এখনই আমাদের Telegram Community গ্রুপে যোগ দিন। এখানে WBBSE বোর্ডের পঞ্চম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির যেকোনো বিষয়ভিত্তিক সমস্যা শেয়ার করতে পারেন এবং একে অপরের সাহায্য করতে পারবেন। এছাড়া, কোনও সমস্যা হলে আমাদের শিক্ষকরা তা সমাধান করে দেবেন।

Telegram Logo Join Our Telegram Community

মধুসূদন গুপ্ত কে ছিলেন? মধুসূদন গুপ্ত স্মরণীয় কেন?

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “মধুসূদন গুপ্ত কে ছিলেন? মধুসূদন গুপ্ত স্মরণীয় কেন? নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “মধুসূদন গুপ্ত কে ছিলেন? মধুসূদন গুপ্ত স্মরণীয় কেন?“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

মধুসূদন গুপ্ত কে ছিলেন? মধুসূদন গুপ্ত স্মরণীয় কেন?

মধুসূদন গুপ্ত কে ছিলেন?

মধুসূদন গুপ্ত ছিলেন কলকাতা মেডিকেল কলেজের একাধারে ছাত্র ও শিক্ষক। এখানে থাকাকালীন ছাত্রাবস্থায় সমস্ত সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও গোঁড়ামিকে উপেক্ষা করে 1836 খ্রিস্টাব্দের 10 জানুয়ারি তিনি প্রথম বাঙালি ছাত্র হিসেবে ‘শব’ ব্যবচ্ছেদ করেন যা চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পদক্ষেপ। 1840 খ্রিস্টাব্দে তিনি এখান থেকে ডাক্তারি পাশ করেন। ‘ফার্মাকোপিয়া’ ও ‘অ্যানাটমি’ নামক ইংরেজি গ্রন্থ দুটির যথাক্রমে বাংলা ও সংস্কৃতে অনুবাদ তাঁর অন্যতম কীর্তি।

মধুসূদন গুপ্ত স্মরণীয় কেন?

1835 খ্রিস্টাব্দে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ স্থাপিত হলে মধুসূদন গুপ্ত সেখানে ডেমনস্টেটার পদে যোগ দেন এবং কলেজে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিনি ছাত্রদের সাথে পরীক্ষায় বসে 1840 খ্রিস্টাব্দে ডাক্তারি পাশ করেন ও এখানে ডাক্তাররূপে যোগদান করেন, পরবর্তীকালে সাব অ্যাসিস্টেন্ট সার্জেন হন।

মধুসূদন গুপ্ত সামাজিক কুসংস্কার ও জাতিচ্যুত হওয়ার ভয় না পেয়ে 1836 খ্রিস্টাব্দের 10ই জানুয়ারি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে প্রথম বাঙালি ছাত্ররূপে মৃতদেহ কাটা বা শব ব্যবচ্ছেদ করেন যা ছিল চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

এছাড়া, তিনি ‘লণ্ডন ফার্মাকোপিয়া’ ও ‘অ্যানাটমি’ গ্রন্থ দুটি বাংলায় অনুবাদ করে ভারতে আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যা চর্চাকে সহজবোধ্য করে তোলেন।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

মধুসূদন গুপ্তের প্রধান কীর্তি কী?

মধুসূদন গুপ্তের প্রধান কীর্তি হলো তিনি প্রথম বাঙালি ছাত্র হিসেবে শব ব্যবচ্ছেদ করেন। এছাড়া, তিনি ‘ফার্মাকোপিয়া’ ও ‘অ্যানাটমি’ নামক ইংরেজি গ্রন্থ দুটির বাংলা ও সংস্কৃতে অনুবাদ করেন, যা ভারতে আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যা চর্চাকে সহজবোধ্য করে তোলে।

মধুসূদন গুপ্ত কখন শব ব্যবচ্ছেদ করেন?

মধুসূদন গুপ্ত 1836 সালের 10 জানুয়ারি কলকাতা মেডিকেল কলেজে প্রথম বাঙালি ছাত্র হিসেবে শব ব্যবচ্ছেদ করেন।

মধুসূদন গুপ্তের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী ছিল?

মধুসূদন গুপ্ত 1840 সালে কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাশ করেন এবং পরবর্তীতে তিনি সাব অ্যাসিস্টেন্ট সার্জেন পদে নিযুক্ত হন।

মধুসূদন গুপ্ত কেন স্মরণীয়?

মধুসূদন গুপ্ত স্মরণীয় কারণ তিনি সামাজিক কুসংস্কার ও জাতিচ্যুত হওয়ার ভয়কে উপেক্ষা করে প্রথম বাঙালি ছাত্র হিসেবে শব ব্যবচ্ছেদ করেন। এছাড়া, তিনি চিকিৎসাবিদ্যার গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ বাংলা ও সংস্কৃতে অনুবাদ করে আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যা চর্চাকে সহজলভ্য করেন।

মধুসূদন গুপ্তের অনুবাদকৃত গ্রন্থগুলোর নাম কী?

মধুসূদন গুপ্ত ‘লণ্ডন ফার্মাকোপিয়া’ ও ‘অ্যানাটমি’ নামক ইংরেজি গ্রন্থ দুটির বাংলা ও সংস্কৃতে অনুবাদ করেন।

মধুসূদন গুপ্তের কাজ কীভাবে চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রভাব ফেলেছে?

মধুসূদন গুপ্তের শব ব্যবচ্ছেদ এবং চিকিৎসাবিদ্যার গ্রন্থ অনুবাদ চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাঁর কাজ আধুনিক চিকিৎসাবিদ্যা চর্চাকে সহজবোধ্য করে তোলে এবং সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে সাহায্য করে।

মধুসূদন গুপ্তের কাজ কীভাবে সমাজে প্রভাব ফেলেছে?

মধুসূদন গুপ্তের কাজ সমাজে চিকিৎসাবিদ্যার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি করে এবং সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে সাহায্য করে। তাঁর সাহসী পদক্ষেপ বাঙালি সমাজে বিজ্ঞানচর্চার পথ প্রশস্ত করে।


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “মধুসূদন গুপ্ত কে ছিলেন? মধুসূদন গুপ্ত স্মরণীয় কেন?” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “মধুসূদন গুপ্ত কে ছিলেন? মধুসূদন গুপ্ত স্মরণীয় কেন?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়া, নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।

Share via:

মন্তব্য করুন