এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “উদাহরণসহ পরীক্ষার মাধ্যমে উদ্ভিদের ফোটোট্রপিক চলনের বর্ণনা দাও। অথবা, উদ্ভিদ অঙ্গের অনুকূল আলোকবর্তী ও প্রতিকূল আলোকবর্তী চলনের পরীক্ষা সংক্ষেপে বর্ণনা করো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়” -এর “উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

উদাহরণসহ পরীক্ষার মাধ্যমে উদ্ভিদের ফোটোট্রপিক চলনের বর্ণনা দাও।
অথবা, উদ্ভিদ অঙ্গের অনুকূল আলোকবর্তী ও প্রতিকূল আলোকবর্তী চলনের পরীক্ষা সংক্ষেপে বর্ণনা করো।
ফোটোট্রপিক আবিষ্ট বক্রচলনে উদ্ভিদ অঙ্গের চলনের গতিপথ আলোক উদ্দীপকের উৎস বা গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় উদ্ভিদের ফোটোট্রপিক চলন অক্সিন হরমোনের ওপর নির্ভরশীল। উদ্ভিদের কাণ্ড আলোক উৎসের দিকে অগ্রসর হয় বলে কাণ্ডকে আলোক-অনুকূলবর্তী বা পজিটিভলি ফোটোট্রপিক বলে। উদ্ভিদের মূল আলোক উৎসের বিপরীত দিকে অগ্রসর হয় বলে মূলকে আলোক-প্রতিকূলবর্তী বা নেগেটিভলি ফোটোট্রপিক বলে। উদ্ভিদের পাতা আলোক উৎসের সঙ্গে তির্যকভাবে বৃদ্ধি পায় বলে, পাতাকে আলোক তির্যকবর্তী বা ট্রান্সভার্স ফোটোট্রপিক বলে।
উদ্ভিদের ফোটোট্রপিক চলনের পরীক্ষা –
- পদ্ধতি – একটি জলভরতি স্বচ্ছ কাচের বোতলে একটি মূল-সহ সতেজ চারাগাছ নিয়ে অন্ধকার ঘরের একটিমাত্র জানলা খুলে জানলার পাশে রাখা হল। খেয়াল রাখতে হবে চারাগাছটির মূল যেন সম্পূর্ণরূপে জলের মধ্যে ডুবে থাকে, মূলটি যেন ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে, চারাগাছটির বিটপ যেন খোলা জানলার পাশে থাকে এবং বোতলসহ সমগ্র চারাগাছটিতে যেন আলো পড়ে।
- পর্যবেক্ষণ – কয়েকদিন পর দেখা গেল চারাগাছটির কাণ্ড জানলার দিকে অর্থাৎ আলোর দিকে এবং মূল অন্ধকারের দিকে অর্থাৎ আলোর বিপরীত দিকে বেঁকে গেছে।
- সিদ্ধান্ত – উপরিউক্ত পরীক্ষা থেকে আমরা এই সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে, উদ্ভিদের কাণ্ড আলোক-অনুকূলবর্তী এবং উদ্ভিদের মূল আলোক-প্রতিকূলবর্তী।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “উদাহরণসহ পরীক্ষার মাধ্যমে উদ্ভিদের ফোটোট্রপিক চলনের বর্ণনা দাও। অথবা, উদ্ভিদ অঙ্গের অনুকূল আলোকবর্তী ও প্রতিকূল আলোকবর্তী চলনের পরীক্ষা সংক্ষেপে বর্ণনা করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের প্রথম অধ্যায় “জীবজগতে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয়” -এর “উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা এবং সাড়াপ্রদান” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment