সপ্তম শ্রেণি বাংলা – মেঘ-চোর – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

Rahul

Home » সপ্তম শ্রেণি বাংলা – মেঘ-চোর – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত বিখ্যাত লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা কল্পবিজ্ঞানমূলক গল্প ‘মেঘ-চোর’-এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর (SAQ) নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নোত্তরগুলো সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত সহায়ক, কারণ স্কুলের বাংলা পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

সপ্তম শ্রেণির বাংলা মেঘ-চোর গল্পের প্রশ্ন ও উত্তর
Contents Show

অসীমা সম্বন্ধে দু-একটি বাক্য লেখো।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত ‘মেঘ-চোর’ গল্পে অসীমা আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিষয়ে গবেষণারত, তবে ভূগোল ও কম্পিউটারেও রয়েছে তার বিশেষ দক্ষতা। তার বয়স 27। সে বৃষ্টিবিজ্ঞানী পুরন্দরকে জব্দ করতে নিজেকে তাঁর ভাইঝি বলে পরিচয় দিয়েছিল। আসলে সে ছিল কারপভের কন্যা।

কেন বলা হয়েছে অসীমা ‘ভূগোলও বেশ ভালো জানে’?

পুরন্দর চৌধুরী যখন অসীমাকে আলাস্কার সোনালি রঙের পাহাড়টার নাম জিজ্ঞাসা করেন তখন ইতিহাসের ছাত্রী অসীমা অবলীলায় জানায় যে, পাহাড়টার নাম মাউন্ট চেম্বারলিন এবং তার পাশের কুয়াশাঢাকা হ্রদটির নাম লেক শ্রেভার, এ কারণেই বলা হয়েছে অসীমা ভূগোলও বেশ ভালো জানে।

প্রকৃতিকে ধ্বংস করা একটা অপরাধ – কে, কাকে, কখন বলেছে?

প্রশ্নে উদ্ধৃত কথাটি কারপভের মেয়ে অসীমা পুরন্দর চৌধুরীকে বলেছে।

পুরন্দর যখন অ্যালয় নামক বলটা লেক শ্রেভারে ফেলতে গেলেন, তখনই এই কথা বলেছে অসীমা।

তাহলে আমরা গুঁড়ো হয়ে যাব – কে, কাকে, কেন বলেছে?

‘মেঘ-চোর’ গল্পের বৃষ্টিবিজ্ঞানী পুরন্দর যখন রকেটের একটা অংশ খুলতে যান, তখন অসীমা পুরন্দরকে এ কথা বলেছে।

মেঘ-চোর গল্পের রকেটটি কেমনভাবে চলছিল? সেখানে কে কে ছিলেন?

বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরীর রকেটটি আকাশের একস্থানেই গোল হয়ে পাক খাচ্ছিল। কম্পিউটারের নির্দেশে সেটি ঘুরছিল।

রকেটে বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী ও কারপভের কন্যা অসীমা ছিলেন।

তিনি সাংঘাতিক কাণ্ড করেছেন – কোন্ কাণ্ডের কথা বলা হয়েছে? তার পরিণাম কী হয়েছিল?

বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী সাইবেরিয়া থেকে মেঘ চুরি করে এনে সাহারা মরুভূমিতে মাসে প্রায় 100 ইঞ্চি বৃষ্টিপাত ঘটিয়েছেন— এমন কাণ্ডের কথাই এখানে বলা হয়েছে।

এই ঘটনার জন্য তিনি যত প্রশংসা পেয়েছেন, প্রায় ততটাই নিন্দিত হয়েছেন।

পৃথিবীর জল যেমন আছে তেমনই থাকুক – কে, কখন এই কথা বলেছে?

এ যুগের সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা ‘মেঘ-চোর’ নামক কল্পবিজ্ঞানের গল্পে উদ্ধৃত কথাটি বলেছে অসীমা।

বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরীর হাত থেকে তাঁর তৈরি ধাতব গোলকটা নিজের হাতে নিয়ে সেটাকে স্বয়ংক্রিয় রকেটের সকেটে ফেলে দেওয়ার পর অসীমা প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছে।

পুরন্দরের মুখটা হাঁ হয়ে গেল কেন?

পুরন্দর যখন বুঝতে পারেন তাঁর সঙ্গের সুন্দরী সহযাত্রিণী অসীমা, যাকে তিনি নিজের ভাইঝি মনে করেছিলেন, সে আসলে তাঁর অভিনব পরীক্ষাকে ব্যর্থ করার জন্যই তাঁকে মিথ্যে অভিনয় করে প্রতারিত করেছে এবং কম্পিউটারে অসাধারণ পারদর্শী সেই অসীমার কৌশলেই রকেট বায়ুমণ্ডলের বাইরে উপস্থিত হওয়ায় তাঁর যুগান্তকারী আবিষ্কার অ্যালয় বলটি ক্রমশ ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে, তখন পুরন্দরের মুখটা হাঁ হয়ে যায়।

পুরন্দর খুশি হয়ে বললেন, ‘বাঃ’। – প্রসঙ্গ উল্লেখ করো।

রকেটে ঘুরতে ঘুরতে পুরন্দর অসীমাকে নীচের পাহাড়ের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে পাহাড়টির নাম জিজ্ঞাসা করেন। অসীমা সঠিক উত্তর দিয়ে জানায় যে নীচের পাহাড়টির নাম মাউন্ট চেম্বারলিন এবং তার পাশের কুয়াশাঢাকা হ্রদটির নাম লেক শ্রেভার। ইতিহাসের ছাত্রী হয়েও ভূগোলের এত ভালো জ্ঞান প্রসঙ্গেই বিজ্ঞানী পুরন্দর প্রশ্নোক্ত উক্তিটি করেছেন।

সারা পৃথিবীতে তাঁর নাম – কার, কেন নাম হয়েছে?

নাম হয়েছে বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরীর।

তিনি এক স্থানের মেঘ চুরি করে নিয়ে অন্য স্থানে বৃষ্টিপাত ঘটাতেন, তাই বৃষ্টিবিজ্ঞানী হিসেবে সারা পৃথিবীতে তাঁর নাম হয়েছে।

এই সাইকেল চলছে – বক্তা কে? তিনি কোন্ সাইকেলের কথা বলেছেন?

উদ্ধৃতাংশের বক্তা হলেন বৃষ্টিবিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী।

মাউন্ট চেম্বারলিনের বরফ-গলা জল শ্রেভার লেকে এসে জমা হয়। আবার সেই জল বাষ্প হয়ে উড়ে গিয়ে মাউন্ট চেম্বারলিনের চূড়ায় গিয়ে আবার বরফে পরিণত হয়। এই চক্রাকার আবর্তনের কথাই বিজ্ঞানী পুরন্দর অসীমাকে বলেছেন।

তার সঙ্গে তোমার নামটাও থাকবে। – কে, কাকে, কোন্ প্রসঙ্গে কথাটি বলেছেন?

বৃষ্টিবিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী কারপভের কন্যা অসীমাকে উদ্দেশ করে কথাগুলি বলেছেন।

সংকর ধাতুনির্মিত গোলকটি পুরন্দর চৌধুরী লেকের মধ্যে ফেললে 5 মিনিটের মধ্যেই সমস্ত লেকের জল বাষ্পীভূত হয়ে যে সুবিশাল মেঘ সৃষ্টি হবে, তা বিশ্বরেকর্ড তৈরি করবে এবং সেই সময় উপস্থিত থাকার জন্য এবং পুরন্দর চৌধুরীর ভাইঝি হিসেবে রেকর্ডে পুরন্দর চৌধুরীর সঙ্গে অসীমার নামটিও উল্লিখিত হবে। এই প্রসঙ্গেই বক্তা প্রশ্নোক্ত কথাটি বলেছেন।

কম্পিউটারই রকেটটাকে ঘোরাচ্ছে – উৎস লেখো। কোন্ রকেট? তা কীভাবে ঘুরছে?

প্রশ্নোক্ত অংশটির উৎস হল সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কল্পবিজ্ঞানের কাহিনি ‘মেঘ-চোর’।

বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরীর নিজস্ব রকেটের কথাই এখানে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞানী চৌধুরী তাঁর নিজস্ব রকেটে মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন, সঙ্গে ছিলেন কারপভের কন্যা অসীমা। রকেটটি ছিল সম্পূর্ণভাবে কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। ছোট্ট রকেটটি আকাশের একস্থানেই গোল হয়ে পাক খাচ্ছিল। কম্পিউটারে আগে থেকেই প্রোগ্রামিং করা ছিল, সেইভাবেই কম্পিউটারের নির্দেশেই রকেটটি ঘুরছিল মহাকাশে।

আমি আপনার ছোটো ভাইয়ের মেয়ে। – কে, কাকে, কখন এই পরিচয় দিয়েছিল?

প্রশ্নোক্ত অংশের বক্তা হল সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘মেঘ-চোর’ গল্পের নারীচরিত্র অসীমা, সে বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরীর কাছে এমন পরিচয় দিয়েছিল।

বোস্টনে আবহাওয়া বিষয়ক এক আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন বৃষ্টিবিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী। সেখানে বিজ্ঞানী কারপভ তাঁকে মেঘ-চোর বলে তিরস্কার করলে, বিজ্ঞানী চৌধুরী তাঁকে চিৎকার করে কিছু বলতে গিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। জ্ঞান ফিরলে তিনি দেখেন মাথার সামনে এক যুবতী বসে তাঁর সেবা করছে। বিদেশবিভুঁইয়ে এক অপরিচিতাকে এমনভাবে শুশ্রূষা করতে দেখে অবাক হয়ে বিজ্ঞানী চৌধুরী তাঁর পরিচয় জানতে চান। তখনই 27 বছরের যুবতী অসীমা বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরীকে প্রশ্নোক্ত পরিচয় দিয়েছিল।

ওই পাহাড়টার নাম জানো? – কে, কাকে এই প্রশ্ন করেছিলেন? ওই পাহাড়টার নাম কী ছিল?

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত ‘মেঘ-চোর’ গল্পে পুরন্দর চৌধুরী অসীমাকে এই প্রশ্ন করেছিলেন।

ওই পাহাড়টার নাম ছিল মাউন্ট চেম্বারলিন। আর এই পাহাড় ছিল সোনালি রঙের, যার চূড়ার বরফের উপর রোদ পড়ে পাহাড়টি সোনার মতো ঝকঝক করছিল।

আপনি আমার সঙ্গে ঠাট্টা করছেন। – কোন্ প্রসঙ্গে বক্তা এ কথা বলেছেন? বক্তার এমন ভাবনার কারণ লেখো।

প্রশ্নোক্ত অংশটি সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত ‘মেঘ-চোর’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে। উক্তিটির বক্তা হল কারপভের কন্যা অসীমা। পুরন্দরের আবিষ্কৃত গোলকের মাধ্যমে লেক শ্রেভারের সমস্ত বরফ মাত্র 5 মিনিটেই বাষ্প হয়ে মেঘে পরিণত হবে, আর সেই মেঘ, কারপভের দেশ সাইবেরিয়ায় নিয়ে গিয়ে বৃষ্টিপাত ঘটাতে চেয়েছেন বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী। সেই প্রসঙ্গেই অসীমা বিজ্ঞানীকে উদ্দেশ করে উক্তিটি করেছে।

অসীমা জানে যে এত বিশাল মেঘ কোনো স্থানে ভেঙে পড়লে সেই স্থানের দারুণ ক্ষতি হয়ে যাবে। সে-কথা শুনে নির্লিপ্তভাবে বিজ্ঞানী পুরন্দর বলেন – বড়োজোর 1 ইঞ্চি বেশি বরফ জমবে!

এটা ভাবতেই কীরকম মজা লাগছে – কী ভাবতে বক্তার মজা লেগেছে? মজা লাগার কারণ লেখো।

বিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী 95,000 কিউবিক মাইল আয়তনের বিশালাকার মেঘ নিয়ে বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফেরি করবেন এবং জিজ্ঞাসা করবেন তাঁরা মেঘ নেবেন কি না— এই কথা ভাবতেই বক্তা অসীমার মজা লেগেছে।

পুরন্দর চৌধুরী বৃষ্টিবিজ্ঞানীরূপে সমগ্র বিশ্বে পরিচিত নাম। একজন বিজ্ঞানীর পক্ষে সম্মানজনক হল বিজ্ঞানসাধনায় লব্ধ জ্ঞানকে মানবকল্যাণে নিয়োজিত করা। অথচ বিজ্ঞানী পুরন্দর সেই জ্ঞানকে আপন স্বার্থে কাজে লাগাচ্ছেন। তিনি চাইছেন তাঁর আবিষ্কারকে নিয়ে ফেরিওয়ালার মতন দরজায় দরজায় ঘুরে ঘুরে বিক্রি করতে। একজন বিজ্ঞানীর কাছে এটা সম্মানজনক নয়, বরং হাস্যকর। পুরন্দরের মতো এত বড়ো বিজ্ঞানী এমন হাস্যকর কাজ করে বেড়াচ্ছেন ভেবেই বক্তার মজা লাগছে।

এই নাও ধার শোধ! – বক্তা কে? তিনি কীসের ধার কীভাবে শোধ করার পরিকল্পনা করেছেন?

প্রশ্নোক্ত অংশটির বক্তা হলেন বৃষ্টিবিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী।

বিজ্ঞানী চৌধুরী একবার সাইবেরিয়া থেকে মেঘ চুরি করে সাহারায় মাসে 100 ইঞ্চি বৃষ্টিপাত ঘটিয়েছিলেন। মেঘ চুরির এই ঘটনাকেই তিনি সাইবেরিয়াবাসী কারপভের কাছে মেঘ ‘ধার’ বলে বুঝিয়েছেন।

মেঘ চুরির কারণেই বিজ্ঞানী কারপভ তাঁকে ‘মেঘ-চোর’ বলে তিরস্কার করেছেন। তাই বিজ্ঞানী পুরন্দর পরিকল্পনা করেছেন কারপভকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য, 95,000 কিউবিক মাইলের বিশাল মেঘ কারপভের দেশ সাইবেরিয়ায় পাঠিয়ে দেবেন, এর ফলে সাইবেরিয়ায় কয়েক ইঞ্চি বরফ বেড়ে যাবে। এভাবে কারপভকে শাস্তি দিয়ে অর্থাৎ সাইবেরিয়ায় বিশালাকার মেঘ পাঠিয়ে পূর্বের মেঘ চুরির ধার শোধ করার পরিকল্পনা করেছিলেন বিজ্ঞানী চৌধুরী।

আপনার দিকে অস্ত্র তুলতে হয়েছে বলে আমি দুঃখিত। – বক্তা কে? সে এ কথা কেন বলেছে?

কবি-সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের লেখা ‘মেঘ-চোর’ গল্পে উদ্ধৃত অংশটির বক্তা কারপভ-কন্যা অসীমা।

বৃষ্টিবিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী এমন এক ধাতব গোলক আবিষ্কার করেছিলেন, যার মাধ্যমে এক স্থানের মেঘ চুরি করে অন্য দেশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। এই অশুভ আবিষ্কার করে তিনি কারপভকে জব্দ করতে চেয়েছেন। এমনকি রাষ্ট্রসঙ্ঘে বিভিন্ন দেশ এ ব্যাপারে বিরুদ্ধে আইন করার কথা বলেছে। এ কারণেই কারপভ-কন্যা পরিচয় গোপন রেখে পুরন্দরের ভাইঝি সেজে জেনে নিয়েছে সংকর ধাতু দিয়ে তৈরি বিশেষ গোলকের কাহিনি। তারপর সুযোগ বুঝে ছোট্ট রিভলভার বের করে পৃথিবীর ক্ষতি রোধ করার জন্যই সে এ কথা বলেছে।

তুমি একটা স্পাই। – যাকে ‘স্পাই’ বলা হচ্ছে তাকে কি তুমি সত্যিই স্পাই বলে মনে করো?

স্পাই শব্দের অর্থ হল ‘চর’, অর্থাৎ যে গুপ্ত সংবাদ আদান-প্রদান করে, কিন্তু আলোচ্য উক্তিটিতে ‘স্পাই’ বলা হয়েছে অসীমাকে এবং বলেছেন বৃষ্টিবিজ্ঞানী পুরন্দর চৌধুরী। যখন পুরন্দর চৌধুরী জানান তাঁর রেকর্ড করা নামের সঙ্গে অসীমার নামটাও থাকবে, তখন অসীমা তার নিজের পরিচয় দেয় কারপভের মেয়ে বলে এবং বলে ‘আমার মা বাঙালি মেয়ে।’ গল্প পড়ে জানা যায় অসীমা চরবৃত্তি করেনি, সে প্রকৃতিকে আসন্ন ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচিয়েছিল, তাই আমি তাকে ‘স্পাই’ বলে মনে করি না।


এই আর্টিকেলে আমরা সপ্তম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের অন্তর্গত, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত ‘মেঘ-চোর’ গল্পের কিছু সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নোত্তরগুলো সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাংলা পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন নিয়মিত আসে।

আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি আপনার কোনো প্রশ্ন বা মতামত থাকে, তবে টেলিগ্রামে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

মেঘ-চোর গল্পের গুরুত্বপূর্ণ রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর - সপ্তম শ্রেণি বাংলা

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – মেঘ-চোর – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

Class 7 Bengali Megh Chor by Sunil Gangopadhyay SAQ

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – মেঘ-চোর – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – মেঘ-চোর – বিষয়সংক্ষেপ

About The Author

Rahul

মন্তব্য করুন

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – মেঘ-চোর – রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – মেঘ-চোর – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – মেঘ-চোর – অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – মেঘ-চোর – বিষয়সংক্ষেপ

সপ্তম শ্রেণি বাংলা – নোট বই – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর