কোণ ও δ হল চ্যুতিকোণ।

উত্তল লেন্স এবং অবতল লেন্স কয়প্রকার ও কী কী?

আলোকের বিক্ষেপণ কাকে বলে? র‍্যালের বিক্ষেপণ সূত্রটি লেখো।

রেখাচিত্রের সাহায্যে লেন্স দ্বারা প্রতিবিম্ব গঠনের নিয়মাবলি গুলি লেখো।