আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের ষষ্ঠ পাঠের তৃতীয় অধ্যায়, ‘চন্দ্রনাথ’ -এর কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করবো। এই প্রশ্নোত্তরগুলো নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্নাবলি
সঠিক উত্তর নির্বাচন করো
সমাধিক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত? –
- সারপেনটাইন রোড
- সারকুলার রোড
- সারকুলার লেন
- সারপেনটাইন লেন
উত্তর – 2. সারকুলার রোড
সমাধিক্ষেত্র থেকে বের হয়ে গল্পকথক কার কথা ভাবছিলেন? –
- ইন্দ্রনাথ
- চন্দ্রশেখর
- চন্দননাথ
- চন্দ্রনাথ
উত্তর – 4. চন্দ্রনাথ
গল্পকথক চন্দ্রনাথকে কোন্ নক্ষত্রমণ্ডলের সঙ্গে তুলনা করেছেন? –
- কালপুরুষ
- সপ্তর্ষিমণ্ডল
- কালকূট
- কালরুদ্র
উত্তর – 1. কালপুরুষ
কালপুরুষ নক্ষত্রটির আকৃতি কেমন? –
- ধনুর্ধারী বলিষ্ঠ
- মুষলধারী দৈত্যাকায়
- খঙ্গধারী ভীমাকায়
- বংশীধারী কৃষ্ণকায়
উত্তর – 3. খঙ্গধারী ভীমাকায়
চন্দ্রনাথের সঙ্গে সঙ্গে গল্পকথক আর কার কথা মনে করেছে? –
- হীরু
- বীরু
- ধীরু
- গহর
উত্তর – 1. হীরু
চন্দ্রনাথ ও হীরুর সঙ্গে গল্পকথকের কী সম্পর্ক? –
- সহকর্মী
- সহযোদ্ধা
- সহপাঠী
- সহমর্মী
উত্তর – 3. সহপাঠী
চন্দ্রনাথের দাদার নাম কী? –
- নিশাকরবাবু
- নিশীথবাবু
- নিরঞ্জনবাবু
- নিশানাথবাবু
উত্তর – 4. নিশানাথবাবু
গল্পকথকের কক্ষটি কীসের আলোয় আলোকিত? –
- সেজের বাতি
- টেবিল-ল্যাম্প
- নাইট-ল্যাম্প
- টিউব লাইট
উত্তর – 2. টেবিল-ল্যাম্প
সম্মুখেই দেওয়ালে বিলম্বিত বড়ো ___। –
- দেওয়াল আলমারি
- রবীন্দ্রনাথের ছবি
- দেওয়াল চিত্র
- আয়না
উত্তর – 4. আয়না
“অলীক কায়াময় ছায়া ….।” ‘অলীক’ শব্দের অর্থ হল –
- ছিদ্রহীন
- অস্পষ্ট/অবাস্তব
- বাস্তব
- ভিত্তিহীন
উত্তর – 4. ভিত্তিহীন
“অতীতের রূপ এই ___।” –
- কবিতা
- অন্ধকার
- ভবিষ্যৎ
- রেখাচিত্র
উত্তর – 2. অন্ধকার
“আলোকিত যে দিবসটি অবসান হইয়া তমসা-পারাবারের মধ্যে ডুব দিল,” – ‘তমসা-পারাবার’ শব্দের অর্থ –
- অন্ধকার সমুদ্র
- অন্ধকার বনপথ
- আঁধার রাত্রি
- গহন অন্ধকার
উত্তর – 1. অন্ধকার সমুদ্র
“তাই অন্ধকারের মধ্যে তাহাকে খুঁজিতেছি।” – গল্পকথক যাকে খুঁজছেন তিনি কে? –
- গল্পকথকের বন্ধু
- তমসা-পারাবার
- ভবিষ্যৎ
- গল্পকথকের পরিজন
উত্তর – 1. গল্পকথকের বন্ধু
স্মৃতিচারণায় চন্দ্রনাথ বয়সে –
- শিশু
- কিশোর
- বালক
- যুবক
উত্তর – 2. কিশোর
চন্দ্রনাথের মুখের মধ্যে কোন্ অংশে প্রথমেই চোখ পড়ে? –
- মোটা নাক
- সরু ঠোঁট
- টানা চোখ
- বড়ো কান
উত্তর – 1. মোটা নাক
“আর সেই কপালে ঠিক মধ্যস্থলে শিরায় রচিত এক ___ চিহ্ন।” –
- তিরচিহ্ন
- যতিচিহ্ন
- শঙ্খচিহ্ন
- ত্রিশূল-চিহ্ন
উত্তর – 4. ত্রিশূল-চিহ্ন
হেডমাস্টারমশাই কেমন প্রকৃতির মানুষ? –
- রাগি
- শান্ত
- বদমেজাজি
- হাস্যময়
উত্তর – 2. শান্ত
বোর্ডিং -এর ফটকের সামনে হেডমাস্টার যখন বসেছিলেন, সেই সময় তার হাতে ছিল –
- বেত
- পেন
- হুঁকো
- চাবি
উত্তর – 3. হুঁকো
হেডমাস্টার গল্পকথককে কী বলে সম্বোধন করেন? –
- দামু
- শিবু
- পল্টু
- নরু
উত্তর – 4. নরু
চন্দ্রনাথের কোন্ আচরণের জন্য সমস্ত স্কুল চঞ্চল হয়ে উঠেছিল? –
- আন্দোলন
- পুরস্কার প্রত্যাখ্যান
- সহপাঠীদের সঙ্গে বিবাদ
- বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাভঙ্গ
উত্তর – 2. পুরস্কার প্রত্যাখ্যান
চন্দ্রনাথ পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছে কেন? –
- সে দ্বিতীয় পুরস্কার নেবে না
- সে পুরস্কারই চায় না
- সে তৃতীয় পুরস্কার নেবে না
- তার পুরস্কার পছন্দ হয়নি
উত্তর – 1. সে দ্বিতীয় পুরস্কার নেবে না
চন্দ্রনাথ বিদ্যালয়ে সবসময় যে স্থান পেত –
- প্রথম
- দ্বিতীয়
- ত্রিতীয়
- চতুর্থ
উত্তর – 1. প্রথম
‘চন্দ্রনাথ’ গল্পটির কথকের নাম –
- হীরু
- চন্দ্রনাথ
- নরেশ
- রতন
উত্তর – 3. নরেশ
“সে লিখিতেই থাকিল, কোনো অভ্যর্থনা করিল না;” – অভ্যর্থনা না করার কারণ –
- সে গল্পকথককে পছন্দ করে না
- সে গল্পকথককে দেখে অসন্তুষ্ট হয়েছিল
- সে তার স্বভাব নয়
- সে অভদ্র
উত্তর – 3. সে তার স্বভাব নয়
“আমি নিজেই বসিয়া প্রশ্ন করিলাম, কী লিখছিস?” – সেই লিখছিল? –
- ইউনিভার্সিটি এগজামিনের সম্ভাব্য রেজাল্ট
- ইউনিভার্সিটি এগজামিনের রুটিন
- ইউনিভার্সিটি এগজামিনের সার্টিফিকেট
- ইউনিভার্সিটি এগজামিনের নোট
উত্তর – 1. ইউনিভার্সিটি এগজামিনের সম্ভাব্য রেজাল্ট
চন্দ্রনাথ যদি পরীক্ষায় সাড়ে-পাঁচশো নম্বর পায়, তাহলে তার কথা অনুযায়ী ফেল করবে –
- পাঁচজন
- দুইজন
- দশজন
- আটজন
উত্তর – 2. দুইজন
চন্দ্রনাথের যদি পরীক্ষায় পাঁচশো-পঁচিশের নীচে নম্বর হয়, তবে তার কথা অনুযায়ী ফেল করবে –
- পাঁচজন
- দুইজন
- দশজন
- সাতজন
উত্তর – 3. দশজন
পরীক্ষায় চন্দ্রনাথের রেজাল্ট পাঁচশো-পঁচিশের নীচে হলে, নরেশের রেজাল্ট হবে –
- ফার্স্ট ডিভিশন
- সেকেন্ড ডিভিশন
- থার্ড ডিভিশন
- ফেল
উত্তর – 3. থার্ড ডিভিশন
“এই দাম্ভিকটা যেন ফেল হয়” – ‘দাম্ভিকটা’ কে? –
- নরু
- হারু
- অবিনাশ
- চন্দ্রনাথ
উত্তর – 4. চন্দ্রনাথ
“এই দাম্ভিকটা যেন ফেল হয়” – এ ভাবনা ছিল –
- নরেশের
- চন্দ্রনাথের
- হারুর
- নিশানাথের
উত্তর – 1. নরেশের
“সেকেন্ড প্রাইজ নেওয়া আমি বিনিথ মাই ডিগনিটি বলে মনে করি।” – ‘ডিগনিটি’ শব্দের অর্থ কী? –
- লক্ষ্য
- সম্মান
- মর্যাদাবোধ
- দায়িত্বজ্ঞান
উত্তর – 3. মর্যাদাবোধ
চন্দ্রনাথের পুরস্কার গ্রহণ না করাটা তার দাদার কাছে মনে হয়েছে –
- অপদার্থতার পরিচায়ক
- অসভ্যতা
- অক্ষমতার অপরাধ
- সাবালকত্বের অভাব
উত্তর – 3. অক্ষমতার অপরাধ
স্কুলের পরীক্ষায় যে ফার্স্ট হয়েছে সে কে? –
- হেডমাস্টারের ভাইপো
- সেক্রেটারির ভাইপো
- সেক্রেটারির ছেলে
- হেডমাস্টারের ছেলে
উত্তর – 2. সেক্রেটারির ভাইপো
যে ফার্স্ট হয়েছে তার প্রাইভেট মাস্টার-স্কুলের অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার কী অন্যায় করেছিলেন? –
- বেশি নম্বর দিয়েছিলেন
- প্রশ্নপত্র গোপন রাখেননি
- উত্তর বলে দিয়েছিলেন
- ভুল উত্তরে নম্বর দিয়েছিলেন
উত্তর – 2. প্রশ্নপত্র গোপন রাখেননি
চন্দ্রনাথের দাদা কেমন ধরনের মানুষ ছিলেন? –
- নির্বিরোধী
- নির্বিবাদী
- দুর্বল
- নিরুত্তাপ
উত্তর – 1. নির্বিরোধী
স্কুলের সেক্রেটারির ভাইপো চন্দ্রনাথের খাতা থেকে অঙ্ক টুকে ছিল –
- তিনটি
- পাঁচটি
- চারটি
- ছয়টি
উত্তর – 1. তিনটি
“তোমার বউদি বলত, আমি বিশ্বাস করিনি,” – বউদি কী বলত? –
- চন্দ্রনাথ খুব ভালো আছে
- চন্দ্রনাথ শান্ত হয়েছে
- চন্দ্রনাথ স্বাধীন হয়েছে
- চন্দ্রনাথ ভদ্র হয়েছে
উত্তর – 3. চন্দ্রনাথ স্বাধীন হয়েছে
“চন্দ্রনাথের দাদা নতশিরে নীরবে দাঁড়াইয়া রহিলেন।” – কেন? –
- তিনি লজ্জা পেয়েছিলেন
- তিনি তার অন্যায় বুঝেছিলেন
- তিনি ভাইয়ের কাছে ধরা পড়েছিলেন
- তিনি ভাইয়ের কাছে তেমন উত্তর আশা করেননি
উত্তর – 4. তিনি ভাইয়ের কাছে তেমন উত্তর আশা করেননি
“এমন ___ দৃষ্টি আমার জীবনে আমি খুব কমই দেখিয়াছি।” শূন্যস্থানে যে বিশেষণটি ব্যবহৃত হয়েছে তা হল –
- তাপ-উত্তাপহীন
- বুদ্ধিদীপ্ত
- মনে দাগ কাটা
- বুকে দাগ কাটা
উত্তর – 4. বুকে দাগ কাটা
“দাদা মুখ তুলিয়া সম্মুখের জানালার ভিতর দিয়া আখড়ার ___ দিকে চাহিলেন।” (শূন্যস্থান পূরণ করো) –
- নারকেল গাছ
- কদম গাছ
- তমাল গাছ
- তেলাকুচা গাছ
উত্তর – 3. তমাল গাছ
আখড়ার তমাল গাছে কাদের কোলাহল চলছিল? –
- পাখিদের
- ছেলেদের
- রাখালদের
- কাকেদের
উত্তর – 4. কাকেদের
“… সেই তেমনই একা চিন্তাকুল নেত্রে বসিয়া আছেন।” – কে? –
- হেড মাস্টারমশাই
- সেক্রেটারি মশাই
- চন্দ্রনাথ
- চন্দ্রনাথের দাদা
উত্তর – 1. হেড মাস্টারমশাই
“আমি একবার যাব নরেশ?” – কে, কোথায় যেতে চেয়েছিলেন? –
- অবিনাশবাবু হেডমাস্টারমশাইয়ের কাছে
- হেডমাস্টার চন্দ্রনাথের কাছে
- চন্দ্রনাথ সেক্রেটারির কাছে
- সেক্রেটারি অবিনাশবাবুর কাছে
উত্তর – 2. হেডমাস্টার চন্দ্রনাথের কাছে
“আমি বলিলাম, না স্যার, আপনি যাবেন না।” – কেন স্যারকে যেতে নিষেধ করা হল? –
- পথ অত্যন্ত দুর্গম
- সেক্রেটারি অসম্মান করতে পারেন
- চন্দ্রনাথ কথা না শুনতে পারে
- অবিনাশবাবু সিদ্ধান্ত না বদলাতে পারেন
উত্তর – 3. চন্দ্রনাথ কথা না শুনতে পারে
চন্দ্রনাথদের সম্পত্তি কী ছিল? –
- বিশাল জমিদারি
- দুটো দোকান ও বিঘে কয়েক জমি
- বসত বাড়ি, কয়েকটা দোকানঘর ও কিছু অলংকার
- বসত বাড়ি, বিঘে কয়েক জমি ও কিছু বাসন
উত্তর – 4. বসত বাড়ি, বিঘে কয়েক জমি ও কিছু বাসন
“…. তোমাকে তিনি একটা স্পেশাল প্রাইজ দেবেন।” – কে, কাকে স্পেশাল প্রাইজ দেবেন? –
- হেড মাস্টারমশাই হীরুকে
- সেক্রেটারি মশাই চন্দ্রনাথকে
- সেক্রেটারি মশাই হীরুকে
- হেড মাস্টারমশাই চন্দ্রনাথকে
উত্তর – 2. সেক্রেটারি মশাই চন্দ্রনাথকে
পরীক্ষার পর গল্পের কথক কোথায় গিয়েছিলেন? –
- মামার বাড়ি
- দেশের বাড়ি
- গুরুর আশ্রমে
- কলেজের হস্টেলে
উত্তর – 1. মামার বাড়ি
“… হীরুর পত্র পাইয়া কিন্তু অবাক হইয়া গেলাম,” – অবাক হওয়ার কারণ –
- হীরু পাস করেনি
- চন্দ্রনাথ পাস করেনি
- হীরুর অনুমান মিলে গেছে
- চন্দ্রনাথের অনুমান মিলে গেছে
উত্তর – 4. চন্দ্রনাথের অনুমান মিলে গেছে
“সে স্কলারশিপ্ পাইবে।” – কে স্কলারশিপ পাবে? –
- নরেশ
- চন্দ্রনাথ
- হীরু
- নরু
উত্তর – 3. হীরু
পরীক্ষায় গল্পের কথকের কেমন ফল হয়েছিল? –
- তৃতীয় বিভাগে কোনোরূপে পাস
- প্রথম বিভাগে পাস
- দ্বিতীয় বিভাগে পাস
- অকৃতকার্য
উত্তর – 1. তৃতীয় বিভাগে কোনোরূপে পাস
কথক কোন্ ট্রেনে মামার বাড়ি থেকে ফিরে আসেন? –
- বিকেল পাঁচটার ট্রেনে
- ভোর পাঁচটার ট্রেনে
- দুপুর একটার ট্রেনে
- রাতের ট্রেনে
উত্তর – 1. বিকেল পাঁচটার ট্রেনে
হীরুর বাড়ি প্রীতিভোজের আয়োজনের কারণ কী? –
- হীরু বিলেত যাবে
- হীরু বিবাহ করেছে
- হীরু স্কলারশিপ পাবে
- হীরু ডবল প্রমোশন পেয়েছে
উত্তর – 3. হীরু স্কলারশিপ পাবে
মামাবাড়ি থেকে ফিরে কথক প্রথমে কাদের বাড়ি যান? –
- হীরুর বাড়ি
- চন্দ্রনাথের বাড়ি
- অবিনাশের বাড়ি
- মাস্টারমশায়ের বাড়ি
উত্তর – 2. চন্দ্রনাথের বাড়ি
হীরুদের বাগান সাজানো হয়েছিল –
- রঙিন কাপড় দিয়ে
- বাহারি আলো দিয়ে
- বিভিন্ন ফুল দিয়ে
- চিনা লণ্ঠন ও রঙিন কাগজ দিয়ে
উত্তর – 4. চিনা লণ্ঠন ও রঙিন কাগজ দিয়ে
হীরুদের বাগান সাজিয়েছিল –
- হীরুর কাকা
- চন্দ্রনাথ
- নীরু
- নিশানাথ
উত্তর – 1. হীরুর কাকা
হীরু ছিল –
- মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান
- উচ্চবিত্ত ঘরের সন্তান
- নিম্নবিত্ত ঘরের সন্তান
- পূর্বোক্ত কোনোটিই নয়
উত্তর – 2. উচ্চবিত্ত ঘরের সন্তান
হীরুর বাড়ির অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্থানীয় বিশিষ্ট অতিথি উপস্থিত ছিলেন –
- দুইজন
- পাঁচজন
- চারজন
- তিনজন
উত্তর – 1. দুইজন
হীরুর কথা ভেবে আকাশের দিকে চাইলে কাকে কথকের মনে পড়ে? –
- কালপুরুষকে
- সপ্তর্ষিমণ্ডলকে
- চাঁদকে
- শুকতারাকে
উত্তর – 4. শুকতারাকে
“এখন থেকে আই. সি. এস. -এর জন্যে তৈরি হও।” – কে, কাকে, এ কথা বলেন? –
- হেড মাস্টারমশাই হীরুকে
- হীরুর কাকা হীরুকে
- হীরুর বাবা হীরুকে
- হীরুর মা হীরুকে
উত্তর – 2. হীরুর কাকা হীরুকে
“আই. সি. এস.” -এর পুরো অর্থ কী? –
- ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস
- ইন্ডিয়ান ক্যাটারিং সার্ভিস
- ইন্ডিয়ান সেন্টার অফ স্কলার
- ইন্ডিয়া অ্যান্ড সেন্ট্রাল সার্ভিস
উত্তর – 1. ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস
মাস্টারমশায় নরেশকে কোন্ কাজটা কম করে করতে বলেছিলেন? –
- খেলাধূলা
- সংগীতচর্চা
- সাহিত্যচর্চা
- রাজনীতি
উত্তর – 2. সংগীতচর্চা
কার লেখা খবরের কাগজে প্রকাশ হয়েছিল? –
- মাস্টারমশায়ের
- নরুর
- হীরুর
- চন্দ্রনাথের
উত্তর – 2. নরুর
চন্দ্রনাথ চলে যাওয়ার আগে কাকে চিঠি দিয়েছিল? –
- হীরুকে
- মাস্টারমশায়কে
- নীরুকে
- দাদা নিশিনাথকে
উত্তর – 1. হীরুকে
হীরুকে দেওয়া পত্রে চন্দ্রনাথ তাকে কী বলে সম্বোধন করেছে? –
- কল্যাণীয়
- মিত্রেষু
- প্রীতিভাজনেষু
- সুহৃদ্বয়েষু
উত্তর – 3. প্রীতিভাজনেষু
হীরুকে দেওয়া পত্রের সম্বোধনে চন্দ্রনাথ কোন্ শব্দ কেটে দিয়েছে? –
- কল্যাণীয়
- মিত্রেষু
- প্রীতিভাজনেষু
- প্রিয়বরেষু
উত্তর – 4. প্রিয়বরেষু
চন্দ্রনাথ হীরুর সফলতায় কী প্রকাশ করেছে? –
- কৃতজ্ঞতা
- আনন্দ
- শুভেচ্ছা
- হর্ষ
উত্তর – 2. আনন্দ
অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর
‘চন্দ্রনাথ’ গদ্যাংশটির উৎস গ্রন্থের নাম লেখো।
‘চন্দ্রনাথ’ গদ্যাংশটির উৎস গ্রন্থ হল তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘আগুন’ উপন্যাস।
‘চন্দ্রনাথ’ গল্পটির কথক কে? তার প্রকৃত নাম লেখো।
‘চন্দ্রনাথ’ গল্পটির কথক হল নরু। নরুর প্রকৃত নাম নরেশ।
নরু চন্দ্রনাথের সঙ্গে কীসের তুলনা করেছে?
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ‘চন্দ্রনাথ’ পাঠ্যাংশে নরু চন্দ্রনাথের সঙ্গে মধ্যরাতের গগনচারী কালপুরুষ নক্ষত্রমণ্ডলীর তুলনা করেছে।
কালপুরুষ নক্ষত্রের কোন্ আকৃতির সঙ্গে চন্দ্রনাথের সাদৃশ্য বর্তমান?
কালপুরুষ নক্ষত্রের ‘খাড়্গধারী ভীমকায়’ আকৃতির সঙ্গে চন্দ্রনাথের সাদৃশ্য বর্তমান।
“তবু সে চলিয়াছে” – কে চলছে?
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘চন্দ্রনাথ’ গল্পে চন্দ্রনাথ নিজের জীবনপথে অনেক অপ্রাপ্তি বয়ে নিয়ে চলছে।
চন্দ্রনাথের সহপাঠীরা কে কে?
চন্দ্রনাথের সহপাঠীরা হল গল্পকথক নরু ওরফে নরেশ, হীরু, অমিয়, শ্যামা প্রমুখ।
‘চন্দ্রনাথ’ শব্দটির অর্থ কী? ? চন্দ্রনাথের দাদার নাম কী ছিল?
‘চন্দ্রনাথ’ কথাটির অর্থ হল শিব। চন্দ্রনাথের দাদার নাম ছিল নিশানাথ।
অতীতের রূপ কেমন?
গল্পকথকের দৃষ্টিতে অতীতের রূপ অন্ধকার। কারণ সে তো আলো ভরা বর্তমানে ফিরতে পারে না।
“সে দেখা দিল।” – সে কে? সে কোথায় দেখা দিল?
‘সে’ হল কিশোর চন্দ্রনাথ। নরু অর্থাৎ গল্পকথকের অন্ধকার ঘরের মধ্যে স্মৃতির আলোয় চন্দ্রনাথ দেখা দিল।
চন্দ্রনাথের নাকের গড়ন ও বৈশিষ্ট্য কীরূপ ছিল?
চন্দ্রনাথের অদ্ভুত মোটা নাক ছিল। সামান্য চাঞ্চল্যেই তার নাসিকাপ্রান্ত স্ফীত হয়ে উঠত।
“চিন্তাকুল বিমর্ষ নেত্রে আমাকে বলিলেন” – কী বললেন?
চন্দ্রনাথের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নরুকে চিন্তাকুল হয়ে বললেন যে সে যেন চন্দ্রনাথের বক্তব্য জেনে আসে।
“দুর্দান্ত চন্দ্রনাথের আঘাতে সমস্ত স্কুলটা চঞ্চল, বিক্ষুব্ধ হইয়া উঠিয়াছে।” – চন্দ্রনাথের আঘাতের অস্ত্রটি কী ছিল?
চন্দ্রনাথের আঘাতের অস্ত্রটি ছিল অদ্বিতীয় – চন্দ্রনাথের দ্বিতীয় পুরস্কার গ্রহণ না করে স্কুলকে প্রেরিত প্রত্যাখ্যান পত্র।
“তাঁহার কথা অবহেলা করিতে পারিলাম না।” – বক্তা কে? তিনি কার কথা অবহেলা করতে পারলেন না?
বক্তা ‘চন্দ্রনাথ’ গল্পের কথক নরু। সে তার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কথা অবহেলা করতে পারল না।
“সে তাহার স্বভাব নয়।” – ‘তাহার’ বলতে কাকে বলা হয়েছে? কী তার স্বভাববিরুদ্ধ?
‘তাহার’ বলতে চন্দ্রনাথকে বলা হয়েছে। চন্দ্রনাথের ঘরে তার বন্ধুস্থানীয় বা কেউ উপস্থিত হলে তাকে অভ্যর্থনা করা তার স্বভাববিরুদ্ধ।
“আমি নিজেই বসিয়া প্রশ্ন করিলাম, কী লিখছিস?” – বক্তা এই প্রশ্নের কী উত্তর পায়?
বক্তা নরুর এই প্রশ্নের উত্তরে চন্দ্রনাথ জবাব দেয় যে, সে ইউনিভার্সিটির পরীক্ষার রেজাল্ট তৈরি করছে। কে কত নম্বর পাবে, তা হিসাব করছে।
“কাগজটায় চোখ বুলাইতেছিলাম।” – কে, কোন্ কাগজে চোখ বুলাচ্ছিল?
গল্পকথক নরেশ ওরফে নরু তার সহপাঠী চন্দ্রনাথের আনুপাতিক অঙ্কের ধারণায় নির্ণীত ইউনিভার্সিটির পরীক্ষার রেজাল্ট লেখা কাগজে চোখ বুলাচ্ছিল।
চন্দ্রনাথের অনুমানে সে নিজে কত পেলে নরু থার্ড ডিভিশনে পাস করবে?
চন্দ্রনাথের অনুমানে ইউনিভার্সিটির পরীক্ষায় সে যদি পাঁচশো-পঁচিশের কম পায় তবে নরু থার্ড ডিভিশনে পাস করবে।
“এই দাম্ভিকটা যেন ফেল হয়” – এই কামনা কে, কার উদ্দেশে করেছিল?
গল্পকথক নরু চন্দ্রনাথের উদ্দেশে এই কামনা করেছিল।
“পত্রখানার উপর দৃষ্টি বুলাইয়া চন্দ্রনাথ অসংকোচে বলিল” – কী বলল?
দাদা নিশানাথের হাতে স্কুলের দেওয়া পত্রটির উপর চোখ বুলিয়ে চন্দ্রনাথ বলল – ‘আমি সেকেন্ড প্রাইজ রিফিউজ করেছি।’
“এক মুহূর্ত স্তব্ধ থাকিয়া সে বলিল,” – কী বলল?
এক মুহূর্ত স্তব্ধ থেকে চন্দ্রনাথ তার দাদা নিশানাথকে বলেছিল সেকেন্ড প্রাইজ নেওয়াটা সে অসম্মানের বলে মনে করে।
“তোমার অক্ষমতার অপরাধ!” – বক্তা কে? কার প্রতি এই বাক্যবাণ?
বক্তা চন্দ্রনাথের দাদা নিশানাথ। তিনি তার জেদি ভাই চন্দ্রনাথের প্রতি এই বাক্যবাণ নিক্ষেপ করেন।
হীরু কে?
‘চন্দ্রনাথ’ গল্পে হীরু হল চন্দ্রনাথ ও নরুর সহপাঠী, এবং সে তাদের স্কুলের সেক্রেটারির ভাইপো। সে চন্দ্রনাথকে পিছনে ফেলে পরীক্ষায় প্রথম স্থান লাভ করে।
নিশানাথ কেমন প্রকৃতির মানুষ ছিলেন?
চন্দ্রনাথের দাদা নিশানাথ শান্ত ও নির্বিরোধী প্রকৃতির মানুষ ছিলেন।
চন্দ্রনাথের বয়ান অনুযায়ী হীরু কার সাহায্যে পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে?
চন্দ্রনাথের বয়ান অনুযায়ী হীরু স্কুলের অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার এবং চন্দ্রনাথের সাহায্যে পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে।
“অঙ্কের পরীক্ষার দিন সে আমায় মিনতি করলে,” – বক্তা কী করেছিল?
অঙ্কের পরীক্ষার দিন হীরু প্রশ্নে প্রদত্ত উক্তিটির বক্তা চন্দ্রনাথকে মিনতি করলে সে তাকে তিনটে অঙ্ক খাতা দেখে টুকতে দিয়েছিল।
“মাস্টার পূর্বে বলে দেওয়া সত্ত্বেও সে সময় তার মনে ছিল না।” – কোন্ সময়ের কথা বলা হয়েছে?
হীরুর অঙ্ক পরীক্ষার দিনের কথা এখানে বলা হয়েছে। পূর্বে বলা সত্ত্বেও সে অঙ্ক মনে ছিল না তার।
“আজ থেকে আমরা পৃথক।” – ‘আমরা’ কে কে?
‘চন্দ্রনাথ’ গল্পে উপরোক্ত বাক্যে ‘আমরা’ হল চন্দ্রনাথের দাদা নিশানাথ ও চন্দ্রনাথ স্বয়ং।
“না না, পৃথক হবে কেন?” – বক্তা কে? তিনি কাদের পৃথক হবার প্রসঙ্গে এই উক্তি করেন?
বক্তা চন্দ্রনাথের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহাশয়। তিনি চন্দ্রনাথ ও তার দাদা নিশানাথের পৃথক হবার প্রসঙ্গে এই উক্তি করেন।
“মনে মনে সংকল্পটা দৃঢ় করিতেছিলাম।” – কোন্ সংকল্প?
অকারণ জেদবশত হৃদয়হীন চন্দ্রনাথ যখন সত্যিই তার দাদাকে কষ্ট দিয়ে নিজেদের সম্পর্কের ইতি টানে, তখন তার সঙ্গে আর কোনো সংস্রব না রাখার সংকল্প করে নরু।
“সুতরাং যাওয়ার প্রয়োজন নেই আমার।” – কার, কোথায় যাওয়ার প্রয়োজন নেই?
‘চন্দ্রনাথ’ গল্পের চন্দ্রনাথ নরুকে জানায় যে তার স্কুলে আর যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সে সব আগাম মাইনেও মিটিয়ে দিয়ে এসেছে।
নরু ইউনিভার্সিটির পরীক্ষার ফল কীভাবে জানতে পারে?
নরুকে হীরু কলকাতা থেকে এক দীর্ঘ পত্র প্রেরণ করে ইউনিভার্সিটির পরীক্ষার ফল জানায়।
“কিন্তু একটি শুধু মেলে নাই” – কোনটি না মেলার কথা বলা হয়েছে?
ইউনিভার্সিটির পরীক্ষার ফলাফলে হীরু চন্দ্রনাথকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গেছে। অনুমান অনুযায়ী ফলাফল ঠিক এর বিপরীত হওয়ার কথা ছিল। এই অনুমানটি না মেলার কথা বলা হয়েছে।
নরু কখন হীরুর বাড়িতে প্রীতিভোজনের নিমন্ত্রণ পায়?
ইউনিভার্সিটির রেজাল্ট বের হওয়ার পর, বিকেলের ট্রেনে নরু মামার বাড়ি থেকে ফিরে আসে। তখনই সে হীরুর বাড়িতে প্রীতিভোজনের নিমন্ত্রণ পায়।
“নির্জন বাড়িখানা খাঁ খাঁ করিতেছিল।” – কার বাড়ি খাঁ খাঁ করছিল?
ইউনিভার্সিটির ফলাফলে আশাহত চন্দ্রনাথ গৃহত্যাগ করায় তার নির্জন বাড়িখানা খাঁ খাঁ করছিল।
উৎসবের দিন হীরুর বাড়ির আমবাগান কী দিয়ে সাজানো হয়েছিল?
উৎসবের দিন হীরুর বাড়ির আমবাগান চিনা লণ্ঠন ও রঙিন কাগজের মালা দিয়ে সাজানো হয়েছিল।
“তিনি নিজে সেদিন বাগানটাকে সাজাইয়াছিলেন।” – ‘তিনি’ কে?
এখানে ‘তিনি’ হলেন হীরুর কাকা। যিনি শৌখিন ধনীসন্তান হিসেবে জেলায় বিখ্যাত ছিলেন।
হীরুর কাকা হীরুকে কোন্ পরীক্ষার জন্য এখন থেকে প্রস্তুত হতে বলেন?
হীরুর কাকা হীরুকে আই সি এস পরীক্ষার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিতে বলেন।
হীরুর কী সাধ? কার কাছে এ সাধের কথা বলে?
হীরুর বিলেতে যাওয়ার খুব সাধ। হীরু তার সহপাঠী নরুর কাছে এ সাধের কথা বলে।
“একটা দিন থেকে গেলে কী হতো?” – বক্তা কে? কার থেকে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে?
বক্তা হল চন্দ্রনাথের সহপাঠী হীরু। এখানে না বলে চলে যাওয়া চন্দ্রনাথের থেকে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
“আজই এলে নরেশ?” – বক্তা কে? তিনি নরেশকে কোথা থেকে আসার কথা বলেছেন?
বক্তা হলেন নরেশের স্কুলের প্রধান শিক্ষক মহাশয়। নরেশের মামার বাড়ি থেকে আসার কথা বলেছেন।
“Shame in crowd but solitary pride” – হওয়াই উচিত কোন্ বস্তু?
“Shame in crowd but solitary pride” – হওয়াই উচিত সাহিত্যচর্চা বিষয়টি। হীরুর প্রধান শিক্ষকের এই মন্তব্য।
“চিঠিখানা দেখিলাম,” – বক্তা কে? সে কার চিঠি দেখল?
বক্তা ‘চন্দ্রনাথ’ গল্পের কথক নরু। সে হীরুর উদ্দেশে লেখা চন্দ্রনাথের চিঠিটি দেখল।
হীরুকে দেওয়া চিঠিতে চন্দ্রনাথ কোন্ জায়গাটির সংশোধন করেছিল?
হীরুকে অভিনন্দন জানিয়ে লেখা চিঠিতে চন্দ্রনাথ ‘প্রিয়বরেষু’ পদটি কেটে ‘প্রীতিভাজনেষু’ লিখেছিল।
“উত্তর দিয়াছিলাম, জানি না।” – কী না জানার কথা বলা হয়েছে?
হীরু যখন চন্দ্রনাথের ভবিষ্যৎ চিন্তায় ব্যাকুল হয়ে সে কোথায় গেল, কী করবে এ জাতীয় প্রশ্ন নরুকে করে, তখন সে এই কথা বলে।
কোথা থেকে কী ভাবতে ভাবতে কথক বাড়ি ফিরেছিলেন?
সারকুলার রোডের সমাধিক্ষেত্র থেকে বের হয়ে চন্দ্রনাথের কথা ভাবতে ভাবতে কথক বাড়ি ফিরেছিলেন।
কথকের জীবনে চন্দ্রনাথের স্মৃতি কীরূপ ছিল?
কথকের জীবনে চন্দ্রনাথ গভীর রাত্রির আকাশে উপস্থিত কালপুরুষ নক্ষত্রের মতো ভাস্বর ও প্রদীপ্ত হয়ে ছিল।
কথক নরু চন্দ্রনাথের সঙ্গে কার তুলনা করেছিলেন?
কথক নরু চন্দ্রনাথের সঙ্গে কালপুরুষ নক্ষত্রের তুলনা করেছিলেন।
চন্দ্রনাথের সঙ্গে কালপুরুষ নক্ষত্রের কী সাদৃশ্য লেখক খুঁজে পেয়েছিলেন?
চন্দ্রনাথের আকৃতির সঙ্গে লেখক কালপুরুষ নক্ষত্রের খড়্গধারী বিশালকায় আকৃতির সাদৃশ্য খুঁজে পেয়েছিলেন।
বলিতে পারি না – কার কী বলতে না পারার কথা বলা হয়েছে?
গল্পের কথক এবং তাঁর সহপাঠী চন্দ্রনাথ, হীরু কীভাবে একই সময়ে ছোটো এক গ্রামের মধ্যে এসে পড়েছিলেন তা কথক বলতে পারবেন না।
আমার দিকে চিন্তাকুল নেত্রে চাহিয়া বসিয়া আছে। — কে, কার দিকে তাকিয়ে বসে আছে?
গল্পকথক দেখেছিলেন যে সামনের দেয়ালে বড়ো আয়নাটির মধ্যে তাঁরই প্রতিবিম্ব তাঁর দিকে তাকিয়ে বসে আছে।
চন্দ্রনাথের ললাটে কোন্ চিহ্ন আত্মপ্রকাশ করেছিল?
চন্দ্রনাথের ললাটের মধ্যখানে শিরায় রচিত এক ত্রিশূল চিহ্ন আত্মপ্রকাশ করেছিল।
চন্দ্রনাথের কপালে ত্রিশূল চিহ্ন কখন দেখা যায়?
চন্দ্রনাথ সামান্য উত্তেজিত হলেই রক্তের চাপ বেড়ে গিয়ে প্রবল হয়ে তার কপালের শিরা ফুলে উঠে ত্রিশূল চিহ্ন দেখা যায়।
চন্দ্রনাথ গল্পে হেডমাস্টার দেখতে কেমন ছিলেন?
চন্দ্রনাথ গল্পে হেডমাস্টারমশাই ছিলেন শীর্ণ, দীর্ঘকায়, শান্ত প্রকৃতির মানুষ।
হেডমাস্টার মহাশয় কোথায় বসে থাকতেন?
স্কুলের বোর্ডিংয়ের ফটকের সামনে চেয়ার-বেঞ্চের আসন পেতে হেডমাস্টার মহাশয় বসে থাকতেন।
চন্দ্রনাথ পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছিল কেন?
সারাজীবন সব পরীক্ষায় প্রথম হওয়া চন্দ্রনাথ স্কুলের একটি পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়ে দ্বিতীয় পুরস্কার গ্রহণ করবে না বলে তা প্রত্যাখ্যান করেছিল।
চন্দ্রনাথ কোন্ ঘটনা প্রসঙ্গে ‘বিনিথ মাই ডিগ্নিটি’ কথাটি বলেছে?
চন্দ্রনাথ স্কুলের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সেকেন্ড প্রাইজ অর্থাৎ দ্বিতীয় পুরস্কার নেওয়াকে ‘বিনিথ মাই ডিগ্নিটি’ বলেছে।
চন্দ্রনাথের দাদা কেমন ধরনের মানুষ ছিলেন?
চন্দ্রনাথের দাদা নিশানাথবাবু ছিলেন নির্বিরোধী, শান্ত প্রকৃতির মানুষ।
চন্দ্রনাথ পরীক্ষার সময় হীরুকে কীভাবে সাহায্য করেছিল?
চন্দ্রনাথ পরীক্ষার সময় হীরুকে তিনটে অঙ্ক তার খাতা থেকে টুকতে দিয়ে সাহায্য করেছিল।
চন্দ্রনাথের দাদা চন্দ্রনাথকে কী নির্দেশ দিয়েছিলেন?
চন্দ্রনাথের দাদা তাকে হেডমাস্টারমশাইয়ের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের চিঠি ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
তোমার বউদি বলত – বউদি কী বলতেন?
চন্দ্রনাথের বউদি তার দাদা নিশানাথবাবুকে বলতেন যে চন্দ্রনাথ অত্যন্ত স্বাধীনচেতা হয়ে উঠেছে।
চন্দ্রনাথের দাদাকে নতশিরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে কথক কী ভেবেছিলেন?
চন্দ্রনাথের দাদাকে নতশিরে দাঁড়াতে দেখে কথক ভেবেছিলেন যে চন্দ্রনাথের ব্যবহারে ব্যথিত ভদ্রলোক আত্মসংবরণের প্রবল চেষ্টা করছেন।
বোর্ডিং-এ আসিয়া মাস্টারমহাশয়কে সংবাদটা দিতে গিয়া দেখিলাম — কী দেখার কথা বলা হয়েছে?
কথক বোর্ডিং-এ ফিরে এসে মাস্টারমহাশয়কে তখনও চিন্তিতভাবে ফটকের সামনে বসে থাকতে দেখেছিলেন।
কথক মাস্টার মহাশয়কে চন্দ্রনাথের কাছে যেতে নিষেধ করেছিলেন কেন?
চন্দ্রনাথ যদি মাস্টারমশাইয়ের কথা না শোনে, তাই কথক মাস্টারমশাইকে তার কাছে যেতে নিষেধ করেছিলেন।
“এ ভালোই হলো।” — কীসের কথা বলা হয়েছে?
প্রশ্নোদ্ধৃত অংশে দাদার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ায় চন্দ্রনাথ সম্পত্তি ভাগ হয়ে যাওয়ার কথা বলেছে।
“বোধ হয় সেদিন সে সময়ে ভাবিয়াছিলাম” — কী ভেবেছিলেন?
চন্দ্রনাথ তার দাদার সঙ্গে পৃথক হওয়াকে ভালো হয়েছে বলায় কথক ভেবেছিলেন তার সঙ্গে সম্পর্ক রাখবেন না।
হীরু চন্দ্রনাথের কাছে কী প্রস্তাব নিয়ে এসেছিল?
হীরু চন্দ্রনাথের কাছে তার কাকা অর্থাৎ স্কুল সম্পাদকের চন্দ্রনাথকে বিশেষ পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে এসেছিল।
“একটা স্পেশাল প্রাইজ দেবেন” – কে কাকে প্রাইজ দেবেন?
হীরুর কাকা অর্থাৎ স্কুলের সেক্রেটারি চন্দ্রনাথকে প্রাইজ দেবেন বলেছিলেন।
স্কুলের সেক্রেটারির ভাইপোর নাম কী ছিল?
স্কুলের সেক্রেটারির ভাইপোর নাম ছিল হীরু।
স্কুলের সঙ্গে চন্দ্রনাথ কীভাবে সব সম্পর্ক মিটিয়ে দিয়েছিল?
দু-তিন মাসের মাইনে বাড়তি দিয়ে সব দেনাপাওনা মিটিয়ে চন্দ্রনাথ স্কুলের সঙ্গে সব সম্পর্ক শেষ করে দিয়েছিল।
“বাড়ির পাশের আমবাগানটার সে শোভা আজও আমার মনে আছে।” — এই শোভা কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?
চিনা লণ্ঠন আর রঙিন কাগজের মালার বিন্যাসে হীরুর বাড়ির পাশের আমবাগানের শোভা তৈরি হয়েছিল।
“Shame in crowd but solitary pride” — কথাটির অর্থ কী?
কথাটির অর্থ হল “বহু মানুষের মধ্যে যা লজ্জার, একান্তে তা-ই গর্বের।”
চন্দ্রনাথ গ্রাম ত্যাগ করার সময় কাকে কী বিষয়ে চিঠি লিখে গিয়েছিল?
হীরু স্কলারশিপ পাওয়ায় তার বাড়িতে যে উৎসব চলছিল তা নিয়ে গ্রাম ত্যাগ করার সময়ে চন্দ্রনাথ হীরুকে চিঠি লিখেছিল।
চন্দ্রনাথ তার চিঠিতে হীরুকে কী সম্বোধন করেছিল?
চন্দ্রনাথ তার চিঠিতে হীরুকে প্রথমে “প্রিয়বরেষু” লিখলেও পরে সেটি কেটে “প্রীতিভাজনেষু” লিখেছিল।
“এইটেই আমার কাছে তার স্মৃতিচিহ্ন।” — কোন্ স্মৃতিচিহ্ন?
হীরুর উদ্দেশ্যে চন্দ্রনাথের লেখা চিঠিটিই ছিল হীরুর কাছে চন্দ্রনাথের স্মৃতিচিহ্ন।
নরেশ চন্দ্রনাথের চলে যাওয়া সম্পর্কে কী কল্পনা করেছিল?
নরেশ কল্পনা করেছিল যে, কিশোর চন্দ্রনাথ কাঁধে লাঠির প্রান্তে পোঁটলা বেঁধে জনহীন পথে একলা চলেছে। মাথার উপরে নীল আকাশে ছায়াপথ, পাশে কালপুরুষ নক্ষত্র সঙ্গে সঙ্গে চলেছে।
কালপুরুষ নক্ষত্র কোথায় কার সঙ্গে চলেছে?
গল্পকথকের কল্পনায় রাতের জনহীন পথে কিশোর চন্দ্রনাথের সঙ্গে সঙ্গে কালপুরুষ নক্ষত্র চলেছে।
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা নবম শ্রেণীর বাংলা বিষয়ের ষষ্ঠ পাঠের তৃতীয় অধ্যায়, ‘চন্দ্রনাথ’ -এর কিছু অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নোত্তরগুলো নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নবম শ্রেণীর বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে এসেছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।
মন্তব্য করুন