অষ্টম শ্রেণি বাংলা – জেলখানার চিঠি – বিষয়সংক্ষেপ

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের সপ্তম পাঠের অন্তর্গত ‘জেলখানার চিঠি’-এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করব। এখানে লেখকের পরিচিতি, গল্পের উৎস, গল্পের পাঠপ্রসঙ্গ, গল্পের সারসংক্ষেপ, গল্পের নামকরণ এবং এর প্রধান বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এই আর্টিকেলটি আপনাদের ‘জেলখানার চিঠি’ গল্প সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দেবে এবং গল্পটি ভালোভাবে বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এছাড়া, অষ্টম শ্রেণির পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে লেখক ও গল্পের সারসংক্ষেপ সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে, তাই এই তথ্যগুলো জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জেলখানার চিঠি - অষ্টম শ্রেণী - বাংলা - লেখক পরিচিতি

লেখক পরিচিতি

বাংলা তথা ভারতের বুকে ঊনবিংশ শতকে যেসব মহাপুরুষের আবির্ভাব ঘটেছিল, সুভাষচন্দ্র বসু তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অতি জনপ্রিয় নেতা ছিলেন তিনি। তাই ভারত তথা বিশ্বের কাছে তাঁর পরিচিতি গড়ে ওঠে ‘নেতাজি’রূপে। মেধা, ব্যক্তিত্ব, সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের এক দুর্লভ সমন্বয়ে তিনি মানুষের মনে সূর্যের মতো দেদীপ্যমান চরিত্র হিসেবে আত্মপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন। 1897 খ্রিস্টাব্দের 23 জানুয়ারি কটকে তাঁর জন্ম। পিতা জানকীনাথের আদি নিবাস ছিল 24 পরগনার কোদালিয়া গ্রামে। কটকের র‍্যাভেনশ কলেজিয়েট স্কুল থেকে প্রবেশিকা, কলকাতার স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে স্নাতক (বিএ) এবং ইংল্যান্ড থেকে আইসিএস পরীক্ষায় চতুর্থ স্থান অধিকার করে তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তবে ইতিপূর্বে ভারতবিদ্বেষী ইংরেজ অধ্যাপক ওটেন সাহেবকে প্রহারের অভিযোগে তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিতাড়িত হন। কৃতিত্বের সঙ্গে আইসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি সরকারি চাকরির মোহ ত্যাগ করেন এবং প্রথমদিকে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশকে রাজনৈতিক গুরু মেনে অগ্নিমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে দেশের কাজে যোগ দেন। জাতীয় কংগ্রেসের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে 1927 খ্রিস্টাব্দে তিনি বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। তবে পরবর্তী ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শের জন্য তিনি কংগ্রেস ত্যাগ করেন এবং ‘ফরোয়ার্ড ব্লক’ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন। প্রবল ইংরেজবিদ্বেষী ক্রিয়াকলাপ ও চরমপন্থা অবলম্বনের জন্য তাঁকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে ইংরেজ সরকার তাঁকে অন্তরীণ করে রাখাকালীন, 1941 খ্রিস্টাব্দে তিনি ভারতমুক্তির প্রবল পিপাসা নিয়ে পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে কাবুল হয়ে রাশিয়ায় পৌঁছান। পরে রাসবিহারী বসুর কাছ থেকে আজাদ হিন্দ ফৌজ-এর দায়িত্বভার গ্রহণ করে সেটিকে বিশাল সেনাবাহিনীতে পরিণত করেন। তিনি রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যে বেশ কিছু মূল্যবান লেখালেখি করেছেন। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে অন্যতম সেরা দুটি হলো – ‘তরুণের স্বপ্ন’ এবং ‘An Indian Pilgrim’। 1945 খ্রিস্টাব্দের 18 আগস্ট এক বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে সংবাদ প্রচারিত হয়।

পাঠপ্রসঙ্গ

অগ্নিযুগের মহান বিপ্লবী নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে দেশোদ্ধার প্রচেষ্টার অপরাধে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছিল। অর্থাৎ তিনি ছিলেন রাজনৈতিক বন্দি বা রাজবন্দি। তাই সাধারণ বন্দি না হলেও কারাবাসকালে তাঁকে সাধারণ বন্দিদের সংস্পর্শ পেতে হয়েছিল এবং তিনি লাভ করেছিলেন অনন্য অভিজ্ঞতা। ইংরেজের কারাগারে সাধারণ বন্দিদের দুঃখদুর্দশা, তাদের মানসিক অবস্থা-অবস্থান্তর, তাঁর নিজের মানসিক অবস্থা, কারা পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্পর্কে গভীর ভাবনাচিন্তা ইত্যাদি বিষয় ধরা পড়েছে তাঁর এই পত্রখানিতে। নেতাজি যে কত বড়ো চিন্তাবিদ, এ চিঠি তার প্রমাণ। কারণ কারাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বা রাজনৈতিক মানুষজন যা কল্পনা করতে পারেন না, জেলে বসে গভীর ভাবনা দ্বারা উপলব্ধি করে তা তিনি বন্ধুকে জানাচ্ছেন। কারাভ্যন্তরে যাঁরা থাকেন তাঁদের প্রতি এক অকৃত্রিম মমত্ববোধ বা বিরামহীন সহানুভূতি তিনি অনুভব করেছেন। তাই অনায়াসে এবং আন্তরিকভাবে তিনি বন্ধুকে বলেন—’এতদিন জেলে বাস করার পর কারা-শাসনের একটা আমূল সংস্কারের একান্ত প্রয়োজনের দিকে আমার চোখ খুলে গেছে এবং ভবিষ্যতে কারা-সংস্কার আমার একটা কর্তব্য হবে।’ এমন অকৃত্রিম ভাবনা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পক্ষেই সম্ভব। যে স্বাধীন-সার্বভৌম ভারতের স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, সেখানে বন্দি-অপরাধী মানুষদের প্রতিও যে সামান্য বঞ্চনা বাঞ্ছিত নয় তাঁর কল্পনায়, এ চিঠিটি পাঠ করলেই তা বোঝা যায়।

বিষয়সংক্ষেপ

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জেলে বন্দি থাকাকালীন লেখা ‘জেলখানার চিঠি’টি বন্ধু দিলীপ রায়কে উদ্দেশ্য করে রচিত। ইতিপূর্বে বন্ধুর পাঠানো চিঠি তাঁকে আনন্দ দিয়েছিল, হৃদয়কে কোমলভাবে স্পর্শ করে তাঁর চিন্তা ও অনুভূতিকে অনুপ্রাণিত করেছিল। তবে তাঁর এই জবাবি চিঠি যে সেন্সর-এর কোপে পড়ে অন্তরের গভীরতম প্রবাহগুলিকে দিনের উন্মুক্ত আলোয় আসতে নাও দিতে পারে, এ আশঙ্কা তাঁর ছিল। তাই তিনি মনে করেছেন বন্দিত্বের কালে তাঁর ভাবনাচিন্তা ও অনুভব হয়তো ভবিষ্যতে অকথিতই থেকে যাবে। বন্ধু যে বন্ধুর বন্দিত্বে ব্যথাহত, এ মনে করে সুভাষ তাঁকে আধ্যাত্মিক দিক দিয়ে দেখতে চেয়েছেন। তিনি মনে করেছেন জেলখানার সমস্ত আবহাওয়ায় মানুষ যেন বিকৃত অমানুষিকতাই লাভ করে, যা সব জেল সম্পর্কেই সত্য। কারাবাসকালে বন্দিদের নৈতিক উন্নতির বদলে মানসিকতার হীনতা বাড়ে। ব্রিটিশ-প্রণালীর ভারতীয় কারাশাসন খারাপ আদর্শের অনুসরণ বলে তাঁর মনে হয়েছে। সুতরাং বন্দিদের প্রতি সহানুভূতি তিনি আশা করেছেন। বিবেচনা করতে হবে যে, অপরাধীদের প্রবৃত্তিগুলি মানসিক ব্যাধি। সেই প্রেক্ষিতে প্রতিষেধমূলক দণ্ডবিধিকে সংস্কারমূলক নতুন দণ্ডবিধির পথে প্রবাহিত করতে হবে। সুভাষচন্দ্র নিজে কারাবাসী বলে অন্যান্য বন্দিদের সহানুভূতির চোখে দেখেছেন। এ প্রসঙ্গে তাঁর মনে হয়েছে—এ দেশের শিল্পী-সাহিত্যিকগণ যদি এভাবে কারাবাসের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হতেন, তবে শিল্প-সাহিত্যের রূপই বদলে যেত। যেমন—কাজী নজরুলের কারাবাসের অভিজ্ঞতা তাঁর কাব্যকবিতাকে সমৃদ্ধ করেছিল। তাঁর এও মনে হয়েছে—অগ্নিযুগের প্রেক্ষাপটে আমাদের সমস্ত দুঃখকষ্টের অন্তরে যেভাবে একটা মহত্তর উদ্দেশ্য কাজ করেছে, সেভাবে যদি তা জীবনের সব মুহূর্তে ছড়িয়ে যায়, তাহলে কোনো দুঃখকষ্ট আর যন্ত্রণা থাকবে না। লেখকের মনে এমন দার্শনিক ভাব জাগ্রত হয়েছে বলে তিনি অন্তরে সহনশীলতার শক্তি লাভ করেছেন। মনে হয়েছে—মানুষ যদি তার অন্তরে ভেবে দেখার যথেষ্ট বিষয় খুঁজে পায়, তাহলে বন্দিত্বে তার কষ্ট থাকে না। কিন্তু কষ্ট তো শুধু আধ্যাত্মিক নয়, তা দৈহিকও। তাই দেহকেও সুস্থ থাকতে হবে। লোকমান্য তিলক কারাবাসকালে গীতার ব্যাখ্যা লেখেন, সেসময় মনের দিক থেকে তিনি সুখী ছিলেন। জেলের বিরামহীন নির্জনতায় মানুষ জীবনের চরম সমস্যাগুলি তলিয়ে দেখার সুযোগ পায়। তবে মেয়াদ যদি দীর্ঘ হয়, তাতে ব্যক্তির অজ্ঞাতসারে অকালবার্ধক্য এসে চেপে ধরতে পারে। এর জন্য বেশ কিছু অভাববোধই দায়ী। মানুষের এমন কিছু অভাব আছে যা সে নিজে পূর্ণ করে নিতে পারে, কিন্তু আরও কিছু অভাব বাইরের বিষয় দিয়ে পূর্ণ করে নিতে হয়। বন্দিদের অকালবার্ধক্যে এই বাইরের বিষয়ের বঞ্চনাও একটা কারণ। স্বভাবতই লেখকের মনে হয়েছে—যতদিন না জেলের মধ্যে স্বাস্থ্যকর ও সামাজিক বিধিব্যবস্থার বন্দোবস্ত হচ্ছে, ততদিন জেলবন্দিদের নৈতিক উন্নতি কখনোই সম্ভব নয়। অন্যদিকে ভাবলে দেখা যায়, প্রিয়জনের সহানুভূতি ও শুভেচ্ছা জেলের মধ্যেও মানুষকে অনেকটা সুখ দিতে পারে। এর একটা প্রধান কারণ হলো, রাজনৈতিক বন্দি অপরাধী নয়, মুক্তি পেলে সমাজ তাকে সাদরে বরণ করবে; কিন্তু সাধারণ অপরাধীর ক্ষেত্রে প্রিয়জন ছাড়া কোনো কদর নেই মুক্তির পরে। এ জন্য সে সমাজে মুখ দেখাতে লজ্জা পায়। জেলের কষ্ট যতটা না দৈহিক, তার থেকে অনেক বেশি মানসিক। মানুষের চোখের জল প্রতিদিন সমস্ত পৃথিবীর মাটিকে একেবারে তলা পর্যন্ত ভিজিয়ে দিচ্ছে, বন্ধুর এ বক্তব্য লেখকের মনকে গভীর বিষণ্ণ করে তুলেছে। তবে এ চোখের জল সবটাই দুঃখের নয়, এর মধ্যে করুণা ও প্রেমবিন্দু আছে। সমৃদ্ধ ও প্রশস্ত আনন্দস্রোতে পৌঁছানোর সুযোগ থাকলে কেউই বোধহয় দুঃখকষ্টের ছোটো ছোটো ঢেউ পার হতে গররাজি হতো না। বরং দুঃখযন্ত্রণা উন্নত কর্ম ও উচ্চ সফলতায় অনুপ্রেরণা দান করে বলে তিনি মনে করেন। কারণ বিনা দুঃখকষ্টে যা লাভ হয় তার কোনো মূল্য নেই।

নামকরণ

পত্ররচনাও যে উন্নততম সাহিত্য হয়ে উঠতে পারে, বিশ্বসাহিত্য থেকে এর নানা নজির সংগ্রহ করা যেতে পারে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ছিন্নপত্র’ পত্রসাহিত্যেরই এক উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। মান্দালয় জেলে বন্দি থাকাকালে বন্ধু দিলীপ রায়ের সঙ্গে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর পত্রবিনিময় হয়। মূলত ইংরেজিতে লেখা এই চিঠিটি বাংলায় ‘জেলখানার চিঠি’ নামে অনূদিত হয়েছে। এই নামকরণ কতটা যুক্তিসংগত বা এর যথার্থতা কতটা সার্থক, তা বিচার করে দেখা যেতে পারে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জেলে অবস্থানকালে এই পত্রটি রচিত হয়। স্বভাবতই একজন রাজবন্দি হিসেবে এই পত্রে তাঁর নিজের তৎকালের মানসিকতা, অনুভূতি, সাধারণ অপরাধীদের প্রতি তাঁর সহানুভূতি ও মমত্ববোধ চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। কারাবাসের অভিজ্ঞতায় তিনি কীভাবে কারাসংস্কারের প্রসঙ্গ তুলে নিজের ভাবনাচিন্তাকে প্রয়োগ করা যায়, তা-ও এ চিঠিতে তাঁর বন্ধুকে জানাচ্ছেন। বন্ধুর কাছ থেকে প্রীতি-উপহার হিসেবে পাওয়া বইয়ের প্রাপ্তি স্বীকার করে জানাচ্ছেন, সেগুলো হয়তো ফেরত পাঠানো সম্ভব নয়। কারণ সেগুলোর পাঠকসংখ্যা বেড়েছে। অন্যদিকে তাঁর প্রেরিত পত্রের সেন্সর-এর বাধা অতিক্রম করা প্রসঙ্গে আশঙ্কার প্রসঙ্গও এসেছে। দেখা যাচ্ছে—সমগ্র পত্রে বারবার জেল, জেলযাপন এবং জেলসংক্রান্ত নানা প্রসঙ্গই প্রবল হয়ে উঠেছে। তা ছাড়া এই চিঠির রচনাস্থান যে জেলখানা, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। রচনাটিও পত্রাকারে প্রেরিত। অতএব পত্রের নির্দিষ্ট পরিকাঠামোয় রচিত, জেলখানা থেকে লিখিত ও প্রেরিত এবং রচনায় জেলপ্রসঙ্গের বহুমাত্রিক অবতারণার বিষয়টি মাথায় রেখেই এক্ষেত্রে নামকরণ করা হয়েছে বলে বোঝা যায়। সুতরাং এই নামকরণটি নিঃসন্দেহে সার্থক ও যথাযথ।


এই আর্টিকেলে আমরা অষ্টম শ্রেণির বাংলা বিষয়ের সপ্তম পাঠের অন্তর্গত ‘জেলখানার চিঠি’-এর বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করেছি।

আশা করি, আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে। যদি কোনো প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা থাকে, তবে আমাদের টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন; আমরা উত্তর দেওয়ার যথাসাধ্য চেষ্টা করব। এছাড়া, লেখাটি প্রয়োজনীয় মনে হলে আপনার বন্ধু বা সহপাঠীদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

ব্যাকরণ বিভাগ - সাধু ও চলিত রীতি - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সাধু ও চলিত রীতি

ব্যাকরণ বিভাগ - সমাস - অষ্টম শ্রেণি - বাংলা

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সমাস

অষ্টম শ্রেণি বাংলা - ব্যাকরণ বিভাগ - ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়ার ভাব

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়ার ভাব

About The Author

Souvick

Tags

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সাধু ও চলিত রীতি

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – সমাস

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – ক্রিয়ার কাল ও ক্রিয়ার ভাব

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া ও অব্যয়

অষ্টম শ্রেণি বাংলা – ব্যাকরণ বিভাগ – বাক্যের ভাব ও রূপান্তর