তাপ কাকে বলে? তাপের পরিমাপ কীভাবে করা হয়?

Rahul

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “তাপ কাকে বলে? তাপের পরিমাপ কীভাবে করা হয়?” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “তাপ কাকে বলে? তাপের পরিমাপ কীভাবে করা হয়?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – বায়ুমণ্ডলের তাপ, উষ্ণতা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

তাপ কাকে বলে তাপের পরিমাপ কীভাবে করা হয়
তাপ কাকে বলে তাপের পরিমাপ কীভাবে করা হয়

তাপ কাকে বলে?

তাপ –

তাপ হলো এক প্রকার শক্তি যা করলে বস্তু উত্তপ্ত হয় এবং বর্জন করলে বস্তু সাধারণত ঠান্ডা হয়। অন্যভাবে বলা যায়, তাপ হচ্ছে এক প্রকার শক্তি যা আমাদের ঠান্ডা বা গরমের অনুভূতি জাগায়। কোন গরম বস্তুতে হাত দিলে আমরা গরম অনুভব করি আবার কোন ঠান্ডা বস্তুতে হাত দিলে আমরা ঠান্ডা অনুভব করি। বিভিন্ন রকম তাপ আমাদের শরীরে বিভিন্ন রকম অনুভূতির সৃষ্টি করে। গরম, ঠান্ডা কিংবা সাধারণ পানিতে হাত দিলে আমাদের যে অনুভূতির পার্থক্য তৈরী হয় তার প্রধান কারণ হলো তাপ।

তাপের পরিমাপ কীভাবে করা হয়?

তাপের পরিমাপ –

বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বা তাপ পরিমাপ করার জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে থার্মোমিটার বলে। এই থার্মোমিটারের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলের কোনো স্থানের উষ্ণতা সহজে বোঝা যায়। থার্মোমিটারে দুরকম স্কেল থাকে যথা –

  • সেন্টিগ্রেড বা সেলসিয়াস।
  • ফারেনহাইট স্কেল।

হিমাঙ্ক থেকে স্ফুটনাঙ্ক পর্যন্ত তাপমাত্রাকে সেন্টিগ্রেড স্কেলে 0°-100°C এই 100 টি ভাগে ভাগ করা থাকে। আর ফারেনহাইট স্কেলে হিমাঙ্ক থেকে স্ফুটনাঙ্ক পর্যন্ত তাপমাত্রাকে 32° থেকে 212°F এই 180টি সমান ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে।

কোনো স্থানের কোনো দিনের উষ্ণতা নির্ণয় করতে গেলে সেই দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রাকে যোগ করে যোগফলকে 2 দিয়ে ভাগ করতে হয় আবার প্রতি ঘণ্টার তাপমাত্রা নিয়েও তাপমাত্রার যোগফলকে 24 দিয়ে ভাগ করে দিনের গড় উষ্ণতা নির্ণয় করা যায়। এইভাবে কোনো স্থানের মাসিক গড় উষ্ণতা এবং বার্ষিক গড় উষ্ণতা পাওয়া যায়।


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “তাপ কাকে বলে? তাপের পরিমাপ কীভাবে করা হয়?” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “তাপ কাকে বলে? তাপের পরিমাপ কীভাবে করা হয়?” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – বায়ুমণ্ডলের তাপ, উষ্ণতা ও বিশ্ব উষ্ণায়ন” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। । ধন্যবাদ।

Please Share This Article

Related Posts

বায়ুর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলির বর্ণনা দাও।

বায়ুর সঞ্চয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ভূমিরূপগুলির বর্ণনা দাও।

সক্রিয় সেনসর ও নিষ্ক্রিয় সেনসর বলতে কী বোঝো? সক্রিয় সেনসর ও নিষ্ক্রিয় সেনসরের মধ্যে পার্থক্য করো।

সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় সেনসর বলতে কী বোঝো? সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় সেনসরের মধ্যে পার্থক্য

জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহ কী? জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহের মধ্যে পার্থক্য

জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহ কী? জিওস্টেশনারি ও সান-সিনক্রোনাস উপগ্রহের মধ্যে পার্থক্য

About The Author

Rahul

Tags

Leave a Comment

SolutionWbbse

"SolutionWbbse" শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনলাইন অধ্যয়ন প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য গাইডলাইন, এবং বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনার সাহায্য প্রদান করা হয়। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল বিষয়ের শিক্ষণীয় উপকরণ সহজেই সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌঁছে দেওয়া।

Editor Picks

থ্যালাসেমিয়া কাকে বলে? প্রকারভেদ ও উপসর্গ

অসুস্থ ভ্রূণ যাতে না জন্মায় তার জন্য জেনেটিক কাউন্সেলরের পরামর্শ | মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

জেনেটিক কাউন্সেলিং কাকে বলে? বংশগত রোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকা | মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

বর্ণান্ধতার কারণ ও লক্ষণ (বংশগতি ও জিনগত রোগ) – মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান

থ্যালাসেমিয়া রোগের কারণ ও প্রকারভেদ (α ও β থ্যালাসেমিয়া) – মাধ্যমিক জীবনবিজ্ঞান