এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “পাঁচটি কঠিন বর্জ্য পদার্থের নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি আলোচনা করো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “পাঁচটি কঠিন বর্জ্য পদার্থের নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি আলোচনা করো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের চতুর্থ অধ্যায় “বর্জ্য ব্যবস্থাপনা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

পাঁচটি কঠিন বর্জ্য পদার্থের নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি আলোচনা করো।
বর্জ্য পদার্থের পুনর্ব্যবহার দ্বারা সম্পদ সংরক্ষণ করা হয় এবং পরিবেশের দূষণমাত্রা কমানো যায় এবং পরিবেশ সংরক্ষণ করা যায়। সুতরাং, অর্থনৈতিক দিক দিয়ে লাভজনক 5টি বর্জ্য পদার্থের নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নীচে আলোচনা করা হল।
ফ্লাই অ্যাশ –
কয়লা নির্ভর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রচুর পরিমাণে ফ্লাই অ্যাশ (Fly Ash) ও তলানি ছাই (Bottom Ash) উৎপন্ন হয়। ফ্লাই অ্যাশ সিমেন্ট ও ইট তৈরির কাজে ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া বাঁধ তৈরি করতে, খনির ফাঁকা স্থান পূরণ করার কাজে, নীচু জমি ভরাট করতে, মৎস্য প্রকল্পে ফ্লাই অ্যাশ ব্যবহার করা হয়।
বর্জ্য কাগজ –
স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালত, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে কাগজ বর্জ্য হিসেবে উৎপাদিত হয় যার পুনর্ব্যবহার সম্ভব। বর্জ্য কাগজ থেকে ধুলো, ময়লা প্রভৃতি অবাঞ্ছিত পদার্থকে আলাদা করে কাগজের মণ্ড তৈরি করা যায়। এই কাগজের মণ্ড দিয়ে কাগজের ব্যাগ, বোর্ড প্রভৃতি তৈরি করা যায়। আবার বর্জ্য কাগজকে পুনরায় কাগজের প্যাকেট ও ঠোঙা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
ধাতব পদার্থ –
কলকারখানা, নির্মাণ শিল্প ও পৌর বর্জ্যের মধ্যে যথেষ্ট পরিমাণে ধাতব সামগ্রী যেমন – লোহা, অ্যালুমিনিয়াম, তামা ইত্যাদি থাকে। ‘লোহাজাত পদার্থগুলিকে চৌম্বক পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হয়। অলৌহজাত ধাতব পদার্থগুলিকে তাপীয়, রাসায়নিক পদ্ধতির দ্বারা পৃথককরণ করা হয়। পৃথকৃত ধাতুগুলি থেকে পুনরায় শিল্প কারখানাগুলিতে ব্যবহার্য সম্পদ তৈরি করা হয়।
আখের ছিবড়া –
চিনি শিল্প কেন্দ্রগুলিতে প্রচুর পরিমাণে আখের ছিবড়া বর্জ্য পদার্থ হিসেবে উৎপাদিত হয়। আখের ছিবড়া দিয়ে কাগজের মন্ড, জৈব গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। কাগজ শিল্পে কাঠের তন্তুর বদলে আখের ছিবড়াকে তত্ত্ব হিসেবে ব্যবহার করলে কাঠের ব্যবহার কমানো সম্ভব হয়।
কাচ –
গৃহস্থালি বা শিল্প বর্জ্যে কাচ থাকে। এখান থেকে কাচকে পৃথক করা হয়। এই পৃথকৃত কাচকে গলিয়ে বিভিন্ন ধরনের কাচের সামগ্রী তৈরি করা হয়। বর্জ্য কাচ অ্যাসফল্টের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “পাঁচটি কঠিন বর্জ্য পদার্থের নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি আলোচনা করো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “পাঁচটি কঠিন বর্জ্য পদার্থের নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি আলোচনা করো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের চতুর্থ অধ্যায় “বর্জ্য ব্যবস্থাপনা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। । ধন্যবাদ।





মন্তব্য করুন