এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মৃত্তিকা বলতে কী বোঝো? শ্বাসমূল বা নিউম্যাটোফোর কী?” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের চতুর্থ অধ্যায় “অভিব্যক্তি ও অভিযোজন”-এর “বেঁচে থাকার কৌশল: অভিযোজন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মৃত্তিকা বলতে কী বোঝো?
সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলের মাটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল উপস্থিত থাকলেও সেই মাটিতে প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন খনিজ লবণ যেমন – NaCl (সোডিয়াম ক্লোরাইড), MgCl2 (ম্যাগনেশিয়াম ক্লোরাইড), MgSO4 (ম্যাগনেশিয়াম সালফেট) ইত্যাদি উপস্থিত থাকায় মাটিতে জলের অভিস্রবণীয় চাপ বৃদ্ধি পায়। ফলে উদ্ভিদ সেই জল শোষণ করতে পারে না, এই প্রকৃতির মাটিকে শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মৃত্তিকা (Physiological Dry Soil) বলে।
শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মৃত্তিকা কোথায় দেখা যায়?
শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মৃত্তিকা কোন উদ্ভিদ জন্মায়?
শ্বাসমূল বা নিউম্যাটোফোর কী?
সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলের শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মৃত্তিকায় অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। তাই সুন্দরী, গরান, গেঁওয়া প্রভৃতি লবণাম্বু উদ্ভিদের শাখামূলগুলি অভিকর্ষের বিপরীতে মাটির ওপরে বৃদ্ধি পায় এবং মূলে থাকা শ্বাসছিদ্র বা নিউম্যাথোড (Pneumathode)-এর মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় বাতাস থেকে প্রয়োজনীয় O2 গ্রহণ করে। এই প্রকৃতির মূলগুলিকে শ্বাসমূল বা নিউম্যাটোফোর (Pneumatophores) বলে।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “শারীরবৃত্তীয় শুষ্ক মৃত্তিকা ও শ্বাসমূল” — নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি এই আর্টিকেলটি মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী এবং চাকরিপ্রার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





মন্তব্য করুন