এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “আপেক্ষিক আর্দ্রতা সম্পর্কে টীকা লেখো।” নিয়ে আলোচনা করব। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোল পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। “আপেক্ষিক আর্দ্রতা সম্পর্কে টীকা লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – আর্দ্রতা ও অধঃক্ষেপণ” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়।

আপেক্ষিক আর্দ্রতা সম্পর্কে টীকা লেখো।
আপেক্ষিক আর্দ্রতা –
কোনো নির্দিষ্ট উষ্ণতায় নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প থাকে তাতে ওই বায়ু সম্পৃক্ত হয় না। তাই ওই একই উষ্ণতায় একই পরিমাণ বায়ুকে সম্পৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্পের প্রয়োজন হয় তার অনুপাতকে আপেক্ষিক আর্দ্রতা বলে। একে সর্বদা শতকরা হিসাবে পূর্ণমানে প্রকাশ করা হয়।

আপেক্ষিক আর্দ্রতার উদাহরণ – ধরা যাক 28°C উষ্ণতায় 100 ঘনসেমি বায়ুতে জলীয়বাষ্প আছে 30 গ্রাম। ওই একই উষ্ণতায় সম আয়তনের বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা 40 হলে বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা হবে = \( \frac{30}{40} \) × 100% = 75% [সম্পৃক্ত বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা 100%]।
আপেক্ষিক আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র – আপেক্ষিক আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে পরিমাপ করা হয়।
আপেক্ষিক আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্রের বৈশিষ্ট্য –
- উষ্ণতা বৃদ্ধি পেলে আপেক্ষিক আর্দ্রতা হ্রাস পায়।
- বৃষ্টিপাত, তুষারপাত প্রভৃতি অধঃক্ষেপণের সংঘটন আপেক্ষিক আর্দ্রতার ওপর নির্ভরশীল।
- ভোরের বেলা আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি হয়।
এই আর্টিকেলে আমরা মাধ্যমিক ভূগোলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন “আপেক্ষিক আর্দ্রতা সম্পর্কে টীকা লেখো।” নিয়ে আলোচনা করেছি। এই “আপেক্ষিক আর্দ্রতা সম্পর্কে টীকা লেখো।” প্রশ্নটি মাধ্যমিক ভূগোলের দ্বিতীয় অধ্যায় “বায়ুমণ্ডল – আর্দ্রতা ও অধঃক্ষেপণ” -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এই প্রশ্নটি মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবং চাকরির পরীক্ষায় প্রায়ই দেখা যায়। আশা করি এই আর্টিকেলটি আপনাদের জন্য উপকারী হয়েছে। আপনাদের কোনো প্রশ্ন বা অসুবিধা থাকলে, আমাদের সাথে টেলিগ্রামে যোগাযোগ করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। । ধন্যবাদ।





Leave a Comment