এখনই আমাদের Telegram Community গ্রুপে যোগ দিন। এখানে WBBSE বোর্ডের পঞ্চম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির যেকোনো বিষয়ভিত্তিক সমস্যা শেয়ার করতে পারেন এবং একে অপরের সাহায্য করতে পারবেন। এছাড়া, কোনও সমস্যা হলে আমাদের শিক্ষকরা তা সমাধান করে দেবেন।

Telegram Logo Join Our Telegram Community

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী কে ছিলেন? বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ব্রাহ্মসমাজ ত্যাগ করেছিলেন কেন?

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী কে ছিলেন? বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ব্রাহ্মসমাজ ত্যাগ করেছিলেন কেন? নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী কে ছিলেন? বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ব্রাহ্মসমাজ ত্যাগ করেছিলেন কেন?“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী কে ছিলেন? বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ব্রাহ্মসমাজ ত্যাগ করেছিলেন কেন?

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী কে ছিলেন?

উনিশ শতকে বাংলার ধর্ম ও সমাজ সংস্কার আন্দোলনের ইতিহাসে বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। ভারতবর্ষীয় ব্রাহ্মসমাজের নেতারূপে তিনি লোকসেবা ও সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। পরবর্তী জীবনে বৈয়ব ভাবাপন্ন হয়ে ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে যোগসূত্র ছিন্ন করলেও সমাজ ও ধর্ম সংস্কারের মূল আদর্শ থেকে তিনি আমৃত্যু বিচ্যুত হননি। তাঁকে ‘নব্য বৈয়ব আন্দোলনের জনক’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ব্রাহ্মসমাজ ত্যাগ করেছিলেন কেন?

সত্য অন্বেষণকারী বিজয়কৃষ্ণকে ব্রাহ্মসমাজ সন্তুষ্ট করতে পারেনি, তিনি ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের সংস্পর্শে আসেন। এরপর তাঁর ধর্মীয় জীবনের পথ পরিবর্তিত হতে থাকে, তিনি যোগসাধনা ও কীর্তনানন্দে মেতে উঠলে ব্রাহ্মসমাজ তা সহ্য করতে পারেনি। ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে এই মতভেদ তাঁকে ব্রাহ্মসমাজ ত্যাগে বাধ্য করে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীকে কী বলা হয়?

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীকে ‘নব্য বৈষ্ণব আন্দোলনের জনক’ বলা হয়। তিনি সমাজ ও ধর্ম সংস্কারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর ধর্মীয় জীবনের পরিবর্তন কীভাবে ঘটে?

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর ধর্মীয় জীবনের পরিবর্তন ঘটে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের সংস্পর্শে আসার পর। তিনি যোগসাধনা ও কীর্তনানন্দে মগ্ন হন, যা ব্রাহ্মসমাজের আদর্শের সঙ্গে মেলেনি। এই পরিবর্তন তাঁকে ব্রাহ্মসমাজ ত্যাগে বাধ্য করে।

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর সমাজ সংস্কারের মূল আদর্শ কী ছিল?

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর সমাজ সংস্কারের মূল আদর্শ ছিল ধর্মীয় ও সামাজিক কুপ্রথা দূর করে মানবতার কল্যাণ সাধন। তিনি আমৃত্যু এই আদর্শে অবিচল ছিলেন।

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীকে কেন ‘নব্য বৈষ্ণব আন্দোলনের জনক’ বলা হয়?

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ব্রাহ্মসমাজ ত্যাগ করার পর বৈষ্ণব ভাবাপন্ন হন এবং বৈষ্ণব ধর্মের আদর্শে সমাজ সংস্কারের কাজ চালিয়ে যান। তাঁর এই নতুন পথচলাকে ‘নব্য বৈষ্ণব আন্দোলন’ বলা হয়, এবং তিনি এই আন্দোলনের প্রধান পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামীর সমাজ সংস্কারে অবদান কী ছিল?

বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। তিনি ব্রাহ্মসমাজের মাধ্যমে সমাজের কুপ্রথা ও অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। পরবর্তীতে বৈষ্ণব ধর্মের আদর্শে তিনি সমাজ সংস্কারের কাজ চালিয়ে যান এবং নব্য বৈষ্ণব আন্দোলনের মাধ্যমে মানুষের মাঝে আধ্যাত্মিক ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করেন।


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী কে ছিলেন? বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ব্রাহ্মসমাজ ত্যাগ করেছিলেন কেন?” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী কে ছিলেন? বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী ব্রাহ্মসমাজ ত্যাগ করেছিলেন কেন?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়া, নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।

Share via:

মন্তব্য করুন