এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “বায়ুমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব লেখো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “বায়ুমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – বায়ুমণ্ডলের ধারণা ও উপাদান” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

বায়ুমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব লেখো।
বায়ুমণ্ডল –
ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বে যে অদৃশ্য গ্যাসের আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে।
বৈশিষ্ট্য –
- বায়ুমণ্ডল একটি মিশ্র গ্যাসীয় পদার্থ।
- ভূপৃষ্ঠ থেকে ঊর্ধ্বাকাশের দিকে বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব হ্রাস পায়।
- উষ্ণতার হ্রাসবৃদ্ধির ফলে বায়ুমণ্ডলের আয়তনের হ্রাসবৃদ্ধি ঘটে।
- অধিক ঘনত্বপূর্ণ বায়ুর চাপ বেশি এবং কম ঘনত্বপূর্ণ বায়ুর চাপ কম হয়।
বায়ুমণ্ডলের গুরুত্ব –
বায়ুমণ্ডলের গুরুত্ব আমরা বিভিন্নভাবে লক্ষ করে থাকি। যেমন –
- বায়ুমণ্ডল প্রাণীজগতের শ্বাসকার্যের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহ করে।
- বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড সংগ্রহ করে গাছ সালোকসংশ্লেষ করে থাকে।
- বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর সূর্যের বিভিন্ন ক্ষতিকারক রশ্মি শোষণ করে জীবজগৎকে ওই ক্ষতিকারক রশ্মির প্রভাব থেকে রক্ষা করে।
- বায়ুমণ্ডলের আয়নোস্ফিয়ারের প্রভাবে বেতার তরঙ্গ পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে আদানপ্রদান করা সম্ভব হয়।
- বায়ুমণ্ডল দিনের বেলায় প্রখর সূর্যতাপ ও রাতেরবেলায় প্রবল ঠান্ডার হাত থেকে আমাদের রক্ষা করে।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “বায়ুমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব লেখো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “বায়ুমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – বায়ুমণ্ডলের ধারণা ও উপাদান” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়া, নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।





মন্তব্য করুন