এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘সে শুষ্কমুখে উদাস নয়নে ও পাড়ার পথে রায়েদের বাগানে পড়ন্ত আমগাছের গুঁড়ির উপর বসিয়া ছিল।’ – ‘সে’ কে? কে তাকে বসে থাকতে দেখেছিল? সে কেন এভাবে বসেছিল?” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘সে শুষ্কমুখে উদাস নয়নে ও পাড়ার পথে রায়েদের বাগানে পড়ন্ত আমগাছের গুঁড়ির উপর বসিয়া ছিল।’ – ‘সে’ কে? কে তাকে বসে থাকতে দেখেছিল? সে কেন এভাবে বসেছিল?
সে হলো বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের শিশুনায়ক অপু।
অপুকে বসে থাকতে দেখেছিল তার দিদি দুর্গা।
অপু সারাদিন ধরে নীলমণি জ্যাঠার বাড়ি, পালিতদের আমবাগান, প্রসন্ন গুরুমহাশয়ের বাঁশবন—অনেক জঙ্গল ঘুরে বহু কষ্টে গুলঞ্চলতা সংগ্রহ করে, সেগুলিকে টাঙিয়ে ‘টেলিগিরাপের তার’ বানিয়েছিল রেল-রেল খেলবে বলে। কিন্তু তার মা তাড়াতাড়ি বাড়িতে ঢুকতে গিয়ে সেই তার ছিঁড়ে ফেলেছিল। এতে মায়ের ওপর অপুর খুব অভিমান হয়, মা তার এত সাধের ইচ্ছাটাকে নষ্ট করে দিল! তার ওপর তাকে কোনো সান্ত্বনাও দিল না, তাই দুঃখে সে মাকে বলে যে, সে আজ ভাত খাবে না। তাতেও মা তাকে তিরস্কারই করল—’ভাত খেয়ে রাজা করে দেবেন কিনা?’ মায়ের এমন কঠোর আচরণ অপুর শিশুহৃদয়ে খুব বেদনা সৃষ্টি করেছিল। এই কারণেই মায়ের প্রতি অভিমান করে অপু শুষ্কমুখে, উদাস নয়নে রায়েদের বাগানে আমগাছের গুঁড়ির উপর বসেছিল।
আরও পড়ুন – ‘তাহাদের পিপাসু হৃদয় কত বিচিত্র, কত অপূর্ব রসে ভরিয়া তোলে।’ – উক্তিটির তাৎপর্য আলোচনা করো।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘সে শুষ্কমুখে উদাস নয়নে ও পাড়ার পথে রায়েদের বাগানে পড়ন্ত আমগাছের গুঁড়ির উপর বসিয়া ছিল।’ – ‘সে’ কে? কে তাকে বসে থাকতে দেখেছিল? সে কেন এভাবে বসেছিল?” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment