এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব। “‘সে জগৎ জানার, মানুষ জানার, মানুষ চেনার দিগ্বিজয়ে যাইবে’ – কার কথা বলা হয়েছে? ভবিষ্যতের যে রঙিন স্বপ্নে সে বিভোর তার কথা লেখো।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘সে জগৎ জানার, মানুষ জানার, মানুষ চেনার দিগ্বিজয়ে যাইবে’ – কার কথা বলা হয়েছে? ভবিষ্যতের যে রঙিন স্বপ্নে সে বিভোর তার কথা লেখো।
আলোচ্য অংশে ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের বালক চরিত্র অপুর কথা বলা হয়েছে।
অপুর চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্যই হল সে কল্পনাপ্রবণ ও স্বপ্নবিলাসী। স্বপ্নই তাকে প্রতিমুহূর্তে রসদ জোগায় বেঁচে থাকার জন্য, জীবনকে উপভোগ করার জন্য। দারিদ্র্যপীড়িত জীবনে অপু ছোটো থেকে দেখেছে শুধুই অভাব এবং না পাওয়াকে। অভাবের জন্য পাঠশালায় যাওয়া বন্ধ হয়েছে, কোনোদিন ভালো জামাকাপড় জোটেনি, অনেকসময়ই থাকতে হয়েছে না খেয়ে অভুক্ত অবস্থায়। তবুও স্বপ্ন পিছু ছাড়েনি। বিশ্বজগৎকে জানা, মানুষকে জানার অদম্য পিপাসা দিনের পর দিন তাড়া করে গেছে অপুকে। ‘বঙ্গবাসী’ কাগজে প্রকাশিত ‘বিলাতযাত্রীর’ লেখা পড়ার পর থেকে নানা অজানা দেশ যেন হাতছানি দিয়ে বার বার আহ্বান করেছে অপুকে। অপু অপেক্ষা করে আছে সেই দিনের জন্য, যেদিন তার এইসব স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটবে। তার জন্য তাকে বড়ো হতে হবে। তাহলেই সে হাতে পাবে সোনার কাঠি, রুপোর কাঠি। এইসব স্বপ্নেই অপু বিভোর, মগ্ন।
আরও পড়ুন – ‘বিস্ময় ও কৌতুকে তাহার মুখ-চোখ উজ্জ্বল দেখায়।’—কীভাবে কার মুখ-চোখ উজ্জ্বল দেখায়?
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘সে জগৎ জানার, মানুষ জানার, মানুষ চেনার দিগ্বিজয়ে যাইবে’ – কার কথা বলা হয়েছে? ভবিষ্যতের যে রঙিন স্বপ্নে সে বিভোর তার কথা লেখো।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার (Class 8 Bengali Exam) জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment