এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “ট্রপোস্ফিয়ারকে কেন ‘ক্ষুব্ধমণ্ডল’ বলা হয়? ট্রপোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য লেখো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “ট্রপোস্ফিয়ারকে কেন ‘ক্ষুব্ধমণ্ডল’ বলা হয়? ট্রপোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের প্রথম অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – উপাদান ও উষ্ণতার ভিত্তিতে বায়ুমণ্ডলের স্তরবিন্যাস” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

ট্রপোস্ফিয়ারকে কেন ‘ক্ষুব্ধমণ্ডল’ বলা হয়?
ট্রপোস্ফিয়ারকে ‘ক্ষুব্ধমণ্ডল’ বলার কারণ –
বায়ুমণ্ডলের সমস্ত গ্যাসীয় উপাদানের প্রায় 75 শতাংশ এবং জলীয় বাষ্প ও ধূলিকণা এই স্তরে থাকে। জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে মেঘ, মেঘ থেকে বৃষ্টি, বজ্রপাত, তুষারপাত ইত্যাদি এই স্তরে ঘটে। এ ছাড়া বায়ুপ্রবাহ, ঝড়ঝঞ্ঝা, শিশির, কুয়াশাসহ সকল প্রকার বায়ুমণ্ডলীয় বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ট্রপোস্ফিয়ারে সংঘটিত হয় বলে এই স্তরকে ক্ষুব্ধমণ্ডল বলা হয়।
ট্রপোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য লেখো।
অথবা, ট্রপোস্ফিয়ারের তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
ট্রপোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য –
- এই স্তরে প্রতি 1000 মিটার উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে 6.4°C হারে উষ্ণতা হ্রাস পায়, একে স্বাভাবিক তাপহ্রাস হার (Normal Lapse Rate) বলে।
- বায়ুমণ্ডলের 75% গ্যাসীয় উপাদান (N2, O2, CO2) এই স্তরে অবস্থিত।
- বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ (বজ্র, বিদ্যুৎ, ঝড়, বৃষ্টি) এই স্তরে দেখা যায়, তাই একে ক্ষুব্ধমণ্ডল বলা হয়।
- এই স্তরের ঊর্ধ্বসীমাকে ট্রপোপজ বলা হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “ট্রপোস্ফিয়ারকে কেন ‘ক্ষুব্ধমণ্ডল’ বলা হয়? ট্রপোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য লেখো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “ট্রপোস্ফিয়ারকে কেন ‘ক্ষুব্ধমণ্ডল’ বলা হয়? ট্রপোস্ফিয়ারের বৈশিষ্ট্য লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের প্রথম অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – উপাদান ও উষ্ণতার ভিত্তিতে বায়ুমণ্ডলের স্তরবিন্যাস” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। । ধন্যবাদ।





Leave a Comment