এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “চুয়াড় কারা? চুয়াড় বিদ্রোহ অন্যান্য আদিবাসী-উপজাতি বিদ্রোহের থেকে কীভাবে স্বতন্ত্র স্থানের অধিকারী?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “চুয়াড় কারা? চুয়াড় বিদ্রোহ অন্যান্য আদিবাসী-উপজাতি বিদ্রোহের থেকে কীভাবে স্বতন্ত্র স্থানের অধিকারী?“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের তৃতীয় অধ্যায় “প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ – বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

চুয়াড় কারা?
চুয়াড় শব্দের আক্ষরিক অর্থ অসভ্য, বর্বর বা বন্য। চুয়াড়রা ছিল মেদিনীপুর, বাঁকুড়া জেলার অন্তর্গত ‘জঙ্গলমহল’ নামে বনাঞ্চলের আদিম অধিবাসী। কৃষিকার্য ও পশুপালনের পাশাপাশি স্থানীয় জমিদারদের অধীনে পাইক বা সৈনিকের কাজ করে তারা জীবিকা নির্বাহ করত। ঔপনিবেশিক শোষণ ও অনাচারের বিরুদ্ধে 1768 – 1769 এবং 1798 – 1799 খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দুই পর্বে তারা বিদ্রোহে শামিল হয়েছিল।
চুয়াড় বিদ্রোহ অন্যান্য আদিবাসী-উপজাতি বিদ্রোহের থেকে কীভাবে স্বতন্ত্র স্থানের অধিকারী?
ঔপনিবেশিক শাসনকালে সকল আদিবাসী-উপজাতি বিদ্রোহ যেখানে জমিদার ও জমিদারের মদতদাতা ইংরেজের বিরুদ্ধে সংঘটিত হয়েছিল, সেখানে চুয়াড় বিদ্রোহে কৃষক ও জমিদার হাতে হাত রেখে ইংরেজ কোম্পানির বিরুদ্ধে সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছিল। চুয়াড় বিদ্রোহেই কৃষক ও জমিদারের রক্ত একই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে একই শত্রুর মোকাবিলায় ঝরেছিল।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “চুয়াড় কারা? চুয়াড় বিদ্রোহ অন্যান্য আদিবাসী-উপজাতি বিদ্রোহের থেকে কীভাবে স্বতন্ত্র স্থানের অধিকারী?” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “চুয়াড় কারা? চুয়াড় বিদ্রোহ অন্যান্য আদিবাসী-উপজাতি বিদ্রোহের থেকে কীভাবে স্বতন্ত্র স্থানের অধিকারী?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের তৃতীয় অধ্যায় “প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ – বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন