শব্দদূষণ কাকে বলে? শব্দদূষণের কারণ, অপকারিতা এবং প্রতিকার

Souvick

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—”শব্দদূষণ কাকে বলে? শব্দদূষণের কারণ, অপকারিতা এবং প্রতিকার লেখো।”—নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় ‘পরিবেশ, তার সম্পদ এবং তাদের সংরক্ষণ’-এর ‘পরিবেশদূষণ’ অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

শব্দদূষণ কাকে বলে? শব্দদূষণের কারণ, অপকারিতা এবং প্রতিকার লেখো।

শব্দদূষণ কাকে বলে? শব্দদূষণের কারণ, অপকারিতা এবং প্রতিকার লেখো।

পরিবেশে বিভিন্ন উৎস থেকে নির্গত তীব্র, উন্মত্ত এবং বিরক্তিকর শব্দ, যা বিভিন্ন প্রাণীসহ মনুষ্যজীবনের ভারসাম্য বা সক্রিয়তাকে বিঘ্নিত করে, তাকে শব্দদূষণ বলে।

শব্দদূষণের কারণ, অপকারিতা এবং প্রতিকার

নিচে শব্দদূষণের প্রধান কারণ, এর ক্ষতিকর প্রভাব এবং তা প্রতিকারের উপায়গুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো –

শব্দদূষণের কারণ

বিভিন্ন কারণে শব্দদূষণ ঘটে থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কারণ হলো –

  • গাড়ির তীব্র হর্ন বাজানোর কারণে পরিবেশে মারাত্মক শব্দদূষণ ঘটে।
  • কলকারখানার যন্ত্রপাতির বিকট শব্দ প্রতিনিয়ত শব্দদূষণ সৃষ্টি করে।
  • বিভিন্ন সময় জোরে জোরে মাইক বাজানোর ফলেও শব্দদূষণ হয়।
  • এছাড়া লাউড স্পিকারে উচ্চস্বরে গান শোনা ইত্যাদি কারণেও শব্দদূষণ বৃদ্ধি পায়।

শব্দদূষণের অপকারিতা

শব্দদূষণ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। এর প্রধান অপকারিতাগুলো হলো –

  • মাত্রাতিরিক্ত শব্দ সরাসরি আমাদের মস্তিষ্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
  • এতে দিন দিন আমাদের শোনার ক্ষমতা কমে যেতে থাকে।
  • অতিরিক্ত শব্দের প্রভাবে একসময় পুরোপুরি বধির হয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়।

শব্দদূষণের প্রতিকার

শব্দদূষণের ক্ষতিকর দিকগুলো বিবেচনা করে আমাদের দ্রুত এর প্রতিকার করা উচিত। এজন্য যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া জরুরি –

  • মাত্রাতিরিক্ত শব্দ সৃষ্টি করে এমন জিনিস সম্পূর্ণরূপে পরিহার করা উচিত।
  • জোরে জোরে মাইকে গান শোনা থেকে আমাদের বিরত থাকা উচিত।
  • অযথা গাড়ির হর্ন বাজানো বন্ধ করা এবং স্কুল ও হাসপাতালের সামনে হর্ন না বাজানোর নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলা দরকার।

এসব নিয়ম মেনে চললে শব্দদূষণ থেকে মানুষ মুক্তি পাবে এবং তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি অনেকাংশে কম হবে।

আরও পড়ুন – মানবদেহের ওপর মৃত্তিকা দূষণের প্রভাব ও রোধের উপায়


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন—”শব্দদূষণ কাকে বলে? শব্দদূষণের কারণ, অপকারিতা এবং প্রতিকার লেখো।”—নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞানের পঞ্চম অধ্যায় ‘পরিবেশ, তার সম্পদ এবং তাদের সংরক্ষণ’-এর ‘পরিবেশদূষণ’ অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।

Please Share This Article

Related Posts

মানবদেহের ওপর মৃত্তিকা দূষণের প্রভাবগুলি কী কী? কী কী উপায়ে মৃত্তিকা দূষণ রোধ করা হয়?

মানবদেহের ওপর মৃত্তিকা দূষণের প্রভাব ও রোধের উপায়

ইউট্রোফিকেশন কাকে বলে? ইউট্রোফিকেশনের দুটি ক্ষতিকারক প্রভাব লেখো।

ইউট্রোফিকেশন কাকে বলে? এর ক্ষতিকারক প্রভাব

জলের BOD বলতে কী বোঝো? জলের COD বলতে কী বোঝো?

জলের BOD ও COD বলতে কী বোঝো? BOD এবং COD-এর পার্থক্য

About The Author

Souvick

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

শব্দদূষণ কাকে বলে? শব্দদূষণের কারণ, অপকারিতা এবং প্রতিকার

মানবদেহের ওপর মৃত্তিকা দূষণের প্রভাব ও রোধের উপায়

ইউট্রোফিকেশন কাকে বলে? এর ক্ষতিকারক প্রভাব

জলের BOD ও COD বলতে কী বোঝো? BOD এবং COD-এর পার্থক্য

জৈব ভঙ্গুর ও জৈব অভঙ্গুর দূষক কাকে বলে? জৈব ভঙ্গুর এবং জৈব অভঙ্গুর দূষকের মধ্যে পার্থক্য