অষ্টম শ্রেণি বাংলা – দাঁড়াও – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের চতুর্থ পাঠের অন্তর্গত ‘দাঁড়াও’-এর কিছু ‘সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিদ্যালয়ের পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

দাঁড়াও - অষ্টম শ্রেণী - বাংলা - সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
Contents Show

‘মতো’ শব্দ ব্যবহার করা হয় কখন? তোমার যুক্তির পক্ষে দুটি উদাহরণ দাও।

‘মতো’ শব্দটি কোনো ব্যক্তি, বস্তু, ভাব বা বিষয়ের সঙ্গে অপর কোনো ব্যক্তি, বস্তু, ভাব বা বিষয়ের সাদৃশ্য বা সমতা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।

  • ব্যক্তির সঙ্গে সাদৃশ্যমূলক অর্থ বোঝাতে ‘মতো’ শব্দকে ব্যবহার করা হয়। যেমন— মেয়েটিকে ঠিক তার মায়ের মতো দেখতে।
  • বস্তু, ভাব বা বিষয়ের সঙ্গে ‘মতো’ শব্দের ব্যবহার হয়। যেমন— জলটা বরফের মতো ঠান্ডা।

কবি পাখির মতো পাশে দাঁড়াতে বলছেন কেন?

পাখি যেমন মনের আনন্দে উড়ে বেড়ায়, গান করে, তার মনের মধ্যে যেমন নেই এতটুকুও সংকীর্ণতা বা হীনতা; কবি চাইছেন মানুষের মনও সেইরকম আনন্দময় ও সুন্দর হয়ে উঠুক। পাখির মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতাপ্রিয়তা এবং তাদের মধ্যে রয়েছে পারস্পরিক ভালোবাসা। পাখির কলকাকলিতে প্রকৃতির রূপ মধুর হয়ে ওঠে। কবি আশা করছেন মানুষও সেইরকমভাবেই পাখির মতো আনন্দ ও ভালোবাসা নিয়ে অন্য অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়াক।

‘মানুষই ফাঁদ পাতছে’ – কবি এ কথা কেন বলেছেন? ‘মানুষ’ শব্দের সঙ্গে ‘ই’ ধ্বনি যোগ করেছেন কেন – তোমার কী মনে হয়?

শিকারি যেমন ফাঁদ পেতে পশুপাখিকে বন্দি করে, তেমনই মানুষও যেন গোপনে চতুরতার সঙ্গে অন্য মানুষকে ধরতে চাইছে বা কাছে পেতে চাইছে। এই ফাঁদ ভালোবাসার ফাঁদও হতে পারে। মানুষ একা ও অসহায় হলেও সেই মানুষই আবার মানবতার ফাঁদ পাতছে, এই কথাটি জোরের সঙ্গে বোঝানোর জন্য কবি ‘মানুষ’ শব্দের সঙ্গে ‘ই’ প্রত্যয়টি ব্যবহার করেছেন।

‘তোমার মতো মনে পড়ছে’ – এই পঙ্ক্তির অন্তর্নিহিত অর্থ কী?

বর্তমান অস্থির ও যন্ত্রণাদায়ক সামাজিক পরিবেশের মধ্যে দাঁড়িয়ে কবি গভীরভাবে মানবিকতার অভাবকে অনুভব করছেন এবং মানবতার স্পর্শে সুন্দর কোনো মানুষের সঙ্গ কামনা করছেন। সেই মানুষকেই কবি ‘তোমার মতো’ বলে চিহ্নিত করেছেন, অর্থাৎ যার মধ্যে ভালোবাসা, বিশ্বাস, দয়ামায়া— এসব কিছু রয়েছে। এখানে ‘তোমার মতো’ বলতে ওই ধরনের গুণসম্পন্ন মানুষের মতো বলেই কবি ইঙ্গিত করেছেন।

কবিতাটির নাম ‘দাঁড়াও’ কতটা সার্থক? কবিতাটির নাম ‘মানুষ বড়ো কাঁদছে’ হতে পারে কি – তোমার উত্তরের ক্ষেত্রে যুক্তি দাও।

আধুনিক সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘দাঁড়াও’ কবিতায় আজকের যান্ত্রিক সভ্যতার স্বার্থপর মানুষদের কাছে তাদের একটু মানবিক হয়ে ওঠার আবেদন জানিয়েছেন। বিপন্ন, দুঃখী অসহায় মানুষদের পাশে তারা যাতে নিজেদের স্বার্থপরতা ও হীনতাকে দূর করে ভালোবেসে দাঁড়ায়, কবি সেটাই প্রত্যাশা করেছেন। সমগ্র কবিতায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আবেদনটাই মুখ্য হয়ে উঠেছে এবং সে হিসেবে কবিতাটির ‘দাঁড়াও’ নামকরণ সার্থক। ‘মানুষ বড়ো কাঁদছে’ বাক্যটি কবিতায় দুইবার এবং ‘দাঁড়াও’ শব্দটি মোট সাতবার প্রযুক্ত হয়েছে। শুধু তাই নয়, দুঃখকষ্টে জর্জরিত মানুষের কান্নার কথা বললেও কবি কিন্তু এই কবিতায় তাদের পাশে মানুষকে ভরসা দিতে, নির্ভরতা দিতে দাঁড়ানোর কথাই প্রধানত বলতে চেয়েছেন। সেই কারণে ‘মানুষ বড়ো কাঁদছে’ – এই শিরোনামটির চেয়ে প্রদত্ত ‘দাঁড়াও’ শিরোনামটিকেই অধিকতর সঙ্গত ও বক্তব্যের উপযোগী বলে মনে হয়।

‘এসে দাঁড়াও, ভেসে দাঁড়াও এবং ভালোবেসে দাঁড়াও’ – এই পঙ্ক্তিটির বিশেষত্ব কোথায়? এই ধরনের দুটি বাক্য তুমি তৈরি করো।

‘এসে’, ‘ভেসে’ ও ‘ভালোবেসে’— এই তিনটি শব্দের মধ্যে ধ্বনিগত সাদৃশ্য থাকায় পঙ্ক্তিটিতে অসাধারণ ছন্দমাধুর্যের বিশেষত্ব যেমন সৃষ্টি হয়েছে, তেমনই মানুষের পাশে থেকে তাকে কোমলভাবে অনুভব করে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে কাছের করে নেওয়ার আবেদনটুকুও অপূর্বভাবে ধরা পড়েছে। এই ধরনের দুটি বাক্য হলো:

  1. অসহায় মানুষদের পাশে এসে দাঁড়াও।
  2. শত্রুকেও আপন করে নিয়ে তার পাশে ভালোবেসে দাঁড়াও।

‘মানুষ বড়ো কাঁদছে’ – কী কারণে কবি এই কথা বলেছেন?

আজকের স্বার্থপর নিষ্ঠুর সমাজের মানুষেরা কেউ কারও বিপদে বা দুঃখে পাশে থাকে না বলে অসহায় মানুষেরা কেবল বৃথাই চোখের জল ফেলছে। তাদের অশ্রুপাত কাউকে বিচলিত করছে কষ্টে জর্জরিত না বলেই কবি এ কথা বলেছেন।

‘মানুষ বড়ো একলা, তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও’ – এই পঙ্ক্তিটি তিনবার ব্যবহার করার কারণ কী হতে পারে বলে তোমার মনে হয়?

অবক্ষয়িত সমাজে অসহায় নিঃসঙ্গ মানুষের পাশে মানবতাবোধসম্পন্ন মানুষকেই এসে দাঁড়াতে হবে, কবি এই আবেদন তাঁর কবিতায় প্রকাশ করেছেন। এই আবেদনকে আন্তরিক, জোরালো ও গভীরভাবে জানানোর জন্যই কবি এই পঙ্ক্তিটি তিনবার বিশেষভাবে ব্যবহার করেছেন।

কবি কাকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে অনুরোধ করছেন বলে তোমার মনে হয়?

কবি আজকের যান্ত্রিক সমাজের সমস্ত স্বার্থপর মানুষকেই সবরকমের স্বার্থবুদ্ধি ও হীনতা সরিয়ে অসহায় মানুষদের পাশে, তথা সমগ্র মানবসমাজেরই পাশে এসে দাঁড়াতে অনুরোধ করেছেন। সকল মানুষই সকলের পাশে পরম নির্ভর হয়ে থাকুক – কবি এটাই চেয়েছেন।

কবিতাটি চলিত বাংলায় লেখা, শুধু একটা শব্দ সাধু ভাষার। শব্দটি খুঁজে বের করো এবং শব্দটিকে এভাবে ব্যবহার করেছেন কেন কবি?

কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের আগাগোড়া চলিতভাষায় লেখা ‘দাঁড়াও’ কবিতায় কেবল তিনবার ব্যবহৃত ‘তাহার’ শব্দটিই সাধু ভাষার। সমাজের অসহায় মানুষদের অবস্থানকে বিশেষভাবে বোঝানোর জন্য এবং তাদের যন্ত্রণার গভীরতাকে ব্যঞ্জনা দেওয়ার জন্যই কবি স্বতন্ত্রভাবে ‘তাহার’ শব্দটি সাধুভাষায় ব্যবহার করেছেন। পাঠকের যাতে ওই শব্দটির উপর বিশেষ মনোযোগ আকৃষ্ট হয়, কবির সেটাই প্রত্যাশা।

প্রথম স্তবকে তিনটি পঙ্ক্তির প্রত্যেকটির দলসংখ্যা কত? প্রতিটি পঙ্ক্তি ক-টি রুদ্ধদল ও মুক্ত দল নিয়ে তৈরি?

প্রথম স্তবকের তিনটি পঙ্ক্তির প্রত্যেকটির দলসংখ্যা 16। প্রত্যেকটি পঙ্ক্তিতে 13টি মুক্ত দল ও 3টি রুদ্ধ দল আছে।

‘দাঁড়াও’ কবিতাটির প্রথম স্তবকে প্রকাশিত কবির অন্তর্নিহিত ভাবনার পরিচয় দাও।

মানুষ আজ প্রকৃতি ও সমাজের বুকে তার আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করলেও বিশ্বাসহীনতা, স্বার্থপরতার কবলে পড়ে খুবই অসহায়। এই অসহায় মানুষের একাকিত্ব ও যন্ত্রণা কবিকে ব্যথিত করেছে। সেই কারণেই আজ প্রতিটি মানুষেরই উচিত তার মনুষ্যত্বকে আশ্রয় করে প্রত্যেক অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানো। এক মানুষের সঙ্গে অন্য মানুষের আন্তরিক ও সহানুভূতিশীল সম্পর্ক রচনার মধ্য দিয়েই সকল মানুষের দুঃখযন্ত্রণা ও অসহায়তার ভাবটি দূর হতে পারে। কবি এই কবিতার প্রথম স্তবকে মানুষকে এই মানবিক দায়িত্ব পালনের আবেদনটুকুই প্রকাশ করেছেন। মানুষে মানুষে গড়ে তোলা মানবিক বন্ধন রচনার বাসনাই কবিতার প্রথম স্তবকে ধরা পড়েছে।

‘তোমাকে সেই সকাল থেকে তোমার মতো মনে পড়ছে … তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও।’ – অন্তর্নিহিত তাৎপর্য লেখো।

আজকের সমাজের যন্ত্রণা ও অসহায়তাবোধে জর্জরিত মানুষের পাশে ভালোবাসা ও নির্ভরতা নিয়ে দাঁড়াতে পারে এমন একজন মানুষকে কবি যেন সকাল থেকে প্রত্যাশা করছেন। সকাল থেকে সন্ধে, সন্ধে থেকে রাত – অর্থাৎ সারাটি সময় ধরে কবি মানবিকতাবোধসম্পন্ন একজন মানুষকে মনে করছেন, তাকে পেতে চাইছেন। কবি অনুভব করছেন বর্তমান যুগে মানুষ ভেতরে ভেতরে বড়ো একা এবং অসহায়। তাই তার পাশে এসে তাকে নির্ভরতা দিতে পারার মতো একজন মানুষের আজ বড়ো প্রয়োজন। সেই ধরনের একজন মানুষকেই কবি মনে মনে কামনা করছেন। সে এসে মানুষের কষ্ট লাঘব করবে, এটাই কবির কামনা।

‘এসে দাঁড়াও, ভেসে দাঁড়াও এবং ভালোবেসে দাঁড়াও / তুমি তাহার পাশে এসে দাঁড়াও।’ – পঙ্ক্তিগুলির অন্তর্নিহিত অর্থ লেখো।

কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায় প্রতিটি মানুষকে মানবিক অনুভবের টানে প্রত্যেক অসহায় নিঃসঙ্গ মানুষের পাশে এসে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি অনুভব করছেন আজকের সভ্যতায় মানুষের অন্তরাত্মা গুমরে কাঁদছে। সেই কাতর মানুষের দুঃখ ভুলিয়ে কাছে টেনে নিতে হবে প্রতিটি মানুষকেই। কেবল কর্তব্য বা দায়িত্ব পালনের তাগিদে নয়, মানুষকে ‘ভালোবেসে’ আপন করে নিতে হবে, কবি এটাই আশা করেন। ‘তাহার’ শব্দটি সাধু ভাষায় ব্যবহার করে কবি এখানে অসহায় মানুষের পরিচয়কে বিশেষভাবে চিহ্নিত করেছেন। ‘দাঁড়াও’ কথাটির মাধ্যমে কবি মানুষকে ক্লান্ত, দুঃখী মানুষের পাশে ভরসা হয়ে থাকার জন্য আবেদন জানিয়েছেন।


এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের চতুর্থ পাঠের অন্তর্গত ‘দাঁড়াও’-এর কিছু ‘সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর’ নিয়ে আলোচনা করলাম। এই প্রশ্নোত্তরগুলো অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিদ্যালয়ের বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

আশা করি, এই আর্টিকেলটি তোমাদের উপকারে এসেছে। যদি তোমাদের কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারো। তোমাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

ভারতীয় সংবিধান-গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার-অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস-বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতীয় সংবিধান: গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার – বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর

ভারতীয় সংবিধান-গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার-অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস-ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতীয় সংবিধান: গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার – ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর

ভারতীয় সংবিধান-গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার-অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস-সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

অষ্টম শ্রেণি ইতিহাস – ভারতীয় সংবিধান: গণতন্ত্রের কাঠামো ও জনগণের অধিকার – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

About The Author

Souvick

Tags

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

N₂ চক্রে বা নাইট্রোজেন চক্রে বিভিন্ন অণুজীবের ভূমিকা

নাইট্রোজেন চক্রের ওপর মনুষ্য ক্রিয়াকলাপের প্রভাব – মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মৃত্তিকা বলতে কী বোঝো? শ্বাসমূল বা নিউম্যাটোফোর কী?

ক্যাকটাসের মূল ও পাতার অভিযোজনগত বৈশিষ্ট্য – মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

মুখ্য অভিযোজন এবং গৌণ অভিযোজন কাকে বলে? এদের পার্থক্য | মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান