এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোজোমের প্রকারভেদগুলি চিত্রসহ বর্ণনা করো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “কোশ বিভাজন এবং কোশচক্র” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোজোমের প্রকারভেদগুলি চিত্রসহ বর্ণনা করো।
ক্রোমোজোমের প্রকারভেদ –
সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোজোমকে চার ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন –
- মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম – সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান ক্রোমোজোমের ঠিক মাঝখানে হলে, তাকে মেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম বলে। এক্ষেত্রে ক্রোমোজোমের বাহু দুটি পরস্পর সমান হয়। অ্যানাফেজ চলনের সময় একে ‘V’ আকৃতির মতো দেখায়।
- সাবমেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম – এক্ষেত্রে সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান ক্রোমোজোমের মাঝখান থেকে কিছুটা পাশে অবস্থান করে, ফলে ক্রোমোজোমের বাহু দুটি সামান্য ছোটো-বড়ো হয়। অ্যানাফেজ চলনের সময় সাবমেটাসেন্ট্রিক ক্রোমোজোমকে ইংরেজি ‘L’ অক্ষরের মতো দেখায়।
- অ্যাক্রোসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম – সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান ক্রোমোজোমের যে-কোনো প্রান্তের কাছাকাছি হলে একটি বাহু খুব লম্বা এবং অপর বাহু খুব ছোটো হয়। এরকম ক্রোমোজোমকে অ্যাক্রোসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম বলে। অ্যানাফেজ চলনের সময় একে ইংরেজি ‘J’ অক্ষরের মতো দেখায়।
- টেলোসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম – সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান ক্রোমোজোমের ঠিক প্রান্তে বা একেবারে শীর্ষে হলে, তাকে টেলোসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম বলে। এক্ষেত্রে ক্রোমাজোমটির একটিই বাহু আছে বলে মনে হয়। অ্যানাফেজ চলনের সময় একে ইংরেজি ‘I’ অক্ষরের মতো দেখায়।

মানুষের দুটি যৌন ক্রোমোজোমের মধ্যে ‘X’ ক্রোমোজোমটি মেটাসেন্ট্রিক, আকারে বড়ো। কিন্তু ‘Y’ ক্রোমোজোমটি অ্যাক্রোসেন্ট্রিক, আকারে অনেক ছোটো।
বর্তমানে বিজ্ঞানীরা মনে করেন, টেলোসেন্ট্রিক ক্রোমোজোম বলে কিছু নেই। কারণ, সেন্ট্রোমিয়ারের একদিক যতই ক্ষুদ্র হোক-না-কেন, তার অপর একটি বাহু অবশ্যই থাকে।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোজোমের প্রকারভেদগুলি চিত্রসহ বর্ণনা করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের দ্বিতীয় অধ্যায় “জীবনের প্রবহমানতা” -এর “কোশ বিভাজন এবং কোশচক্র অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment