এখনই আমাদের Telegram Community গ্রুপে যোগ দিন। এখানে WBBSE বোর্ডের পঞ্চম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির যেকোনো বিষয়ভিত্তিক সমস্যা শেয়ার করতে পারেন এবং একে অপরের সাহায্য করতে পারবেন। এছাড়া, কোনও সমস্যা হলে আমাদের শিক্ষকরা তা সমাধান করে দেবেন।

Telegram Logo Join Our Telegram Community

কন্যা ইন্দিরাকে লেখা পিতা জওহরলাল নেহরুর চিঠিগুলির বিষয়বস্তু কী? ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ‘জীবনের ঝরাপাতা’-র গুরুত্ব লেখো।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “কন্যা ইন্দিরাকে লেখা পিতা জওহরলাল নেহরুর চিঠিগুলির বিষয়বস্তু কী? ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ‘জীবনের ঝরাপাতা’-র গুরুত্ব লেখো। নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “কন্যা ইন্দিরাকে লেখা পিতা জওহরলাল নেহরুর চিঠিগুলির বিষয়বস্তু কী? ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ‘জীবনের ঝরাপাতা’-র গুরুত্ব লেখো।“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের প্রথম অধ্যায় “ইতিহাসের ধারণা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

কন্যা ইন্দিরাকে লেখা পিতা জওহরলাল নেহরুর চিঠিগুলির বিষয়বস্তু কী? ইতিহাসের উপাদান হিসেবে 'জীবনের ঝরাপাতা' -র গুরুত্ব লেখো।
Contents Show

কন্যা ইন্দিরাকে লেখা পিতা জওহরলাল নেহরুর চিঠিগুলির বিষয়বস্তু কী?

অথবা, কন্যা ইন্দিরাকে লেখা পিতা জওহরলাল নেহরুর চিঠিগুলি ইতিহাস রচনায় তা গুরুত্বপূর্ণ কেন?

পত্রসাহিত্যে বিশ্ব ইতিহাসের এক অনন্য নজির কন্যা ইন্দিরাকে লেখা পিতা জওহরলাল নেহরুর চিঠিগুলি – ‘Letters From A Father to His Daughter’! কেবলমাত্র ব্যক্তিগত স্তরে আবদ্ধ না থেকে চিঠিগুলি ‘দেশ-কাল-সীমানার গণ্ডী’ অতিক্রম করে ইতিহাস শিক্ষার্থীর অন্যতম সহায়ক পুস্তকে পরিণত হয়েছে। এই পত্র সংকলনে তিনি পৃথিবীর উৎপত্তি, প্রাণের সঞ্চার, জীবের বিবর্তন, মানুষের আবির্ভাব, প্রাচীন প্রস্তর যুগে মানুষের জীবনযাত্রা, ভাষা-লিপি-শিল্প-সংস্কৃতির উদ্ভব, আগুনের আবিষ্কার, ভারতে আর্যদের আগমন, সভ্যতার প্রসার, নগর সৃষ্টি, ব্যাবসাবাণিজ্য-সমুদ্রযাত্রা নিয়ে সহজ সাবলীল আলোচনা করেছেন।

ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ‘জীবনের ঝরাপাতা’ -র গুরুত্ব লেখো।

ভূমিকা – সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাগনি সরলা দেবী চৌধুরানির লেখা ‘জীবনের ঝরাপাতা’ বাংলা সাহিত্যের একটি মূল্যবান ও সুখপাঠ্য আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা। এটি আধুনিক ভারতের ইতিহাস রচনায় বিভিন্নভাবে তথ্য সরবরাহ করে।

  • বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ড – সরলা দেবী চৌধুরানি ভারতের ব্রিটিশ-বিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনকে সমর্থন করেছেন। তিনি সহিংস বিপ্লবের দ্বারা ভারতের স্বাধীনতা অর্জনেরও স্বপ্ন দেখতেন। ‘জীবনের ঝরাপাতা’র ছত্রে ছত্রে ভারতের সশস্ত্র বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নানা তথ্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তিনি নিজেও যে এই ধরনের সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তা ‘জীবনের ঝরাপাতা’ থেকে জানা যায়।
  • অর্থনৈতিক শোষণ – ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতে অর্থনৈতিক শোষণের নানা ছবি ‘জীবনের ঝরাপাতা’ গ্রন্থে আলোচিত হয়েছে। নীলচাষি, চা বাগানের কুলি ও শ্রমিক, সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ কীভাবে ব্রিটিশ এবং তাদের সহযোগীদের অত্যাচার ও শোষণের শিকার হয়েছিল তা সরলা দেবী চৌধুরানি তাঁর গ্রন্থে স্পষ্টভাবে আলোচনা করেছেন।
  • ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহল – ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহলের বিভিন্ন ঘটনা। যেমন – ঠাকুরবাড়ির সাংস্কৃতিক চর্চা, ঈশ্বরভাবনা, বিভিন্ন সামাজিক বিধান পালন, শিশুদের একসঙ্গে বাড়তে থাকা প্রভৃতি নানা ঘটনার খণ্ডচিত্র ‘জীবনের ঝরাপাতা’-য় উঠে এসেছে। এগুলি আধুনিক বাংলার সামাজিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
  • স্বদেশি আন্দোলন – 1905 খ্রিস্টাব্দের স্বদেশি আন্দোলন সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য ‘জীবনের ঝরাপাতা’য় পাওয়া যায়। স্বদেশি আন্দোলনের যুগে স্বদেশি পণ্যের উৎপাদন ও প্রচারের উদ্দেশ্যে তিনি ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করেন।
  • রবীন্দ্রনাথ ও স্বামী বিবেকানন্দ – সরলা দেবী চৌধুরানি সেযুগের দুই মনীষী রবীন্দ্রনাথ ও স্বামী বিবেকানন্দের মধ্যে যোগসূত্র ছিলেন। এই দুই মনীষীর প্রতি সরলা দেবীর কেমন দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যায়ন ছিল তা বই থেকে জানা যায়।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

জীবনের ঝরাপাতা কী ধরনের বই?

জীবনের ঝরাপাতা – হল সরলা দেবী চৌধুরানির লেখা একটি আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি মূল্যবান গ্রন্থ, যা আধুনিক ভারতের ইতিহাস রচনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।

সরলা দেবী চৌধুরানি কে ছিলেন?

সরলা দেবী চৌধুরানি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাগনি এবং একজন সমাজ সংস্কারক, লেখিকা ও বিপ্লবী কর্মী। তিনি ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

জীবনের ঝরাপাতা বইটি ইতিহাসের উপাদান হিসেবে কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ?

এই বইটি ব্রিটিশ শাসনকালের ভারতের সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন, অর্থনৈতিক শোষণ, ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহলের জীবনযাত্রা, স্বদেশি আন্দোলন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও স্বামী বিবেকানন্দের মতো ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য প্রদান করে।

বইটিতে ঠাকুরবাড়ির অন্দরমহলের কী কী আলোচনা করা হয়েছে?

বইটিতে ঠাকুরবাড়ির সাংস্কৃতিক চর্চা, ঈশ্বরভাবনা, সামাজিক বিধান, শিশুদের লালন-পালন এবং পারিবারিক জীবনযাত্রার বিভিন্ন দিক আলোচিত হয়েছে।

সরলা দেবী চৌধুরানি স্বদেশি আন্দোলনে কী ভূমিকা পালন করেছিলেন?

তিনি স্বদেশি আন্দোলনের সময় “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার” নামে একটি প্রতিষ্ঠান গঠন করেন, যা স্বদেশি পণ্যের উৎপাদন ও প্রচারে সাহায্য করেছিল।

বইটিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও স্বামী বিবেকানন্দ সম্পর্কে কী আলোচনা করা হয়েছে?

বইটিতে সরলা দেবী চৌধুরানির রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি এবং তাদের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আলোচিত হয়েছে।

Letters From A Father to His Daughter – কী ধরনের বই?

এটি জওহরলাল নেহরুর কন্যা ইন্দিরা গান্ধীকে লেখা চিঠির সংকলন। এই চিঠিগুলিতে পৃথিবীর ইতিহাস, বিজ্ঞান, সংস্কৃতি এবং মানব সভ্যতার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

Letters From A Father to His Daughterএই চিঠিগুলি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

চিঠিগুলি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত নয়, বরং ইতিহাস, বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির শিক্ষামূলক বিষয়বস্তু ধারণ করে। এটি ইতিহাস শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।

কন্যা ইন্দিরাকে লেখা পিতা জওহরলাল নেহরুর চিঠিগুলিতে কী কী বিষয় আলোচিত হয়েছে?

চিঠিগুলিতে পৃথিবীর উৎপত্তি, প্রাণের সঞ্চার, জীবের বিবর্তন, মানুষের আবির্ভাব, প্রাচীন যুগের জীবনযাত্রা, ভাষা-লিপি-শিল্প-সংস্কৃতির উদ্ভব, আগুনের আবিষ্কার, ভারতে আর্যদের আগমন, সভ্যতার প্রসার, নগর সৃষ্টি এবং সমুদ্রযাত্রা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “কন্যা ইন্দিরাকে লেখা পিতা জওহরলাল নেহরুর চিঠিগুলির বিষয়বস্তু কী? ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ‘জীবনের ঝরাপাতা’-র গুরুত্ব লেখো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “কন্যা ইন্দিরাকে লেখা পিতা জওহরলাল নেহরুর চিঠিগুলির বিষয়বস্তু কী? ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ‘জীবনের ঝরাপাতা’-র গুরুত্ব লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের প্রথম অধ্যায় “ইতিহাসের ধারণা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়া, নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।

Share via:

মন্তব্য করুন