এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “বার্খান বালিয়াড়ি কাকে বলে? বার্খান বালিয়াড়ির উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “বার্খান বালিয়াড়ি কাকে বলে? বার্খান বালিয়াড়ির উৎপত্তি ও বৈশিষ্ট্য” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের প্রথম অধ্যায় “বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তার দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – বায়ুর বিভিন্ন কাজ ও তাদের দ্বারা সংশ্লিষ্ট ভূমিরূপ” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

বার্খান বালিয়াড়ি সম্পর্কে টীকা লেখো।
সংজ্ঞা –
বায়ুর গতিপথের সঙ্গে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত অর্ধচন্দ্রাকৃতি বালিয়াড়িকে বার্খান বলে। ‘বার্খান’ কথার অর্থ বালির পাহাড়।
উৎপত্তি –
বায়ুপ্রবাহের সমান্তরালে ও তির্যক বালিয়াড়ির পাশ বরাবর যদি ছোটো ছোটো ঘূর্ণির সৃষ্টি হয় তাহলে তির্যক বালিয়াড়ির প্রান্তভাগ বেঁকে বার্খান গঠন করে।

বৈশিষ্ট্য –
- বার্খান -এর গড় উচ্চতা প্রায় 10 মিটার হলে প্রস্থ প্রায় 50-60 মিটার হয়।
- বার্খানের দুপাশে অর্ধচন্দ্রাকারে দুটি শিং -এর মতো শিরা দেখা যায়।
- এই বালিয়াড়ি সর্বাধিক বছরে 50 মিটার পর্যন্ত স্থানান্তরিত হতে পারে।
- এর বায়ুমুখী উত্তল ঢাল দীর্ঘ ও মৃদু এবং বিপরীত দিকের অবতল ঢাল অপেক্ষাকৃত খাড়া হয়।
উদাহরণ – সাহারা, কালাহারি, থর মরুভূমিতে প্রচুর সংখ্যায় বার্খান দেখা যায়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “বার্খান বালিয়াড়ি টীকা লেখো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “বার্খান বালিয়াড়ি টীকা লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের প্রথম অধ্যায় “বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তার দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ – বায়ুর বিভিন্ন কাজ ও তাদের দ্বারা সংশ্লিষ্ট ভূমিরূপ” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়া, নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।





মন্তব্য করুন