এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “ভারতে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে খ্রিস্টান মিশনারিদের অবদান কী ছিল? এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “ভারতে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে খ্রিস্টান মিশনারিদের অবদান কী ছিল? এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

ভারতে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে খ্রিস্টান মিশনারিদের অবদান কী ছিল?
খ্রিস্টান মিশনারিরা ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের ওপর জোর দিয়েছিলেন, ভারতের নানা অঞ্চলে তাঁরা প্রচুর বিদ্যালয় স্থাপন করেন, মার্শম্যান, ওয়ার্ড এবং উইলিয়াম কেরি 1800 খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করেন ব্যাপটিস্ট মিশন, তাঁরা 126 টি বিদ্যালয় স্থাপন করেন, এই সব বিদ্যালয়ে প্রায় দশ হাজার ছাত্র পড়ার সুযোগ পায়। ব্যাপটিস্ট মিশন 1818 খ্রিস্টাব্দে শ্রীরামপুরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রথম তথা প্রধান উদ্দেশ্য ছিল খ্রিস্টধর্মের প্রচার। বস্তুতপক্ষে, খ্রিস্টের বাণী ও ধর্মাপোদেশ সাধারণ ভারতবাসীর কাছে পৌঁছে দিতে এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের বিশেষ প্রয়োজন ছিল। তবে ধর্ম প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে সামান্য পরিমাণে হলেও তাঁরা এদেশে আধুনিক বিজ্ঞান শিক্ষা প্রদান করেছিলেন এবং সরকারি উদ্যোগের অন্তত তিন দশক পূর্বেই এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রসারের গুরুদায়িত্ব তাঁরা স্বতঃপ্রণোদিত। হয়ে নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “ভারতে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে খ্রিস্টান মিশনারিদের অবদান কী ছিল? এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “ভারতে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের ক্ষেত্রে খ্রিস্টান মিশনারিদের অবদান কী ছিল? এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment