এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “”সব তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ তড়িৎ পরিবাহী কিন্তু সমস্ত তড়িৎ পরিবাহী তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ নয়” — ব্যাখ্যা করো।” — নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের অষ্টম অধ্যায় “পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মসমূহ” -এর “তড়িৎপ্রবাহ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

“সব তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ তড়িৎ পরিবাহী কিন্তু সমস্ত তড়িৎ পরিবাহী তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ নয়” — ব্যাখ্যা করো।
তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থগুলি গলিত বা জলে দ্রবীভূত অবস্থায় ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নে বিয়োজিত হয় এবং তড়িৎ পরিবহন করে। তড়িৎ পরিবহণের ফলে পদার্থটির রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে সম্পূর্ণ নতুন ধর্মবিশিষ্ট পদার্থ উৎপন্ন হয়। যেমন – অ্যাসিড (H₂SO₄), ক্ষার (NaOH) ও লবণ (NaCl, KCl) তড়িৎবিশ্লেষ্যের উদাহরণ। আবার যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় তাদের তড়িৎ পরিবাহী বলে। যে সমস্ত তড়িৎ পরিবাহী তড়িৎ পরিবহণকালে রাসায়নিকভাবে পরিবর্তিত হয়ে নতুন ধর্মবিশিষ্ট পদার্থে পরিণত হয় না, সেই সমস্ত পদার্থগুলি তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ নয়। যেমন – লোহা, তামা ধাতব পরিবাহী ও গ্রাফাইট অধাতব পরিবাহী। এরা মুক্ত ইলেকট্রনের মাধ্যমে তড়িৎ পরিবহণ করে এবং তড়িৎপ্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে এগুলি পুনরায় পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে। তাই সব তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থই তড়িৎ পরিবাহী কিন্তু সমস্ত তড়িৎ পরিবাহী তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ নয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞান বিষয়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন — “”সব তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ তড়িৎ পরিবাহী কিন্তু সমস্ত তড়িৎ পরিবাহী তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ নয়” — ব্যাখ্যা করো।” — নিয়ে আলোচনা করেছি। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভৌতবিজ্ঞানের অষ্টম অধ্যায় “পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মসমূহ” -এর “তড়িৎপ্রবাহ ও রাসায়নিক বিক্রিয়া” অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা এবং বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন।





Leave a Comment