এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “থ্যালামাসের সংজ্ঞা দাও। এর কাজ কী? হাইপোথ্যালামাসের সংজ্ঞা দাও। এর কাজ কী?” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়” -এর “প্রাণীদের সাড়াপ্রদান ও ভৌত সমন্বয়-স্নায়ুতন্ত্র” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

থ্যালামাসের সংজ্ঞা দাও। এর কাজ কী?
মস্তিষ্কের তৃতীয় প্রকোষ্ঠের দুই দিকে গুরুমস্তিষ্কের নীচে এবং মধ্যমস্তিষ্কের ওপরে দুটি ধূসর বর্ণের ডিম্বাকার অংশ পরিলক্ষিত হয়, তাদের থ্যালামাস বলে।
হাইপোথ্যালামাসের কাজ –
- থ্যালামাস মূলত প্রেরক কেন্দ্র বা রিলে স্টেশন হিসেবে কাজ করে কারণ থ্যালামাস মূল অনুভূতি, যেমন – চাপ, স্পর্শ, যন্ত্রণা ইত্যাদির নিয়ন্ত্রক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। এই অনুভূতিগুলি প্রথমে থ্যালামাস ও পরে গুরুমস্তিষ্কে যায়।
- বিভিন্ন মানসিক আবেগ, যেমন – ক্রোধ, পীড়ন ইত্যাদি থ্যালামাস নিয়ন্ত্রণ করে।
হাইপোথ্যালামাসের সংজ্ঞা দাও। এর কাজ কী?
মস্তিষ্কের তৃতীয় প্রকোষ্ঠ এবং থ্যালামাসের তলদেশে শ্বেতবস্তু ও ধূসর বস্তু নিয়ে গঠিত অংশকে হাইপোথ্যালামাস বলে।
হাইপোথ্যালামাসের কাজ –
- ক্ষুধা, তৃষ্ণা, নিদ্রা ও দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- বিভিন্ন রিলিজিং, ইনহিবিটিং ও ট্রপিক হরমোন ক্ষরণ করে।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “থ্যালামাসের সংজ্ঞা দাও। এর কাজ কী? হাইপোথ্যালামাসের সংজ্ঞা দাও। এর কাজ কী?” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়” -এর “প্রাণীদের সাড়াপ্রদান ও ভৌত সমন্বয়-স্নায়ুতন্ত্র” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন