এখনই আমাদের Telegram Community গ্রুপে যোগ দিন। এখানে WBBSE বোর্ডের পঞ্চম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির যেকোনো বিষয়ভিত্তিক সমস্যা শেয়ার করতে পারেন এবং একে অপরের সাহায্য করতে পারবেন। এছাড়া, কোনও সমস্যা হলে আমাদের শিক্ষকরা তা সমাধান করে দেবেন।

Telegram Logo Join Our Telegram Community

উনবিংশ শতকের ইতিহাসকে জানতে তৎকালীন সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রগুলির গুরুত্ব উল্লেখ করো।

এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “উনবিংশ শতকের ইতিহাসকে জানতে তৎকালীন সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রগুলির গুরুত্ব উল্লেখ করো। নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাস পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই “উনবিংশ শতকের ইতিহাসকে জানতে তৎকালীন সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রগুলির গুরুত্ব উল্লেখ করো।“ প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা“ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

উনবিংশ শতকের ইতিহাসকে জানতে তৎকালীন সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রগুলির গুরুত্ব উল্লেখ করো।
Contents Show

উনবিংশ শতকের ইতিহাসকে জানতে তৎকালীন সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রগুলির গুরুত্ব উল্লেখ করো।

ঊনবিংশ শতকের সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রগুলির গুরুত্ব

উনবিংশ শতকের ইতিহাসকে জানতে সমকালীন সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রিকাগুলির গুরুত্ব উল্লেখযোগ্য। আবার এইসব পত্রপত্রিকার ইতিবাচক প্রভাব জাতীয়তাবাদের বিকাশ ও সমাজসংস্কারের ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

গুরুত্ব –

উনিশ শতকের ইতিহাসকে জানতে তৎকালীন সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রগুলি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।

  • প্রথমত – এইসব সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্র দিয়ে তৎকালীন বাংলা তথা ভারতের রাজনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা যায়। তা ছাড়া সমসাময়িক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও ওইসব পত্রপত্রিকায় উঠে এসেছে।
  • দ্বিতীয়ত – তৎকালীন সমাজে নারীদের অবস্থা, শিক্ষার অবস্থা, কৃষকদের অবস্থা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
  • তৃতীয়ত – ভারতে কেবলমাত্র সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রগুলি দিয়ে পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস চর্চা করা না গেলেও এইসব পত্রপত্রিকা-গুলি যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও কাহিনি পরিবেশন করেছে তা আধুনিক কালের ইতিহাস চর্চা ও ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

মন্তব্য –

উনবিংশ শতকের রাজনীতি, সমাজ, অর্থনীতি, সংস্কৃতি প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও কাহিনি পরিবেশন করে তৎকালীন সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রগুলি ইতিহাস আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর

উনবিংশ শতকের কোন কোন সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্র বিখ্যাত ছিল?

কিছু উল্লেখযোগ্য পত্রিকা হলো –
1. সংবাদপত্র – সমাচার দর্পণ, বঙ্গদূত, হিন্দু প্যাট্রিয়ট, অমৃতবাজার পত্রিকা।
2. সাময়িক পত্র – তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা, বঙ্গদর্শন, সোমপ্রকাশ, ভারতী।

উনবিংশ শতকের সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রিকাগুলি কীভাবে জাতীয়তাবাদ গঠনে সাহায্য করেছিল?

সংবাদপত্রগুলি ব্রিটিশ শাসনের সমালোচনা, স্বদেশী আন্দোলন, সমাজ সংস্কার ও শিক্ষার প্রসারে ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরণস্বরূপ, সোমপ্রকাশ ও হিন্দু প্যাট্রিয়ট ব্রিটিশ নীতির বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলেছিল।

নারী ও কৃষকদের অবস্থা সম্পর্কে কী তথ্য পাওয়া যায়?

পত্রিকাগুলিতে নারী শিক্ষা, বাল্যবিবাহ, বিধবা সমস্যা এবং কৃষকদের ওপর জমিদার ও ব্রিটিশ শোষণের বিবরণ পাওয়া যায়।

আধুনিক ইতিহাস গবেষণায় এই পত্রিকাগুলির ভূমিকা কী?

ঐতিহাসিকরা এই পত্রিকাগুলি থেকে প্রামাণ্য তথ্য সংগ্রহ করে উনবিংশ শতকের সামগ্রিক চিত্র পুনর্গঠন করেন।

উনবিংশ শতকের পত্রিকাগুলি ও বর্তমান পত্রিকার মধ্যে পার্থক্য কী?

তখনকার পত্রিকাগুলিতে সাহিত্য, সমাজচিন্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণের প্রাধান্য ছিল, বর্তমানে সংবাদ দ্রুতগামী ও বাণিজ্যিকভাবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সংবাদপত্রগুলি কি শুধু রাজনৈতিক খবর প্রকাশ করত?

না, সাহিত্য, বিজ্ঞান, ধর্ম, সমাজ সংস্কার নিয়েও আলোচনা হতো। বঙ্গদর্শন -এ রবীন্দ্রনাথের লেখা প্রকাশিত হয়েছিল।


এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “উনবিংশ শতকের ইতিহাসকে জানতে তৎকালীন সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রগুলির গুরুত্ব উল্লেখ করো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “উনবিংশ শতকের ইতিহাসকে জানতে তৎকালীন সংবাদপত্র ও সাময়িক পত্রগুলির গুরুত্ব উল্লেখ করো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ইতিহাসের দ্বিতীয় অধ্যায় “সংস্কার – বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করতে পারেন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। তাছাড়া, নিচে আমাদের এই পোস্টটি আপনার প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন, যাদের এটি প্রয়োজন হতে পারে। ধন্যবাদ।

Share via:

মন্তব্য করুন