এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব, “অপু যেখানে মাছ ধরতে যেত, সেই স্থানটির পরিবেশের পরিচয় দাও। এই প্রসঙ্গে মাছ ধরতে গিয়ে অপু কী করত তা লেখো।” — এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অপু যেখানে মাছ ধরতে যেত, সেই স্থানটির পরিবেশের পরিচয় দাও। এই প্রসঙ্গে মাছ ধরতে গিয়ে অপু কী করত তা লেখো।
সোনাডাঙা মাঠের নীচে ইছামতীর ধারে খালের মুখে একটি ছাতিম গাছের তলায় অপু মাছ ধরতে বসে। স্থানটি খুব নির্জন, দুই ধারে নদীর পাড়ে নানা গাছপালা নদীর জলে ঝুঁকে পড়েছে। ওপারে ঘন সবুজ উলুবন, মাঝে মাঝে লতাদোলানো কদম-শিমুল গাছ, বেগুনি রঙের বনকলমি ফুলে ছাওয়া ঝোপ, দূরে মাধবপুর গ্রামের বাঁশবন। পাখির ডাকে, বনের ছায়ায়, উলুবনের শ্যামলতায় স্নিগ্ধতা বিরাজমান—এমনই মনোরম ছিল অপুর মাছ শিকারের স্থানটি।
বেশিক্ষণ একস্থানে বসে থাকতে পারে না অপু। তাই ছিপ জলে ফেলে সে এদিক-ওদিক ছটফট করে বেড়ায়, ঝোপের মধ্যে পাখির বাসা খুঁজে ফেরে, ফিরে এসে দেখে ফাতনা একটু একটু ঠোকরাচ্ছে। একেক দিন সে একখানা বই নিয়ে আসে এবং ছিপ ফেলে বই খুলে বসে। সুরেশদার কাছ থেকে ছবিওয়ালা ইংরেজি বই ও তার অর্থপুস্তক চেয়ে নিয়েছে সে। দূর দেশের কথা, মহত্ত্বের কাহিনি, ভ্রমণ বিষয়ক নানা রচনা সে মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়ে আর মনে মনে কল্পনার জাল বোনে। মাছ ধরতে গিয়ে অপু এমনই আচরণ করে।
এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণীর বাংলা পাঠ্যবইয়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, “অপু যেখানে মাছ ধরতে যেত, সেই স্থানটির পরিবেশের পরিচয় দাও। এই প্রসঙ্গে মাছ ধরতে গিয়ে অপু কী করত তা লেখো।” — নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি স্কুল স্তরের বাংলা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আশা করি, এই নিবন্ধটি আপনাদের জন্য সহায়ক হয়েছে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন থাকে বা আরও সাহায্যের প্রয়োজন হয়, টেলিগ্রামে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। এছাড়াও, আপনার বন্ধুদের সঙ্গে এই পোস্টটি শেয়ার করতে ভুলবেন না, যাতে তারাও এর থেকে উপকৃত হতে পারে। ধন্যবাদ!





Leave a Comment