এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “‘সকলে বনে ঘেরা সরু পথ ছাড়াইয়া মাঠে পড়িল।’ – ‘সকলে’ বলতে কাদের কথা বোঝানো হয়েছে? উক্ত মাঠের পরিবেশের পরিচয় দাও।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘সকলে বনে ঘেরা সরু পথ ছাড়াইয়া মাঠে পড়িল।’ – ‘সকলে’ বলতে কাদের কথা বোঝানো হয়েছে? উক্ত মাঠের পরিবেশের পরিচয় দাও।
এক সরস্বতী পুজোর বিকেলে নিশ্চিন্দিপুরের বাসিন্দা হরিহর কয়েকজন প্রতিবেশী ও ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে কুঠির মাঠে গিয়েছিল — এখানে ‘সকলে’ অর্থে এদেরকেই, অর্থাৎ হরিহর, তার প্রতিবেশী ও তার ছেলেকে বোঝানো হয়েছে।
বনে ঘেরা সরু পথ ছেড়ে কুঠির মাঠে পড়ল তারা। সেই মাঠে ইটের পাঁজার মতো দেখতে পুরোনো দিনের নীলকুঠির জ্বালঘরের ভগ্নাবশেষ তারা দেখেছিল। মাঠের ঝোপঝাড়গুলি উলুখড়, বনকলমি, সোঁদাল ও কুলগাছে ভরা। কলমির লতা সমগ্র ঝোপের মাথায় বড়ো বড়ো সবুজ পাতা বিছিয়ে ঢেকে রেখেছে। তার ভিতরে স্নিগ্ধ ছায়ায় ছোটো গোয়ালে, নাটাকাঁটা ও নীল বনঅপরাজিতা ফুল সূর্যের আলোর দিকে মুখ উঁচু করে ফুটে আছে। পড়ন্ত বেলার ছায়ায় স্নিগ্ধ বনভূমির শ্যামলতা, পাখির ডাক — যেন প্রকৃতির অকৃপণ হাতে ছড়ানো ঐশ্বর্য। সেখানে প্রকৃতি রাজার মতো ভাণ্ডার বিলিয়ে দান করেছে — কোথাও এতটুকু দারিদ্র্যের চিহ্নও রাখেনি প্রকৃতি। বেলাশেষের ইন্দ্রজালে মাঠ, নিকটের নদী ও বনভূমি মায়াময় রূপ ধারণ করেছে — এমনই ছিল বনের শেষের কুঠির মাঠের পরিবেশ।
আরও পড়ুন – কালবৈশাখী ঝড়ে দুর্গা-অপুর আম কুড়োনোর ঘটনাটি লেখো।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “‘সকলে বনে ঘেরা সরু পথ ছাড়াইয়া মাঠে পড়িল।’ – ‘সকলে’ বলতে কাদের কথা বোঝানো হয়েছে? উক্ত মাঠের পরিবেশের পরিচয় দাও।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment