শিল্প পদ্ধতিতে ব্যবহৃত কঠিন অনুঘটককে তারজালির আকারে বা বিচূর্ণ অবস্থায় ব্যবহার করা হয় কেন?

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “শিল্প পদ্ধতিতে ব্যবহৃত কঠিন অনুঘটককে তারজালির আকারে বা বিচূর্ণ অবস্থায় ব্যবহার করা হয় কেন?” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের অষ্টম অধ্যায় “পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মসমূহ” -এর “পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

শিল্প পদ্ধতিতে ব্যবহৃত কঠিন অনুঘটককে তারজালির আকারে বা বিচূর্ণ অবস্থায় ব্যবহার করা হয় কেন?

শিল্প পদ্ধতিতে ব্যবহৃত কঠিন অনুঘটককে তারজালির আকারে বা বিচূর্ণ অবস্থায় ব্যবহার করা হয় কেন?

গ্যাসীয় বিক্রিয়া সংগঠনকালে গ্যাসীয় বিক্রিয়কের অণু বা পরমাণুগুলি কোনো কঠিন অনুঘটকের পৃষ্ঠতলের সংস্পর্শে আসলে অনুঘটকের পৃষ্ঠতলের পরমাণুগুলির সঙ্গে এক প্রকার দুর্বল রাসায়নিক বন্ধন (হাইড্রোজেন বন্ধন, সমযোজী বন্ধন ইত্যাদি) উৎপন্ন করে। এইভাবে অনুঘটকের পৃষ্ঠতলে বিক্রিয়কের অণু বা পরমাণুগুলি একটি স্তর গঠন করে শোষিত অবস্থায় থাকে। যাকে রাসায়নিক অধিশোষণ বলে। এই অধিশোষণের ফলে বিক্রিয়ক অণু বা পরমাণুগুলির মধ্যে বিক্রিয়া সহজে সম্পন্ন হয়। এখন কঠিন অনুঘটককে তারজালির আকারে বা বিচূর্ণ অবস্থায় ব্যবহার করা হলে অনুঘটকের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায়। ফলে বেশি সংখ্যক বিক্রিয়ক অণু বা পরমাণু অনুঘটকের পৃষ্ঠতলে অধিশোষিত হতে পারে। আবার, অধিশোষণের মাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিক্রিয়ার গতি তথা উৎপাদন হার বৃদ্ধি পায়। সেইজন্য শিল্প পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অনুঘটককে তারজালির আকারে বা বিচূর্ণ অবস্থায় ব্যবহার করা হয়।


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “শিল্প পদ্ধতিতে ব্যবহৃত কঠিন অনুঘটককে তারজালির আকারে বা বিচূর্ণ অবস্থায় ব্যবহার করা হয় কেন?” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের অষ্টম অধ্যায় “পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মসমূহ” -এর “পরীক্ষাগার ও রাসায়নিক শিল্পে অজৈব রসায়ন” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।

Please Share This Article

Related Posts

ব্রোমিনের সঙ্গে অ্যাসিটিলিনের যুত বিক্রিয়াটি উল্লেখ করো।

ব্রোমিনের সঙ্গে অ্যাসিটিলিনের যুত বিক্রিয়াটি উল্লেখ করো।

কার্যকরী মূলক বা ক্রিয়াশীল গ্রুপ কাকে বলে? কার্যকরী মূলক ও জৈব মূলকের পার্থক্য বুঝিয়ে দাও।

কার্যকরী মূলক বা ক্রিয়াশীল গ্রুপ কাকে বলে? কার্যকরী মূলক ও জৈব মূলকের পার্থক্য বুঝিয়ে দাও।

একটি জৈব যৌগের আণবিক সংকেত C₂H₄O₂। যৌগটি জলে দ্রাব্য এবং যৌগটির জলীয় দ্রবণে NaHCO₃ যোগ করলে CO₂ নির্গত হয়। জৈব যৌগটিকে শনাক্ত করো। জৈব যৌগটির সঙ্গে ইথানলের বিক্রিয়া শর্ত ও সমিত রাসায়নিক সমীকরণসহ লেখো।

C₂H₄O₂ সংকেতের একটি জৈব যৌগ NaHCO₃-এর সাথে CO₂ গ্যাস দেয়। যৌগটি শনাক্ত করো ও ইথানলের সাথে এর বিক্রিয়ার শর্তসহ সমীকরণ দাও।

About The Author

Souvick

Tags

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

জীবাশ্মের সংজ্ঞা ও উদাহরণ | জৈব বিবর্তনে জীবাশ্মের ভূমিকা – মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

প্রতিটি মেরুদণ্ডী প্রাণীর ভ্রূণের গঠনের মিল ও সিদ্ধান্ত

জিরাফের গ্রীবা লম্বা হওয়ার কারণ – ডারউইন ও ল্যামার্কের তত্ত্ব | মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

নতুন প্রজাতির উৎপত্তিলাভে প্রকরণের ভূমিকা – মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

ল্যামার্কবাদের সপক্ষে অঙ্গের ব্যবহার ও অব্যবহারের উদাহরণ | মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান