এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “সংগীতের সঙ্গে জাতীয়তাবোধের সম্পর্ক সংগীতের ইতিহাসচর্চায় কীভাবে ধরা পড়েছে? জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “সংগীতের সঙ্গে জাতীয়তাবোধের সম্পর্ক সংগীতের ইতিহাসচর্চায় কীভাবে ধরা পড়েছে? জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের প্রথম অধ্যায় “ইতিহাসের ধারণা“-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?
ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি, বংশ প্রভৃতি ক্ষেত্রে ঐক্যের ভিত্তিতে যখন একটি নির্দিষ্ট জনসমষ্টি নিজেদের মধ্যে গভীর একাত্ম বোধ অনুভব করে, তখন তাদের মধ্যে জাতীয়তাবোধের সৃষ্টি হয়। এই জাতীয়তাবোধের সঙ্গে দেশপ্রেম মিলিত হয়ে যখন তা একটি রাজনৈতিক আদর্শ হিসাবে গড়ে ওঠে, তখন তাকে জাতীয়তাবাদ বলে। জাতীয়তাবাদ একটি মানসিক অনুভূতি। নিজেদের মধ্যে ঐক্য বোধ এবং অন্য জনসমাজ থেকে স্বাতন্ত্র্য বোধ – এই দু’ধরনের মানসিকতা জাতীয়তাবাদ সৃষ্টিতে কাজ করে।
সংগীতের সঙ্গে জাতীয়তাবোধের সম্পর্ক সংগীতের ইতিহাসচর্চায় কীভাবে ধরা পড়েছে?
সংগীতের ইতিহাসচর্চার মধ্য দিয়ে সংগীতের সঙ্গে জাতীয়তাবোধের সম্পর্ক জানা যায়। সংগীতের দ্বারা অসংখ্য সাধারণ মানুষ জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ হয়েছিল। যেমন – রজনীকান্ত সেনের ‘মায়ের দেওয়া মোটা কাপড়’, কিংবা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ প্রভৃতি সংগীত স্বদেশি আন্দোলনের সময় মানুষের মনে জাতীয়তাবোধের জোয়ার এনেছিল।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “সংগীতের সঙ্গে জাতীয়তাবোধের সম্পর্ক সংগীতের ইতিহাসচর্চায় কীভাবে ধরা পড়েছে? জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “সংগীতের সঙ্গে জাতীয়তাবোধের সম্পর্ক সংগীতের ইতিহাসচর্চায় কীভাবে ধরা পড়েছে? জাতীয়তাবাদ কাকে বলে?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের প্রথম অধ্যায় “ইতিহাসের ধারণা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment