আজকে আমরা আমাদের আর্টিকেলে দেখবো যে অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ কি? অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ বদ্বীপ অঞ্চলে দেখা যায় কেন? এই দুটি প্রশ্ন দশম শ্রেণীর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও দুটি প্রশ্ন আপনি পরীক্ষার জন্য তৈরী করে গেলে আপনি লিখে আস্তে পারবেন।
নদী তো জানো, সবসময় বয়ে চলে। কখনো এদিক, কখনো সেদিক। নদী যখন বহু বছর ধরে বয়ে চলে, তখন নদীর ধারে নানা রকমের আকৃতি তৈরি হয়। এর মধ্যে একটা আকৃতি দেখতে অনেকটা ঘোড়ার খুরের মতো। তাই একে বলা হয় অশ্বখুরাকৃতি হ্রদ।
নদী যখন দীর্ঘদিন ধরে একই পথে বয়ে চলে, তখন নদীর ধারে অনেক পলি জমা হয়। এই পলির কারণে নদীর ধারা ক্রমশ সরু হতে থাকে। এক সময় নদীর ধারার দুটি বাঁক একে অপরের এত কাছে চলে আসে যে নদী পুরোনো খাদ ছেড়ে নতুন খাদে প্রবাহিত হতে শুরু করে। পুরোনো খাদটি তখন জলে ভরে ঘোড়ার খুরের মতো আকৃতি ধারণ করে।


অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ বদ্বীপ অঞ্চলে দেখা যায় কেন?
অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ বদ্বীপ অঞ্চলে দেখা যায়, কারণ —
আঁকাবাঁকা নদীবাঁক – দ্বীপ অংশে ভূমিঢালের পরিসর একেবারেই কমে যায়, তাই নদী সামান্য বাধা পেলে এঁকেবেঁকে প্রবাহিত হয়।
নদীবাঁকে ক্ষয় – বাঁকাপথে নদীর জল কুণ্ডলীর আকারে এগিয়ে যায়। সেজন্য অবতল পাড়ে ক্ষয় এবং উত্তল পাড়ে সঞ্চয় হয়।
নদীবাঁকের বিস্তার – ক্ষয় এবং সঞ্চয়ের জন্য নদীবাঁকের অংশ বাড়তে থাকে।
অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ গঠন – বাঁক আরও বেড়ে গেলে দুটি বাঁক পরস্পরের কাছে এগিয়ে এলে দুটি বাঁক জোড়া লেগে যায় এবং একসময় মূলনদী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অশ্বক্ষুরাকৃতি হ্রদ গঠন করে।





মন্তব্য করুন